
ঋত্বিক চক্রবর্তী
শেষ আপডেট: 4 April 2025 14:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগেও অভিনেতা পুতুলখেলা দেখিয়েছেন। অনেকখানি সিরিয়াস বিষয় পুতুলের মুখে বলিয়েছেন, যা আদপে সমাজে চলতে থাকা এমন কিছু যা নিয়ে বারবার দিনের পর দিন খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে। অনেকে মনে করেন এটা হালকা চাল আবার অনেকে মনে করেন বুদ্ধিদীপ্ত, গভীরতা আছে। এবারও এমন কিছু পুতুলের মুখে বলিয়ে দিলেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী।
গতকাল সুপ্রিম কোর্টের এক রায়দানে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। ২০১৬ এসএসসি-র শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল সেই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়াই বাতিল করে দিয়েছিল। এর ফলে চাকরি হারান ২৫ হাজার ৭৫৩ জন। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। এছাড়া আলাদা করে মামলা করে রাজ্যের শিক্ষা দফতর, এসএসসি এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদও। দফায় দফায় মামলা করেন চাকরিহারারাও। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট চাকরি বাতিলে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত রায় দিল শীর্ষ আদালত। এই মামলার মূল ইস্যুই ছিল, কীভাবে যোগ্য এবং অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব। আসল উত্তরপত্র বা ওএমআর সিট উদ্ধার করা যায়নি বলে কোন ওএমআর সিটকে আসল ধরা হবে তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। শীর্ষ আদালতেরও পর্যবেক্ষণ ছিল, এই মামলায় আসল তথ্য জানা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই সবকিছু মাথায় রেখেই মামলায় রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
এই ‘যোগ্য’ ও ‘অযোগ্য’ চাকরিপ্রার্থীর বিষয়টিকে আরও খানিক উস্কে দিলেন অভিনেতা ঋত্বিক। তবে নিজের কথা ভরে দিলেন পুতুলের মুখে। সেই ভিডিও প্রকাশ্যে এল ফেসবুক ওয়ালে। হাতে পুতুল নিয়ে বসে ঋত্বিক প্রশ্ন তুললেন, যোগ্য এবং অযোগ্যদের নিয়ে?
পুতুল: হ্যালো, হ্যালো মাইক টেস্টিং, হ্যালো!
ঋত্বিক: অযোগ্যকে যদি ‘যোগ্য’আর ‘অযোগ্য’ বাছতে বলা হয়, তাহলে অযোগ্য, ‘যোগ্য’র দিকেও থাকে না ‘অযোগ্য’র দিকেও থাকে না।
ঋত্বিক: তাহলে?
পুতুল: সে শুধু নিজের দিকে থাকে, এবং প্রমাণ করে সে অযোগ্য!
ঋত্বিক: এটা সবাই জানে
পুতুল: হ্যালো, হ্যালো মাইক টেস্টিং!
ঋত্বিক: থাম তো!
তবে এটাই প্রথম নয়। কিছুদিন আগেই কেলগ কলেজে বক্তব্য রাখার সময় আচমকা শ্রোতাদের একাংশের বিরোধিতার মুখে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। 'বিক্ষোভে' সরব হয়ে ওঠেন একাংশ। এমন সময়ে বিরোধী দলনেত্রী থাকাকালীন ১৯৯৩ সালে মহাকরণ অভিযানে, কীভাবে তাঁর উপর হামলা করা হয়েছিল, গুরুতর চোট পাওয়া অবস্থায় মাথায় ব্যান্ডেজ বাঁধা ছবি হাতে তোলেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Bandyopadhyay)। বলেন, “দয়া করে দেখুন এই ছবিটি। কীভাবে আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। এটা নাটক নয়। এরকম ব্যবহার করবেন না। দুর্ব্যবহার করবেন না।...’ সেই ছবি তুলে ধরে প্রশ্নকর্তাদের উদ্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'এখানে মিথ্যে কথা বলে আমাকে অপমান না করে, বাংলায় গিয়ে নিজেদের দলকে শক্তিশালী করুন। গণতান্ত্রিকভাবে লড়াই করুন।’
মমতার ‘সেই ছবি’র প্রসঙ্গই উঠে আসে অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তীর ফেসবুক পোস্টে? খানিক ব্যঙ্গ, খানিক ক্রিপ্টিক পোস্টে কী লিখেছিলেন, ঋত্বিক? ‘ট্রাভেল এজেন্ট বলল লিখে নিন, বিদেশে গেলে কিন্তু মনে করে পাসপোর্ট ভিসা বিদেশি মুদ্রা আর ২০-২৫ বছর আগেকার কিছু ছবি বড় করে প্রিন্ট করে নিয়ে যেতে হবে। যদি কাজে না লাগে তাহলে বার করবেন না কিন্তু ক্যারি করবেন সবসময়...’ পোস্টের কমেন্ট সেকশনে অভিনেতার শঙ্কর দেবনাথ লেখেন, ‘দূরদৃষ্টির কিছু নেই সমস্তটাই প্ল্যানড...’