আজ অর্থাৎ ১০ অক্টোবর যশের জন্মদিন। মধ্যরাতে তামাম নেটিজেনের চোখ যখন নুসরতের ইনস্টা প্রোফাইলে ঠিক তখনই এক বড় সড় পোস্ট, যার পুরোটাই যশকে ঘিরে। সঙ্গে একগুচ্ছ অদেখা ছবি।

শেষ আপডেট: 10 October 2025 15:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নুসরত জাহান ও যশ দাশগুপ্ত-- এই মুহূর্তে টলিউডের অন্যতম আলোচিত জুটি। তাঁদের সম্পর্কের টানাপড়েন নিয়ে গসিপ চলে অনবরত। এই যেমন যশ-নুসরতের প্রযোজনা সংস্থার ছবি 'আড়ি' মুক্তির পর তাঁদের নিয়ে চলেছিল বিস্তর আলোচনা। এও খবর রটেছিল, সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির নাকি আগমন ঘটেছে! শোনা গিয়েছিল আলাদা ফ্ল্যাটেও নাকি থাকছেন তাঁরা। এরই মধ্যে আবার শুধুমাত্র বড় ছেলেকে নিয়ে যশের বিদেশ ভ্রমণ, ছোট ছেলেকে নিয়ে নুসরতের উত্তরবঙ্গ ভ্রমণ, সেই গসিপেই ঘি ঢেলেছিল ভালভাবেই। ভাঙা-না ভাঙার এই দন্ধেই এবার আসল মাস্টারস্ট্রোকটা দিলেন নুসরত নিজেই।
আজ অর্থাৎ ১০ অক্টোবর যশের জন্মদিন। মধ্যরাতে তামাম নেটিজেনের চোখ যখন নুসরতের ইনস্টা প্রোফাইলে ঠিক তখনই এক বড় সড় পোস্ট, যার পুরোটাই যশকে ঘিরে। সঙ্গে একগুচ্ছ অদেখা ছবি।
নুসরত লেখেন, "সারা বিশ্বের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি। এখন নিজেদের মধ্যে করছি, তাও বেঁচে আছি। পেটে খিল দেওয়া হাসি থেকে একের অপরকে কষ্ট দেওয়া... আমরা ঝামেলায় সেরা হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছি। আমার সবচেয়ে প্রিয় 'মাথাব্যথা'কে তার বিশেষ দিনে একরাশ শুভেচ্ছা। তুমি যেন তারাকে ছুঁতে পারো।" পাল্টা উত্তর এসেছে যশের তরফেও। তিনি লেখেন, "মনে হয় ঝামেলা আমাদের স্যুট করে। শুধু তুমি আমায় 'মাথাব্যথা' বলে ডাকতে পারো। তাও শুনতে মিষ্টি লাগে। এই অসাধারণ শুভেচ্ছা জন্য তোমায় ধন্যবাদ। এসো আরও বেঁধে বেঁধে থাকি।"
যশ-নুসরতের ব্যবহৃত ইংরেজির 'কেওস', 'ক্রেজি' শব্দগুলোই যেন বুঝিয়ে দিচ্ছিল ঝামেলার অস্তিত্ব। সঙ্গে এও বুঝিয়ে দিচ্ছিল, ঝামেমা হলেও আপাতত সমুদ্রে জোয়ার আসেনি। নিজেরাই সামলে নিয়েছেন সবটা খানিক নিজেদের মতো করেই।
২০২১ সালে তখন লকডাউন। ঠিক এমনই সময়ে প্রকাশ্যে আসে নুসরতের মা হওয়ার খবর। নিখিল জৈন জানিয়ে দেন, বাবা তিনি নন। বাবা হিসেবে প্রকাশ্যে আসে যশের নাম। তারপর তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। তাঁরা আদপে বিবাহিত কিনা, নিখিলের সঙ্গে নুসরতের 'বিচ্ছেদ' হয়েছে কিনা, বিগত বেশ কিছু মাস পেজ-থ্রির হেডলাইন কার্যত দখল করে রেখেছিলেন এই জুটি। দিন গিয়েছে, গসিপের অন্য টপিক এসেছে। তবু তাঁদের নিয়ে আলোচনা কমলেও, থামেনি। নুসরতের এই পোস্ট কি সেই আলোচনায় খানিক স্বস্তি? সে উত্তর তো সময়ই দেবে।