
সইফ ও শরিফুল
শেষ আপডেট: 23 January 2025 18:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সইফ আলি খানের ওপর ছুরি হামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে শরিফউল ইসলামকে। তাঁকে জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, পশ্চিমবঙ্গের এক বাসিন্দার নামে আধার কার্ড ব্যবহার করে ভারতের সিম কিনেছিলেন। যার মাধ্যমে বাংলাদেশে নিজের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি।
তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, প্রায় ৭ মাস আগে ভারতে অনুপ্রবেশের পর বাংলায় আশ্রয় নেন শরিফউল। সেই সময়ই খুকুমণি জাহাঙ্গির শেখ নামে একজনের আধার কার্ড ব্যবহার করে সিম কেনেন তিনি। যিনি বড় আন্দুলিয়ার বাসিন্দা। পরে বাংলার ঠিকানা ব্যবহার করে আধার কার্ড তৈরির চেষ্টা করেন। কিন্তু সফল হননি। শেষে কাজের খোঁজে মুম্বই চলে যান শরিফুল। বাণিজ্যনগরীতেই বিভিন্ন হোটেলে পরিচারকের কাজ করতে থাকেন।
পাশাপাশি এও প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, নদিয়া সীমান্ত নয় বরং মেঘালয়ের ডাউকি সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেন শরিফুল। নদিয়ার পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট জানান, বড় আন্দুলিয়া এবং চাপড়ার বেশিরভাগ মানুষই মুম্বইয়ে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।
স্বচ্ছ জলের জন্য ডাউকি নদী পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পাহাড় থেকে সমতলে প্রবেশ করে ডাউকি নদী। সেখানে নদীখাত কয়েক কিলোমিটার চওড়া। বর্ষায় নদীতে প্রবল জলোচ্ছাস থাকায় এই এলাকা প্রায় অরক্ষিত থাকে।
বছরের অন্য সময়ে বিএসএফ সেখানে নজরদারি চালালেও বিস্তীর্ণ অরক্ষিত এলাকা চোরাচালান ও অনুপ্রবেশের স্বর্গরাজ্য। সেখানেই বিনা বাধায় সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারেন ভারত ও বাংলাদেশের পর্যটকরা। শরিফুলও সেই সুযোগটাই নিয়েছিলেন। জানতেন, দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বিএসএফ ও বিজিবির সদস্যদের চোখে ধুলো দেওয়া যাবে।