ফেসবুক জুড়ে চলছে মমতা শঙ্করের মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক! কিন্তু এখন তো সাইবাবা প্রয়াত। তবুও বিভিন্ন শিষ্যের বাড়িতে দেখা মিলছে মধুর! যা সত্যি বাবার খেলা।
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স দিব্যেন্দু দাস
শেষ আপডেট: 8 September 2025 16:35
'তোমার ভক্তিটাই হচ্ছে পদ্ম, মনের পবিত্রতাই হচ্ছে তুলসী, চোখের জল হচ্ছে গঙ্গাজল'...
সাইবাবার পায়ে নিজেকে সমর্পণ করে দিয়েছেন পদ্মশ্রী মমতা শঙ্কর। তিনি বলেন 'পদ্মশ্রী বাবার পুরস্কার। আমি বাবার কুরিয়ারের কাজ করেছি মাত্র। 'পদ্মশ্রী' আমি বাবার পায়ে রেখে দিয়েছি।' সাইবাবার নানা অলৌকিক আশীর্বাদের সাক্ষী মমতা শঙ্কর। দ্য ওয়াল সাক্ষাৎকারে গল্প বলতে বসে এমনই সব অলৌকিক সত্যি ঘটনার কথা বললেন অভিনেত্রী নৃত্যশিল্পী।
সাইবাবার সৃষ্টি করা 'অমৃত' তাঁর প্রকৃত ভক্তরা দেখতে পান, চেখে বুঝতে পারেন এই মধু। কী ভাবে মমতার জীবনে ঘটেছিল সেই আশ্চর্য ঘটনা?
মমতা শঙ্কর বললেন 'একদিন দেখি আমার ঘরের আলমারির থেকে লম্বা হয়ে জলের ফোঁটার মতো কী পড়েছে! আমি ভাবলাম আলমারির ওপর থেকে কী পড়তে পারে! কারণ আলমারির ওপরে কিছু রাখা নেই। একটু ক্ষণ পর ফিরে এসে দেখছি আরও একটা ফোঁটা। আর ড্রপ গুলো না থিক্। ফোঁটাগুলো ঝরছে না। এসে জমে আছে। এবার আমি বাড়িতে সবাইকে জিজ্ঞেস করছি 'এই তোরা কি আলমারিতে তেল টেল কিছু ছিটিয়েছিস?'
ওরাও বলছে না।
কিছুক্ষণ পর দেখি আর একটা আলমারি দিয়ে মধু পড়ছে। আমরা একে অন্যকে বলছি ঐ দেখ মধু, ওদিকে মধু। বাবা যেন আমাদের সঙ্গে খেলছেন।
তখন আমি একটু মধু হাতে নিয়ে চেখে জিভে লাগিয়ে দেখলাম 'ওমা মিষ্টি'!

যখন আমার নাতি হবে, আমার ছোট বৌমার প্রেগনেন্সি রিপোর্টটা এসছে, আমি সেটা বাবার পায়ের কাছে রেখেছিলাম। যেদিন আমার ছোট বৌমার সাধ, সেদিন ঐ প্রেগনেন্সির রিপোর্টের চিঠিটা বার করেছি প্রণাম করব বলে, সেই খামের ওপর মোটা করে করে মধুর প্রলেপ পড়ে রয়েছে। আমরা তো সবাই অবাক! আমি ছোট বৌমার মুখে সেই মধু দিলাম। আমরা সবাই সেই মধু মুখে দিলাম। '
সাইবাবার সৃষ্টি করা মধুকে তাঁর ভক্তরা বলেন 'অমৃত'। একইভাবে তিনি ছাইয়ের মতো সৃষ্টি করেন যা বলা হত 'বিভূতি'। শুধুমাত্র মমতা শঙ্কর নয়, বহু সাইভক্তর জীবনে ঘটেছে এমন ঘটনা। সাইবাবার ছবির ওপর থেকে পড়ছে বিভূতি বা অমৃত পড়ছে ছবি থেকে। বারবার একই ঘটনা সারা পৃথিবীতে ঘটেছে সাইভক্তদের সঙ্গে। যা একদমই বাবার খেলা। আট নয়ের দশকে এগুলি নিয়ে তর্ক-বিতর্ক, নানা গবেষণা হলেও সে অর্থে কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখা খুঁজে পাওয়া যায়নি। বহু শিষ্য তাঁদের জীবনের ফাঁড়া কাটাতে সাইবাবার বিভূতি সঙ্গে রাখেন আজও। ফেসবুক জুড়ে চলছে মমতা শঙ্করের মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক! কিন্তু এখন তো সাইবাবা প্রয়াত। তবুও বিভিন্ন শিষ্যের বাড়িতে দেখা মিলছে মধুর! যা সত্যি বাবার খেলা।