কেকওয়াক, সিজনস গ্রিটিংসের পর 'রিকশাওয়ালা'-র হাত ধরে টলিউডে রামকমল
সোহিনী চক্রবর্তী
তাঁর জন্ম কলকাতায়। এক্কেবারে খোদ উত্তর কলকাতার আমহার্স্ট স্ট্রিট। তবে কর্মসূত্রে এখন তিনি মুম্বইয়ের বাসিন্দা। কিন্তু গত কয়েকমাস ধরে তিনি ঘুরে বেড়াচ্ছেন কলকাতার অলিগলিতে। খুঁজছেন নিজের প্রথম বাংলা ছবির মুখ্য চরিত্রকে। তিনি প
শেষ আপডেট: 5 May 2019 14:22
সোহিনী চক্রবর্তী
তাঁর জন্ম কলকাতায়। এক্কেবারে খোদ উত্তর কলকাতার আমহার্স্ট স্ট্রিট। তবে কর্মসূত্রে এখন তিনি মুম্বইয়ের বাসিন্দা। কিন্তু গত কয়েকমাস ধরে তিনি ঘুরে বেড়াচ্ছেন কলকাতার অলিগলিতে। খুঁজছেন নিজের প্রথম বাংলা ছবির মুখ্য চরিত্রকে। তিনি পরিচালক রামকমল মুখোপাধ্যায়।
বঙ্গ তনয় রাম বি-টাউনের সফল পরিচালক। ইতিমধ্যেই বানিয়েছেন দু'খানা হিন্দি ছবি। শর্ট ফিল্ম হলেও পরিচালনার রাস্তায় রামের জীবনে এসেছে সফলতা। কিন্তু তাঁর চারপাশের সকলের একটাই প্রশ্ন ছিল কবে বাংলা ছবি বানাবেন তিনি। আফটার অল বাংলার ছেলে বলে কথা। শেষ পর্যন্ত টলিউডে পা রেখেই দিলেন পরিচালক রামকমল মুখোপাধ্যায়। 'কেকওয়াক' এবং 'সিজনস গ্রিটিংস'-এর পর এ বার রামকমলের মিশন 'টলিউড'।
পরিচালক নিজেই জানিয়েছেন, যেহেতু উত্তর কলকাতায় তাঁর জন্ম, তাই সবকিছুর মধ্যে নর্থ ক্যালকাটার হাতে টানা রিকশাটাই তাঁকে সবচেয়ে বেশি টানে। রামের কথায়, "রিকশাওয়ালাদের জীবনের গল্প নিয়েই আমার প্রথম বাংলা ছবি। ছোট থেকে ওঁদের জীবনের নানান গল্প দেখে, জেনে বড় হয়েছি। খুব কালারফুল লাগত ব্যাপারটা। আর হাতে টানা রিকশা তো এখন কলকাতার হাতে গোনা কয়েকটা জায়গাতেই দেখা যায়। তাই এই হাতে টানা রিকশা এবং এক রিকশাওয়ালাদের গল্প নিয়েই বানাচ্ছি আমার নতুন ছবি।" ছবির স্ক্রিন প্লে লিখেছেন ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাতনি গার্গী চট্টোপাধ্যায় এবং সৈকত দাশ।"

তবে আপাতত ছবির মুখ্য চরিত্রকেই কলকাতার অলিগলিতে খুঁজছেন রাম। জানালেন, "চরিত্রটার জন্য স্পষ্ট উচ্চারণ এবং একটা টিপিকাল চেহারার অভিনেতা প্রয়োজন। লুকস মিলছে তো উচ্চারণে সমস্যা রয়ে যাচ্ছে। আবার স্পষ্ট উচ্চারণের অভিনেতার সঙ্গে চরিত্রের লুকসটাই খাপ খাচ্ছে না। মহা সমস্যায় পড়েছি। এখন তাই একজন ফ্রেশ মুখের খোঁজ চালাচ্ছি কলকাতা জুড়ে।" বাংলায় কাজ করার ইচ্ছে প্রথম থেকেই ছিল রামকমলের। তবে মনের মতো গল্প পাচ্ছিলেন না। শেষে নিজের শিকড়েই ফিরলেন তিনি। বললেন, "সিনেমার পর্দায় হাতে টানা রিকশা সেভাবে দেখানো হয়নি। তাই এটাই বেছে নিলাম নিজের প্রথম বাংলা ছবির জন্য। বাঙালি এবং আমার নিজের নস্ট্যালজিয়াই এ বার ধরা পড়বে পর্দায়।"