Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

'এত কষ্ট করেছি, ভগবান সুদ সমেত ফেরত দিলেন,' দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার হাতে চোখে জল মিঠুনের

৩০ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘোষণা করেছিলেন, মিঠুন চক্রবর্তীকে দাদাসাহেব ফালকে সম্মান দেওয়া হবে। আজ অর্থাৎ ৮ অক্টোবর ছিল সেই দিন।

'এত কষ্ট করেছি, ভগবান সুদ সমেত ফেরত দিলেন,' দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার হাতে চোখে জল মিঠুনের

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করলেন মিঠুন

শেষ আপডেট: 8 October 2024 20:20

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৩০ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘোষণা করেছিলেন, মিঠুন চক্রবর্তীকে দাদাসাহেব ফালকে সম্মান দেওয়া হবে। আজ অর্থাৎ ৮ অক্টোবর ছিল সেই দিন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করলেন ‘মহাগুরু’। 

মঙ্গলবিকেলে দিল্লিতে ৭০ তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মঞ্চেই দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার গ্রহণ করলেন মিঠুন। ধরে রাখতে পারলেন না চোখের জল। বললেন, ‘আগেও এই মঞ্চে আমি তিনবার এসেছি। প্রথম জাতীয় পুরস্কার যখন পেলাম, মাথাটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। ভেবেছিলাম বিশাল কিছু করে ফেলেছি। নিজেকে অ্যালপাচিনো ভাবছিলাম।’

এখানেই থেমে থাকেননি মিঠুন। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বললেন, ‘লোকে আমায় বলত ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কালো রং চলে না। এখানে কী করছ? ফিরে যাও। যখন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতাম আমায় কালিয়া বলে ডাকত। ভাবতাম কী করব? গায়ের রং তো আর পাল্টাতে পারব না। নিজেকে বুঝিয়েছি, নাচতে জানি। পা দিয়ে এমন নাচ দেখাব লোকে আমার গায়ের রং না দেখে পায়ের দিকে তাকিয়ে থাকবে। পা থামতে দেয়নি। গায়ের রং বেমালুম ভুলে গেল মানুষ। আমি হয়ে গেলাম তাদের কাছে সেক্সি, ডাস্কি বাঙালিবাবু।’

একসময় তাঁর এই নাচকেই প্রত্যাখ্যান করেছিল বলিউড। আজ সেই ডিস্কো ডান্সারের তালেই পা মেলায় গোটা বিশ্ব। কান্না ভেজা চোখে মিঠুন বললেন, ‘অনেক কষ্ট করেছি। তাই হয়তো ভগবান সুদ সমেত সবটা ফিরিয়ে দিলেন।’ আগামী প্রজন্মের উদ্দেশে মহাগুরুর বার্তা, টাকা পয়সা না থাকলেও সাহস হারাতে দেওয়া যাবে না। নিজে ঘুমালেও যেন স্বপ্ন জেগে থাকে। বললেন, ‘আমি যদি মিঠুন চক্রবর্তী হতে তোমারও পারবে।’

বাঙালি তথা দেশ জানে, মিঠুন চক্রবর্তী একজনই। কলকাতার তস্য গলি থেকে উঠে আসা বাংলার প্রথম ‘দাদা’ বারবার বুঝিয়ে দিয়েছেন বাঙালি পারে।


```