
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 10 February 2025 12:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এখন অনেকটাই সুস্থ সইফ আলি খান। বাড়িতে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। ঘটনার কথা মনে পড়লেই শিউরে উঠছেন। ১৬ জানুয়ারি রাতের কথা ভুলতে পারছেন না অভিনেতা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভয়াবহ রাতের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন তিনি। ওঠে তৈমুর প্রসঙ্গ। একরত্তি সেদিন তাঁর আব্বাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, মরে যাবে না তো! দৃঢ় কন্ঠে অভিনেতা জানিয়েছিলেন, 'না।'
বান্দ্রায় নিজের বাড়িতে হামলার মুখে পড়েন সইফ। পিঠে ছুরির কোপ মারে দুষ্কৃতী। সেই রাতে দিশেহারা অবস্থা হয়েছিল পতৌদি পরিবারের। সইফ জানান, হামলার পর তাঁর গায়ে থাকা কুর্তা রক্তে ভিজে গিয়েছিল। করিনা কাপুর খান সঙ্গে দুই ছেলে তৈমুর ও জেহ আতঙ্কে ছুটে আসেন। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁরা অটো ও ক্যাবের খোঁজ শুরু করেন। এই সব দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তৈমুর এবং বারবার নাকি জানতে চাইছিলেন, বাবা বেঁচে থাকবেন তো?
সইফ বলেন, 'আমি শুধু বললাম, আমার একটু ব্যথা হচ্ছে, কিছু একটা গণ্ডগোল হয়েছে পিঠে। করিনা তখন হন্তদন্ত হয়ে ফোন করতে থাকে, কিন্তু কেউ ফোন তুলছিল না। আমরা একে অপরের দিকে তাকালাম, আমি বললাম, ঠিক আছি, মরছি না। তখনই তৈমুর এসে জিজ্ঞেস করে- তুমি কি মরে যাবে? আমি বললাম না।'
অভিনেতা আরও জানান, হাসপাতালের কথা শুনে তৈমুর নিজেই তাঁর সঙ্গে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। 'ও ঠিকই করে নিয়েছিল যাবে। বলল, আমি তোমার সঙ্গে যাচ্ছি। আমিও বুঝতে পেরেছিলাম, ও যাচ্ছে সাহস পাচ্ছি। একা যেতে চাইনি।'
সইফের ঘটনা নিয়ে কম হইচই হয়নি। কে তাঁর সঙ্গে ঘটনার সময় ছিলেন। কে বা কারা তাঁকে সাহায্য করেন। কে হাসপাতালে নিয়ে যান। উঠে আসে একাধিক নামও। সেই বিষয়ে খোলসা করলেন অভিনেতা। জানালেন, ওইদিন রাতে তৈমুর তাঁর সঙ্গে গিয়েছিলেন। সঙ্গে তাঁর বাড়ির কর্মী হরি। একটি অটোয় করে তিনজনে হাসপাতালে পৌঁছন। হাসপাতালে অস্ত্রপচার করে ছুরি বের করা হয়। খুব শীঘ্রই তাঁকে দেখা যাবে জুয়েল থিফ ছবিতে। মুক্তি পাবে নেটফ্লিক্সে।