
শেষ আপডেট: 19 August 2022 14:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মিস ইন্ডিয়ার (Miss India) মঞ্চে সেরার শিরোপা এদেশের যে কোনও মডেলের আজীবনের স্বপ্ন। শুধু তো বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়, এই মঞ্চে মডেলদের দৃপ্ততা, স্মার্টনেস, তাৎক্ষণিক বাকপটুতা, সবটাই আতস কাঁচের নীচে ধরা হয়। একের পর এক শ্রেষ্ঠত্বের গণ্ডি পেরিয়ে মিস ইন্ডিয়ার মুকুট ওঠে মডেলের মাথায়।
সাতচল্লিশের সেই স্বাধীনতার পর থেকেই শুরু হয়েছিল মিস ইন্ডিয়া কনটেস্ট। এই সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতায় প্রতিবছর অনেক ভারতীয় নারী অংশগ্রহণ করেন, নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের মঞ্চ হিসেবে তাঁরা বেছে নেন ‘মিস ইন্ডিয়া’কে (Indian Beauty)।
‘মিস ইন্ডিয়া’র মুকুট পরে কেউ কেউ এগিয়ে নিয়ে যান তাঁদের ঝকঝকে কেরিয়ার গ্রাফ। মডেলিং (Modelling), অভিনয়ের চাকচিক্যে ভরে ওঠে তাঁদের জীবন। কেউ আবার গ্ল্যামার দুনিয়ার সাময়িক ঝড় তুলে হারিয়ে যান বিস্মৃতির অতলে। আজকের প্রতিবেদনে রইল দেশের সমস্ত ‘মিস ইন্ডিয়া’র হদিশ।

২০২২ সালের ‘মিস ইন্ডিয়া’ কনটেস্ট জিতেছেন সিনি শেট্টি। জুলাইয়েই তাঁর মাথায় উঠেছে সেরার মুকুট। ২১ বছর বয়সি এই তরুণী প্রফেশনাল মডেল। পাশাপাশি অ্যাকাউন্টিং আর ফাইন্যান্সে গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রিও রয়েছে।

মনসা বারাণসী ২০২০ সালে ‘মিস ইন্ডিয়া’ খেতাব জেতেন। তার পরের বছর প্রতিযোগীরা কোভিড পজিটিভ হন, তাই ২০২১ সালের প্রতিযোগিতা বাতিল করে দিতে হয়। ‘মিস ইন্ডিয়া’ জয়ের পর মনসা বারাণসী এখন ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক সেই মঞ্চে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। রয়েছেন টপ ১৩-তে।

২৫ বছর বয়সি এই তরুণী ২০১৯ সালে মিস ইন্ডিয়া হয়েছিলেন। কম্পিউটার সায়েন্সে ডিগ্রি রয়েছে তাঁর। হায়দরাবাদের একটি কোম্পানিতে ফাইন্যান্সিয়াল ইনফরমেশন এক্সচেঞ্জ অ্যানালিস্ট হিসেবে কাজ করেন তিনি। সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘ইশক পৌদিয়ান’ নামের নতুন গানে দেখা গেছে সুমন রাওকে। খুব শিগগিরই সুমন বলিউডেও ডেবিউ করবেন বলে খবর।

তামিলনাড়ুর অনুকৃতি ২০১৮ সালে ‘মিস ইন্ডিয়া’র খেতাব জেতেন। বর্তমানে তাঁকে জনপ্রিয় নানা বিজ্ঞাপনে দেখা যায়। বিনোদন দুনিয়ায় পরিচিত মুখ তিনি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। খুব শিগগিরই তামিল ছবিতে অনুকৃতিকে দেখা যাবে।

২০১৭ সালে ‘মিস ইন্ডিয়া’র মুকুট ওঠে হরিয়ানার মানুষী চিল্লারের মাথায়। এই প্রতিযোগিতায় যখন তিনি অংশ নেন, তখন তিনি এমবিবিএস করছেন। ২০১৭ সালের ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ ও হয়েছেন মানুষী। তাঁর হাত ধরেই ১৭ বছর পর এই খেতাব ভারতে আসে। সম্প্রতি ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ ছবির হাত ধরে অক্ষয় কুমারের বিপরীতে বলিউড ডেবিউ করেছেন মানুষী।
২০১৬ সালে ভারতসেরার শিরোপা ওঠে এই বঙ্গকন্যের মাথায়। ওই বছরই ‘মিস ওয়ার্ল্ড’-এও দেখা গিয়েছিল প্রিয়দর্শিনী চট্টোপাধ্যায়কে। পূর্বভারত থেকে প্রিয়দর্শিনীই প্রথম যিনি ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। তার আগে জনপ্রিয় বাংলা ধারাবাহিক ‘জলনূপুর’-এ অভিনয় করেছেন প্রিয়দর্শিনী। আপাতত মডেলিংইয়েই ফোকাস করেছেন তিনি, অভিনয় জগত থেকে কিছুটা দূরে রয়েছেন।

২০১৫ সালে ‘মিস ইন্ডিয়া’ জেতার পর ‘মিস ওয়ার্ল্ড’-এও অংশ নিয়েছিলেন অদিতি আর্য। সম্প্রতি তাঁকে ‘৮৩’ ছবিতে মোহিন্দর অমরনাথের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা গেছে। মডেলিং এবং অভিনয়ের পাশাপাশি অদিতি হাভার্ড বিজনেস স্কুলে বিজনেসের ডিগ্রির জন্য পড়ছেন।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে গ্ল্যামার দুনিয়ায় প্রচারের আলো পড়েছিল কোয়েল রানার উপর। ২১ বছর বয়সে তিনি পরেন ‘মিস ইন্ডিয়া’র মুকুট। ওই বছর ‘মিস ওয়ার্ল্ড’-এও অংশ নিয়েছিলেন কোয়েল। হানি সিংয়ের ‘ব্লু আইজ’ গানটিতে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। কোভিড অতিমহামারীর সময় দিল্লির এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। আপাতত গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে দূরে রয়েছে।

নভনীত কৌর ঢিলোন ২০১৩ সালে ‘মিস ইন্ডিয়া’র খেতাব জেতেন। পাঞ্জাবি সিনেমা ‘আম্বারসারিয়া’তে অভিনয় করেছিলেন তিনি। বর্তমানে ‘পনডস’ বিউটি প্রোডাক্টের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার তিনি। এছাড়া চণ্ডীগড়ে যোগা ক্লাসও নেন নভনীত।

২০১২ সালের ‘মিস ইন্ডিয়া’ ভানিয়া মিশ্র। আইআইএম ডিগ্রি রয়েছে তাঁর। বলিউড কিংবা হিন্দি সিরিয়ালের প্রচুর অফার ফিরিয়ে দিয়েছেন ভানিয়া। আইটি সেক্টরে এন্টারপ্রেনর হিসেবে নিজের কেরিয়ার এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

২০১১ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জয়ের আগে থেকেই কনিষ্ঠা ধনকড় পরিচিত মুখ। ২০০৮ সালে ‘ফ্যাশন’ ছবিতে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, কঙ্গনা রানাউতদের সঙ্গে দেখা যায় তাঁকেও। বেশ কিছু বিজ্ঞাপনেও তাঁকে দেখা গেছে।

২০১০ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জেতেন মানাসভি মামগাই। পরে তিনি নিজের নাম থেকে পদবী ছেঁটে ফেলেন। মুম্বইতে অনুপম খেরের অ্যাক্টিং অ্যাকাডেমিতে অভিনয় শেখেন তিনি। গুটিকয়েক বলিউড ছবিতে মানাসভিকে দেখা গেছে।

২০০৯ সালের ‘মিস ইন্ডিয়া’ পূজা চোপড়া। বর্তমানে তিনি একটি এনজিওর সঙ্গে যুক্ত। মহিলাদের দারিদ্র্য, পরিবেশ দূষণের বিরুদ্ধে কাজ করে তাঁর সংস্থা।

মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জেতার পর ওই বছরেই মিস ওয়ার্ল্ডে ফার্স্ট রানার আপ হন পার্বতী। বর্তমানে ফুট টাইম শেফের কাজ করেন তিনি।

২০০৭ সালে সারা জেন দিয়াস মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জেতেন। ‘নেভার কিস ইওর বেস্ট ফ্রেন্ড ২’ নামের ওয়েব সিরিজে সারাকে দেখা গেছে।

২০০৬ সালে মিস ইন্ডিয়া হওয়ার পর মিস ইউনিভার্সের প্রতিযোগিতাতেও অংশগ্রহণ করেছিলেন নেহা কাপুর। ব্রিটিশ অভিনেতা কুণাল নায়ারকে বিয়ে করেন তিনি। বর্তমানে গ্ল্যামার জগত থেকে দূরেই রয়েছেন নেহা।

২০০৫ সালের মিস ইন্ডিয়া জয়ী অমৃতা থাপার সলমন খানের প্রয়াত আত্মীয় আবদুল্লাহ খানের বিজনেস পার্টনার ছিলেন। অমৃতাকে আজকাল আর দেখা যায় না। গ্ল্যামার দুনিয়ায় সাময়িক ঝড় তুলে হারিয়ে গেছেন তিনিও।

বিনোদন জগতে পরিচিত মুখ তনুশ্রী। মাত্র ২০ বছর বয়সে তিনি মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জেতেন। ওই বছরেই মিস ইউনিভার্সের মঞ্চেও দেখা গিয়েছিল এই বাঙালি তরুণীকে। বলিউডে বেশ কিছু কাজ করেছেন তিনি।
বিউটি কুইন নিকিতা ২০০৩ সালে মিস ইন্ডিয়ার তকমা জেতেন। তারপর অনেক সিনেমা এবং সিরিয়ালে তাঁকে দেখা গেছে।

২০০২ সালে যখন মিস ইন্ডিয়ার মুকুট উঠল নেহা ধুপিয়ার মাথায়, তখন তাঁকে প্রায় কেউই চিনতেন না। তারপর বলিউডের গ্ল্যামার দুনিয়ায় তাঁর স্বপ্নের উত্থান ঘটে। আজ তাঁকে একডাকে সকলে চেনেন। বিশাও তাঁর ফ্যান ফলোয়িং। একাধিক বলিউড ছবিতে নেহা ধুপিয়ার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে।

২০০১ সালে সেলিনা জেটলি মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জেতেন। তারপর মিস ইউনিভার্সের মঞ্চেও ফোর্থ রানার্স আপ হিসেবে শেষ করেন তিনি। বর্তমানে এলজিবিটিকিউ কমিউনিটির হয়ে সমকামী এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের অধিকারের দাবিতে কাজ করেন তিনি।

২০০০ সালে লারা দত্ত মিস ইন্ডিয়ার শিরোপা লাভ করেন। সুস্মিতা সেনের পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে মিস ইউনিভার্সের মুকুট ওঠে তাঁর মাথায়। বলিউডে অভিনেত্রী হিসেবেও জনপ্রিয়তা লাভ করেন লারা।

১৯৯৯ সালে যুক্তা মুখী মিস ইন্ডিয়ার পাশাপাশি মিস ওয়ার্ল্ডের খেতাবও জেতেন। বেশ কিছু হিন্দু আর তামিল ছবিতে তাঁকে অভিনয় করতে দেখা গেছে।

১৯৯৮ সালের মিস ইন্ডিয়া লিমারাইনা ডিসুজা। সাইকোলজিতে ডিগ্রি রয়েছে তাঁর। সেই ক্ষেত্রেই কেরিয়ার এগিয়েছেন।

১৯৯৭ সালে মিস ইন্ডিয়া হয়েছিলেন নাফিসা। সে বছর মায়ামি বিচে মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার ফাইনালিস্ট তিনি। পেশায় তিনি ছিলেন মডেল, ভিডিও জকি। তাঁর মৃত্যু রহস্যে ঘেরা।
১৯৯৬ সালে মিস ইন্ডিয়া জেতেন সন্ধ্যা। বিয়ের পর তিনি আমেরিকা চলে যান। তারপর আর সেভাবে প্রচারে আসেননি।

মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জেতার পর ওমেগার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডার হয়েছিলেন মনপ্রীত। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সঞ্চালনার কাজও করেছেন। বর্তমানে টেলিভিশন দুনিয়া থেকে দূরে রয়েছেন তিনি, গুছিয়ে সংসার করছেন।

১৯৯৪ সালে মিস ইন্ডিয়ার মুকুট ওঠে সুস্মিতা সেনের মাথায়। বাঙালি মেয়ের এই ভারতজয় ইতিহাস লিখেছিল আন্তর্জাতিক মঞ্চেও। সুস্মিতাই প্রথম ভারতীয় যিনি মিস ইউনিভার্সের খেতাব জেতেন। বলিউডে সুস্মিতা সেনের জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। একাধিক সিনেমা এবং ওয়েব সিরিজে তাঁকে দেখা গেছে। সম্প্রতি ললিত মোদীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে চর্চার কেন্দ্রে রয়েছেন অভিনেত্রী।

বলিউডে অভিনেত্রী হিসেবে কেরিয়ার শুরু করলেও পরে মডেলিংয়ে তাক লাগিয়ে দেন নম্রতা। ১৯৯৩ সালে মিস ইন্ডিয়া হন তিনি। ৫০ বছর বয়সি নম্রতা এখন হায়দরাবাদে থাকেন। অভিনেতা মহেশ বাবুর স্ত্রী তিনি, রয়েছে দুই সন্তান।
মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জয়ের পর বলিউডে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান মধু। নেকেড ফটোশ্যুট, কনডমের বিজ্ঞাপনের জন্য হুহু করে বাড়ে তাঁর পরিচিতি। বর্তমানে গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে দূরে রয়েছেন।
১৯৯১ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন ক্রিস্টাবেল হোউই। মার্কেটিং এবং বিজ্ঞাপনের জগতে কেরিয়ার গড়েছেন তিনি। এখন থাকেন দুবাইতে।
১৯৮৯-৯০ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন সুজান সাবলোক। মিস ইউনিভার্সের মঞ্চেও দাগ কেটেছিলেন তিনি। পরে মডেলিং ছেড়ে অস্ট্রেলিয়ায় থিতু হন।
১৯৮৮ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন চণ্ডীগড়ের ডলি মিনহাস। হিন্দি বিনোদন জগতে ছোট আর বড়পর্দায় ডলি পরিচিত মুখ।

১৯৮৭ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন প্রিয়দর্শিনী প্রধান। একাধিক মিউজিক ভিডিও আর টেলিভিশন প্রোগ্রামে দেখা গেছে তাঁকে। বিজ্ঞাপনেও পরিচিত মুখ তিনি।
১৯৮৬ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন মেহের জেসিয়া। অভিনেতা অর্জুন রামপালের প্রাক্তন স্ত্রী তিনি। বর্তমাতে তিনি ফিল্ম প্রোডিউসার, ফ্যাশন ডিজাইনার এবং মডেল।

১৯৮৫ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন সোনু ওয়ালিয়া। বলিউডে তিনিও পরিচিত মুখ। একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। সাংবাদিকতা এবং মনোবিজ্ঞানে স্নাতক সোনু।
১৯৮৪ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন জুহি চাওলা। বলিউডে তিনি খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছন তাঁর অভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে। শাহরুখ খান থেকে শুরু করে আমির খান, তাবড় অভিনেতার বিপরীতে সুপারহিট ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। কলকাতা নাইট রাইডার্সের অর্ধেক মালিকানা জুহির। ‘শর্মাজি নামকিন’ ছবিতে শেষবার অভিনয় করতে দেখা গেছে তাঁকে।

১৯৮৩ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন রেখা হান্ডে। মার্কিন চিকিৎসকের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। আমেরিকায় সমাজকর্মী হিসেবে কাজ করেন তিনি।
১৯৮২ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন পামেলা সিং। আশির দশকে ব্রিটেনে এসকর্ট সার্ভিসের জন্য প্রচারের আলোয় ছিলেন পামেলা। সফট পর্ন ভিডিও-র মুখও ছিলেন তিনি। এখন গোয়াতে থাকেন।
১৯৮১ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন রচিতা কুমার। বর্তমানে বেঙ্গালুরুতে গৃহবধূ তিনি।
১৯৮০ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন সঙ্গীতা বিজলানি। ১৯৮৮-তে ‘কাতিল’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন সঙ্গীতা। ছোটপর্দায় এখনও অভিনয় চালিয়ে যাচ্ছেন ৬১ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী।

১৯৭৯ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন স্বরূপ সম্পৎ। টেলিভিশনের পর্দাতেও নাম করেন। বর্তমানে ছোটদের পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করেন স্বরূপ।
১৯৭৮ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন আলমজিৎ কৌর চৌহান। মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে তিনিই প্রথম ভারতীয় হিসেবে বিশেষ পুরস্কার জেতেন। বর্তমানে ব্রিটেনে থাকেন তিনি।
১৯৭৭ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন নলিনি বিশ্বনাথন। কিন্তু অদ্ভুত কারণে মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে হাঁটেননি নলিনি। সাঁতারের পোশাকে তাঁর হাঁটা পছন্দ করবেন না তাঁর বাবা, এই কারণে মিস ইউনিভার্সের মঞ্চ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি। এখন দিল্লিতে থাকেন।

১৯৭৬ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন নয়না বালসেভার। বলিউডের একাধিক ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। বিএসপি-র টিকিটে একসময় ভোটেও দাঁড়িয়েছিলেন নয়না। কিন্তু জিততে পারেননি। বর্তমানে গয়নার ডিজাইন তৈরি করেন।
১৯৭৫ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন মীনাক্ষী কুরপদ। কিন্তু তারপর থেকে প্রচারের আলোয় আর আসেননি তিনি।
১৯৭৪ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন শালিনী ভবনাথ ঢোলাকিয়া। বর্তমানে ক্যালিফোর্ণিয়ায় থাকেন তিনি। সে দেশে কোটিপতি হিসেবে পরিচিত।
১৯৭৩ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন ফারজানা হাবিব। মার্কিন আইনজীবীকে বিয়ে করে এখন সেদেশেই থিতু হয়েছেন তিনি।
১৯৭২ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন রূপা সত্যান। এয়ার হস্টেস এবং ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতেন রূপা। ২০১৭ সালে মারা যান।
১৯৭১ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন মহারাষ্ট্রের রাজ গিল। সেসময় মডেলিং দুনিয়ার তাঁর দাপট ছিল দেখার মতো।
১৯৭০ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন বীণা সজনানি। টেলিভিশনে বেশ কিছু কাজ করেছেন তিনি। ফ্যাশন ডিজাইনিংয়েও দেখা গেছে। বর্তমানে তাঁর খোঁজ নেই।
১৯৬৯ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন কবিতা ভামভানি। এখন তিনি জনপ্রিয় আর্ট কালেক্টর এবং ইনটেরিয়র ডেকরেটর।
১৯৬৮ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন অঞ্জুম মমতাজ বার্গ। বিয়ে করে পরে আমেরিকায় চলে যান তিনি। প্রচারের আলো থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ান।
১৯৬৭ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন নায়ারা মির্জা। মুসলিম পরিবারে জন্ম তাঁর, বিয়ের পর হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেন, আমেরিকায় চলে যান। এখন তাঁকে নলিনি প্যাটেল নামে সকলে চেনেন।
১৯৬৬ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন ইয়াসমিন দাজি। এখন আমেরিকায় থাকেন।
১৯৬৫ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন পারসিস খামবাত্তা। মডেলিংয়েই ফোকাস করেছিলেন তিনি। একাধিক বিজ্ঞাপনে দেখা গেছে তাঁকে। ১৯৯৮ সালে মাত্র ৪৯ বছর বয়সে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয় তাঁর।
১৯৬৪ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন মেহের ক্যাস্টেলিনো মিস্ত্রি। বর্তমানে ফ্যাশন সমালোচক হিসেবে পরিচিতি তৈরি হয়েছে তাঁর।

১৯৬২ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন ফেরিয়াল করিম। মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় ১১ নম্বরে শেষ করেছিলেন। প্রচারের আলো থেকে বহুদিন দূরে রয়েছেন।
১৯৬১ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন ভেরোনিকা লিওনারা টরকাটো। তবে এর পরেই তিনি মডেলিং ছেড়ে দেন।
১৯৬০ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন লোনা পিন্টো। ব্যাঙ্কে কাজ করতেন তিনি। ২০১২ সালে স্তন ক্যানসারে মারা যান।
১৯৫৯ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন ফ্লেউর এজেকিয়েল। তবে এই ভারতীয় মডেলকে নিয়ে পরবর্তীতে আর তেমন কিছু জানা যায়নি।

১৯৫৪ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন লীলা নাইডু। ২০০৯ সালে ৬৯ বছর বয়সে মুম্বইতে মৃত্যু হয় তাঁর।
১৯৫৩ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন পিস কানওয়াল। একসময় বলিউডে জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন তিনি। পরে অভিনয় ছেড়ে ডাক্তার হয়ে যান তিনি।
১৯৫২ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন ইন্দ্রাণী রহমান। পরে মায়ের সঙ্গে ব্যবসায় যোগ দেন। নৃত্যশিল্পী হিসেবেও জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। ১৯৬৯ সালে তিনি পদ্মশ্রী পান।
১৯৪৭ সালে মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জিতেছিলেন এসথার ভিক্টোরিয়া আব্রাহাম। প্রমিলা নামেও পরিচিত তিনি। ১৯৪৭ সালে যে বছর দেশ স্বাধীন হল সে বছরই প্রথম মিস ইন্ডিয়া কনটেস্ট হয়। তাতে প্রথম মিস ইন্ডিয়ার খেতাব জেতেন এসথার ভিক্টোরিয়া আব্রাহাম। তিনিই ছিলেন প্রথম মহিলা চলচ্চিত্র প্রযোজক। বিয়ের পর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন তিনি। ২০০৬ সালে তাঁর মৃত্যু হয়।
