দ্য ওয়াল ব্যুরো: বরাবরই চ্যালেঞ্জিং চরিত্র করা তাঁর অভ্যাস। রামলীলার লীলা থেকে শুরু করে ফাইন্ডিং ফ্যানি, পিকু, বাজিরাও মস্তানি, পদ্মাবত, একের পর এক ভিন্ন ধারার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গেছে দীপিকা পাড়ুকোনকে। এ বার এক অ্যাসিড আক্রান্তের চরিত্রে অভিনয় করবেন দীপিকা।
ছবির পরিচালক তলোয়ার, রাজি খ্যাত মেঘনা গুলজার। চরিত্রটিও বাস্তব। ২০০৫ সালে অফিস যাওয়ার পথে নিজের থেকে দ্বিগুণ বয়সী এক ব্যক্তির হাতে অ্যাসিড হামলার শিকার হয়েছিলেন লক্ষ্মী আগরওয়াল। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর পরিবারের পরিচিত ছিলেন। লক্ষ্মীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ায় তিনি না করেন। সেই রাগেই এই কাণ্ড ঘটান ওই ব্যক্তি। এরপর থেকেই আসল গল্পের শুরু। দীর্ঘ ১০ বছরের লড়াইয়ের গল্প। সব যন্ত্রণাকে অতিক্রম করে নিজেকে ফিরে পাওয়ার কাহিনী।
এই সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ২০১৩ সালে অ্যাসিড আইনে পরিবর্তন আনে সরকার। কিন্তু তাতে কি বদলেছে ছবিটা। পরিচালক মেঘনা গুলজারের মতে বদলায়নি। এখনও চারপাশে একের পর এক অ্যাসিড হামলার ঘটনা ঘটে। সরকার থেকে ব্যান করে দেওয়ার পরেও সহজেই পাওয়া যায় অ্যাসিড। আর তাই আরও বেশি সচেতনতা আনার জন্যই এই ছবি করতে চান তিনি। ছবির নাম এখনও ঠিক হয়নি।
এই ছবি করতে রাজি হওয়ার জন্য দীপিকাকে ধন্যবাদ দিয়েছেন মেঘনা। তাঁর মতে, তিনি এই চরিত্রের জন্য দীপিকাকে চাইছিলেন। ভাবতে পারেননি বলিউডের প্রথম সারির নায়িকা এই ধরণের রোল করতে রাজি হবেন। দীপিকা শুধু রাজিই হননি, তিনি এই ছবির প্রযোজকও।
আর দীপিকা কী বলছেন এই ছবি নিয়ে। তাঁর বক্তব্য, তিনি যখন মেঘনার কাছে ছবির গল্প শোনেন এক সেকেন্ডও নেননি রাজি হতে। ছবির গল্প তাঁর মন ছুঁয়ে গেছিল। এই ছবিকে তিনি সমাজের সামনে আয়না হিসেবে ব্যবহার করতে চান। তিনি চান আরও বেশি করে মানুষ যাতে এই ব্যাপারে সচেতন হন। যাতে অ্যাসিড হামলার ঘটনা কমে।
বরাবরই চ্যালেঞ্জিং রোলে নিজের অভিনয় উজাড় করে দিয়েছেন দীপিকা। এখন দেখার এই নতুন চ্যালেঞ্জে তিনি কতটা সফল হন।