দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাত্র সাত দিন আগেই সুখবর দিয়েছিলেন মাইনুল আহসান নোবেল। তৃতীয় স্ত্রী সালসবিলের সঙ্গে বিচ্ছেদের ছয় মাসের মাথাতেই ঘরে এনেছিলেন চতুর্থ স্ত্রীকে। ফারজানা আরশি নামে তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে গায়ক নিজেই জানিয়েছিলেন বিয়ের কথা। কিন্তু বিয়ের সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই বাপের বাড়ি চলে গেলেন আরশি। আর নোবেলকে রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে দিয়ে এলেন বাড়ির লোক।
বাংলাদেশের গায়ক নোবেলের উত্থান ঘটেছিল জি বাংলার সারেগামাপা নামের মিউজিক রিয়্যালিটি শো থেকে। তারপর দুই বাংলাতে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। তবে নোবেলের বিরুদ্ধে বার বার মাদকাসক্তির অভিযোগ উঠেছে। বস্তুত তৃতীয় স্ত্রী সালসাবিলের সঙ্গে বিচ্ছেদের কারনও সেটাই বলে জানা গিয়েছিল।
বাংলাদেশের কুড়িগ্রামে একটি কনসার্টে চূড়ান্ত মদ্যপ অবস্থায় মঞ্চে ওঠার অভিযোগ উঠেছিলেন গায়কের বিরুদ্ধে। এতটাই নেশাগ্রস্থ অবস্থায় ছিলেন তিনি যে ঠিক করে গানও গাইতে পারছিলেন না। বিরক্ত দর্শকরা জলের বোতল ছুড়ে মেরেছিল তাঁকে। সেই ঘটনার পরেই নোবেলের মাদকাসক্তি নিয়ে মুখ খোলেন সালসাবিল। বিচ্ছেদও হয়ে যায় দুজনের।
তার মাস ছয়েক পর খুলনার বাসিন্দা আরশিকে বিয়ে করেন নোবেল। যদিও সেই বিয়ে নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়েছিল। জানা গিয়েছিল, আরশি ফুড ভ্লগার নাদিম আহমেদের স্ত্রী। নাদিমের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ না করেই নোবেলের সঙ্গে আরশি গাঁটছড়া বেঁধেছেন বলে শোনা যাচ্ছিল। এমনকী, সালসাবিল জানিয়েছিলেন, এমনও হতে পারে যে নোবেল জোর করে তুলে নিয়ে গেছেন আরশিকে। তিনি একথাও জানিয়েছিলেন, নাদিম আহমেদ স্ত্রীকে ফিরে পেতে আগ্রহী। নোবেলের চতুর্থ বিয়ে কতদিন টেকে সে নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন সালসাবিল।
কার্যক্ষেত্র দেখা গেল সাত দিনও টিকল না গায়কের বিয়ে। আরশি নিজেই জানিয়েছেন তিনি খুলনায় বাপের বাড়িতে চলে গেছেন। অন্যদিকে মাদকাসক্তি থেকে মুক্ত করতে নোবেল কে ঢাকার একটি রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে ভর্তি করে দিয়েছেন বাড়ির লোক।