
শেষ আপডেট: 15 May 2022 10:41
কিন্তু স্বপ্নসুন্দরী মাধুরী (beautiful madhuri) নিজে কার কার প্রেমে পড়েছিলেন জানতে ইচ্ছে করে?
সুরেশ ওয়াদেকর ও মাধুরী।[/caption]
কে জানত সেই মেয়ের রূপেই পরে পাগল হবে আসমুদ্রহিমাচল!
এরপর সুনীল দত্তর ছেলে সঞ্জয় দত্তর গভীর দৃষ্টিতে ধরা দিয়েছিলেন মাধুরী (Madhuri Dixit)। একটা সময়ে সঞ্জয় দত্তও চেয়েছিলেন মাধুরীকে বিয়ে করতে ৷ কিন্তু সেই সময় সঞ্জয় বিবাহিত হওয়াতে দু'জনের বিয়েতে বাধা এসেছিল। তবে নাইন্টিজের বেশ কিছুটা সময় মাধুরীর আঁচলে বাঁধা পড়েছিলেন সঞ্জয়। একদিকে তাঁদের 'থানেদার', 'সজন', 'খলনায়ক' ইত্যাদি সুপারহিট ছবির সাফল্য অন্যদিকে মন বিনিময়, যা পর্দায় তাঁদের রসায়ন আরও প্রস্ফুটিত করত।
কিন্তু ইতিমধ্যে মাধুরী-সঞ্জয় তুমুল প্রেমে ছন্দপতন ঘটল। ১৯৯৩ সালে বেআইনি ভাবে বন্দুক রাখার অপরাধে টাডা-য় আটক হলেন সঞ্জয়। ও দিকে জেলে তিনি, এ দিকে পর্দা কাঁপিয়ে দিচ্ছে তাঁর 'খলনায়ক' আর সমাজ কাঁপিয়ে দিচ্ছে মাধুরীর কমলা ওড়নার 'চোলিকে পিছে কেয়া হ্যায়'।
সে সময়ে আবার সঞ্জয়ের প্রথম স্ত্রী রিচা শর্মার বোন মাধুরীকেই 'দুসরি অউরত' বলে কটুক্তি করেছিলেন। গুঞ্জন ছড়ায়, মাধুরীর জন্যই নাকি সঞ্জয়-রিচার সম্পর্কে দুরত্ব আসে। সঞ্জয় ভেবেছিলেন মাধুরী (Madhuri Dixit) তাঁর পাশে থাকবেন। কিন্তু বাস্তবেও খলনায়ক তকমা গায়ে লেগে যাওয়া প্রেমিকের সঙ্গে থাকলে কেরিয়ার থাকবে না, এই ভেবে জীবনের নায়ককে ছেঁটে ফেললেন মাধুরী।
মুম্বই হামলার সময় জেলে থাকাকালীন সঞ্জয় পুলিশের কাছ থেকে একটি ফোন কলের অনুমতি পেয়েছিলেন। সেই সময় তিনি মাধুরীকে ফোন করলে মাধুরীর মা ফোন ধরে বলেছিলেন, মাধুরী কোনও সম্পর্ক রাখতে চান না সঞ্জয়ের সঙ্গে। এই দৃশ্যটি সঞ্জয়ের বায়োপিক ‘সঞ্জু’-তেও দেখানো হয়েছিল। তবে সেখানে মাধুরীর নাম উল্লেখ ছিল না। এ প্রসঙ্গ বাদ দিতেও 'সঞ্জু'র পরিচালককে ফোনে জানান মাধুরী স্বয়ং।
সঞ্জয়ের সঙ্গে সম্পর্কের রেশ কাটিয়ে আবার সেই আর এক বিবাহিত নায়কের প্রেমেই পড়লেন মাধুরী। অনিল কাপুর। অনস্ক্রিন ও অফস্ক্রিন সবেতেই দর্শকদের পছন্দের তালিকায় ছিল মাধুরী দীক্ষিত-অনিল কাপুর জুটি। বি টাউনে একসময় চর্চার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছিল অনিল-মাধুরী সম্পর্ক। এমনকি প্রযোজকদের অনিল জোর করতেন মাধুরীকে তাঁর বিপরীতে নায়িকা করতে। এই কারণেই অনিল তাঁর নায়িকার রোল থেকে বাদ দেন ফারহাকে। ফারহা অনিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। কিন্তু ফারহাকেই বলিউডের বিস্মৃত নায়িকা হয়ে যেতে হয়। অনিলের প্রতিযোগী ছিলেন আশির দশকে অমিতাভ বচ্চন। অনিলের জন্য মাধুরী (Madhuri Dixit) সেসময় বলিউড শাহেনশা অমিতাভের সঙ্গেও বিভিন্ন ছবির অফার ফিরিয়ে দেন!
মাধুরী আবারও হয়ে উঠলেন অনিলের জীবনে 'দ্বিতীয় নারী'। অনিলের স্ত্রীর কানে বিষয়টি পৌঁছতে সময় নেয়নি। এমনকী একদিন শ্যুটিং সেটে আচমকাই বাচ্চাদের নিয়ে চলে আসেন অনিলের স্ত্রী সুনীতা কাপুর। অনিল তার স্ত্রী ও বাচ্চাদের দেখে তাঁদের সঙ্গে বেশ ভাল করে সময়ও কাটাচ্ছিলেন। আর তখনই সেখানে মাধুরী হাজির হন। মাধুরী লক্ষ্য করেছিলেন যে অনিল তার পরিবারের সঙ্গে কতটা সুখী।
সেদিন সুনীতা মাধুরীকে কিছুই বলেননি, কিন্তু সুনীতার দৃষ্টি পড়তে পেরেছিলেন মাধুরী। তারপর থেকেই মাধুরী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অনিল কাপুরের সঙ্গে ছবি করবেন না। জুটির ইতি এখানেই। মাধুরী কাজও কমিয়ে দেন অনিল কাপুরের সঙ্গে। দর্শকরাও বঞ্চিত হয় এমন জুটির রসায়ন থেকে।
মাধুরীর আরেক নায়ক ছিলেন জ্যাকি শ্রফ। 'হান্ড্রেড ডেইজ', 'খলনায়ক', 'লজ্জা' বা 'দেবদাস'-এর চন্দ্রমুখী-চুনিবাবুর জুটিতে মাধুরী-জ্যাকি চিরকালীন হিট জুটি। সেই জ্যাকির সঙ্গেও সম্পর্কে মাধুরীর নাম জড়ায়। মাধুরীকে জ্যাকির সঙ্গে ‘বর্দী’-ছবিতে সাহসী দৃশ্যে দেখা গিয়েছিল। মাধুরীর নামের জোয়ারে ফিল্ম হিট করলেও তাঁর ক্যামিও রোল দেখে ফ্যানেরা হতবাক হয়েছিলেন। অবাকও হয়েছিলেন তাঁর সাহসী দৃশ্যেও।
[caption id="attachment_2381219" align="alignnone" width="820"]
জ্যাকি মাধুরী 'বর্দী' ছবিতে।[/caption]
আসলে ছবিটি যখন মাধুরী করতে রাজি হন তখন মাধুরী (Madhuri Dixit) ছিলেন ফ্লপ নায়িকা। জ্যাকি শ্রফের সঙ্গে সাহসী দৃশ্য করেই বলিউডে মাটি পেতে চেয়েছিলেন মাধুরী। কিন্তু ডামাডোলে ছবি রিলিজ আটকে ছিল। ইতিমধ্যে ‘তেজাব’-এর সাফল্যর পর পরই ‘রাম লক্ষ্মণ’ রিলিজ করে। মাধুরীর জনপ্রিয়তা হয়ে ওঠে আকাশ ছোঁয়া। সেই সময়ই ‘বর্দী’র প্রযোজক তড়িঘড়ি ফিল্ম রিলিজ করেন। যদিও জ্যাকি-মাধুরী অন্তরঙ্গ দৃশ্য এতটাই সাহসী ছিল, যে সেন্সর বোর্ড সেই দৃশ্যের অনেকটা কেটে দেয়। ফলত মাধুরীর রোলটা একেবারেই ক্যামিও রোল হয়ে দাড়ায়। জ্যাকি-মাধুরী সম্পর্কের গুঞ্জন বাস্তবেও রটেছিল। তবে বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।
মিঠুন-শ্রীদেবী লাভস্টোরি বিখ্যাত হলেও মিঠুন একসময় প্রেমে পড়েছিলেন মাধুরী দীক্ষিতের (Madhuri Dixit)। এমনকি অনিল কাপুরের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাবার পর মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে ডেটেও যেতেন মাধুরী। মিঠুনের সঙ্গে খুব বেশি ছবি করেননি মাধুরী কিন্তু আজও অমর মাধুরী-মিঠুনের সেই গান 'প্যায়ার কভি কম নেহি করনা'।
https://youtu.be/9_loqqcuWrA
একসময় তো বাস্তবেও 'প্রেম প্রতিজ্ঞা'-য় অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছিলেন মাধুরী-মিঠুন। কিন্তু সেখানেও বিবাহিত মিঠুনের সঙ্গে বেশি দিন স্থায়ী হয়নি মাধুরীর গোপন সম্পর্ক।
মাধুরী-সলমন জুটি চিরকালই সবার প্রিয়। 'সজন' থেকে 'হাম আপকে হ্যায় কৌন' সলমনের চোখে যেন মিলেমিশে গেছিল মাধুরীর হাসি। নিশা-প্রেম জুটি তখন সবার ঘরেঘরে চর্চায়। মাধুরী-সলমন দুজনের জীবনেই আইকনিক হিট 'হাম আপকে হ্যায় কৌন'। আর এই ছবির শ্যুটিংয়েই পূর্ণতা পেয়েছিল ওঁদের অন্তরঙ্গতা। রিল পর্দার প্রেম যেন মিশে যাচ্ছিল রিয়েল লাইফে। দর্শকদের আকুল প্রার্থনা ছিল মাধুরী বিয়ে করুক সলমনকে। তা হয়নি। আজও সলমন অকৃতদার। দুজনের সম্পর্ক আর বিয়েতে পূর্ণতা পায়নি। ভিন্ন ধর্ম কি মাধুরীর (Madhuri Dixit) পরিবারে বাধার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল? জানা যায়নি বিশদে।
মাধুরী-গোবিন্দাও চারটি ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। ডান্স নাম্বার দৃশ্যে মাধুরী আর গোবিন্দা দুজনেই ছিলেন তুখোড়। কিন্তু একসময় গোবিন্দার বিপরীতে ছবি মাধুরী প্রত্যাখান করেন যাতে রীতিমতো অপমানিত হন গোবিন্দা। মাধুরীর থেকে এ ধরনের ব্যবহার আশা করেননি গোবিন্দা। তিনি সিদ্ধান্ত নেন মাধুরীর সঙ্গে পরে কোনও ছবির অফার এলেও নেবেন না।
কিন্তু কেন গোবিন্দার সঙ্গে ছবির অফার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মাধুরী, কোনও তিক্ত অভিজ্ঞতা কি ঘটেছিল দুজনের মধ্যে! তখন নানা রটনাই রটেছিল দুজনের সম্পর্ক নিয়ে। 'বড়ে মিঞা ছোটে মিঞা' ছবিতে গোবিন্দা-মাধুরী-অমিতাভের ডান্স নাম্বারের আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের পরও মাধুরী আর ছবি করতে রাজি হন না গোবিন্দার সঙ্গে। দুজনের অভিনয় কেমিস্ট্রি অবশ্য ফ্লপ ছিল, তাই বাকি ছবিগুলিও ফ্লপ করে। সেজন্যই কি মাধুরী ফিরিয়ে দেন পরবর্তী অফার! চাপা গুঞ্জন যদিও তখন আলাদা কথা বলেছিল।
ক্রিকেট দুনিয়ার সঙ্গে ফিল্ম দুনিয়ার প্রেম যুগে যুগে ঘটেছে। মাধুরীও (Madhuri Dixit) প্রেমে পড়েছিলেন এক বিখ্যাত সুদর্শন ক্রিকেটারের অজয় জাদেজার। সেইসময় মেয়েরা ক্রিকেট দেখতে বসত অজয় জাদেজাকে দেখবে বলে। অজয়ের মহিলা ফ্যান ছিল অগুন্তি। আর সেই ফ্যানেদের মধ্যেই যদি থাকেন বলিউড কুইন মাধুরী দীক্ষিত, তাহলে কি অজয় তাঁকে মন না দিয়েই পারেন! এক পার্টিতে অজয়ের মন বাঁধা পড়েছিল মাধুরীর ভুবনভোলানো হাসিতে। কেরিয়ারের সেরা ফর্মে থাকার সময় অজয়ের সঙ্গে জড়িয়েছিল মাধুরী দীক্ষিতের নাম। একটি পত্রিকার ফোটোশ্যুট ঘিরে দু’জনের প্রেমের গুঞ্জন গুঞ্জরিত হয়।
এমনকি জাদেজার অনুরোধে মাধুরী হিন্দি ছবিতে তাঁর অভিনয়েরও ব্যবস্থা করে দেন। মাধুরী-জাদেজা জুটি নিয়ে ছবি হওয়ারও কথা ছিল। কিন্তু সে সময় হঠাৎই জাদেজার ব্যাটে রানের খরা দেখা দেয়। কেরিয়ারের ব্যাডপ্যাচের মধ্যে জাদেজা আর বলিউড অভিযানে রাজি হননি। সে শখ অবশ্য পরে পূর্ণ করে নিয়েছিলেন তিনি। ২০০৩ সালে ‘খেল’ ছবিতে জাদেজা অভিনয় করেন সুনীল শেট্টি এবং সানি দেওলের সঙ্গে।
শোনা যায়, জাদেজার পরিবার মাধুরীকে মেনে নেননি। সিনেমার নায়িকার সঙ্গে ছেলের সম্পর্ক নিয়ে আপত্তি ছিল তাঁদের। জাদেজা ছিলেন রাজস্থানের এক রাজার বংশধর। নওয়ানগরের রাজবংশ। রাজকীয়তা উপচে পড়ত জাদেজার চলাফেরায়। এমন এলিট পরিবার কখনই বউ হিসেবে মেনে নেয়নি মাধুরীকে। মাধুরী যত বড়ই স্টার হন, তাঁকে অপমানিত কম হতে হয়নি এই সম্পর্কে। জাদেজার ক্রিকেট জীবনও সংক্ষিপ্ত হয়ে যায় নিষেধাজ্ঞার কোপে। ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগে অভিযুক্ত ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে জাদেজা ছিলেন অন্যতম। ৫ বছরের জন্য তিনি নির্বাসিত হন সব ধরনের ক্রিকেট থেকে।
ঠিক যে কারণে সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে মাধুরীর (Madhuri Dixit) সম্পর্কচ্ছেদ হয় জাদেজা বিতর্কে জড়ালে মাধুরী ফের ইতি টানেন জাদেজার সঙ্গে। ২০০১ সালের ৩০ মার্চ জাদেজা বিয়ে করেন রাজনৈতিক জয়া জেটলির মেয়ে অদিতি জেটলিকে।
নায়িকারা বোধহয় সেখানেই থিতু হন যেখানে তাঁর স্টারডম বিড়ম্বনার কারণ হয় না। ঠিক যেমন মাধুরীকে স্টার বলে চিনতেন না তাঁর বর্তমান স্বামী শ্রীরাম নেনে। জানা যায়, মিস্টার নেনের বলিউড সম্পর্কে তেমন কোনও ধারণাই ছিল না। আমেরিকায় কর্মরত দন্ত চিকিৎসক ডাঃ শ্রীরাম নেনে তাঁর স্ত্রীর জনপ্রিয়তা সম্পর্কে প্রথম টের পান তাঁদের বিয়ের রিপেশন পার্টিতে। যদিও একাধিক হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিদের মধ্যে কেবল অমিতাভ বচ্চনকেই চিনতে পেরেছিলেন মাধুরীর স্বামী।
১৯৯৯ সালের ১৭ই অক্টোবর বিয়ে হয় মাধুরী-শ্রীরাম নেনের। মাধুরী দীক্ষিত হন মাধুরী দীক্ষিত নেনে। সেদিন বিশ্বের হাজার হাজার মাধুরী ভক্তদের হৃদয় ভেঙেছিল মাধুরীর বিয়ে হয়ে যাওয়ায়। বিয়ের পর উজ্জ্বল ফিল্মি কেরিয়ারে ইতি টেনে বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে আমেরিকা পাড়ি দেন মাধুরী। তার পরে কয়েক বছর ব্রেক নিয়ে দেবদাস (২০০২) ছবিতে অভিনয় করেন মাধুরী। তারও পরে পাঁচ বছরের দীর্ঘ বিরতি। ফের 'আজা নাচলে' ছবি দিয়ে বলিউডে ফেরেন মাধুরী।
অনেক সম্পর্ক বারবার ভাঙলেও, এই বিয়ে ভাঙেননি মাধুরী। একসঙ্গে পার করে ফেলেছেন তাঁরা বাইশটি বসন্ত।
মাধুরীর কথায়, ‘হয়তো আমার জনপ্রিয়তা আমার সম্পর্কে বাধা হয়ে উঠত, যদি আমি এদেশের কাউকে বাছতাম জীবনসঙ্গী হিসাবে। মিস্টার নেনে-র আমাকে নিয়ে কোনও ধারণা ছিল না। আমি আর আমার শাশুড়ি মা বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছিলাম আমার জনপ্রিয় ছবিগুলো বরকে দেখাতে। কিন্তু ওর সেই নিয়ে কোনও আগ্রহ ছিল না। বলত চলো না অন্য কিছু করি, বাইরে যাই..খেতে যাই।'
২২ বছর ধরে সুখী দাম্পত্যের সঙ্গী তারাঁ আজ। মাধুরীর (Madhuri Dixit) আগের জীবনের কোনও রেশ পড়েনি তাঁর বৈবাহিক জীবনে। মাধুরীর সঙ্গে সব বলিউড পার্টিতেও দেখা যায় শ্রীরাম নেনেকে। তিনি খুবই স্বছন্দ থাকেন মাধুরীর নায়ক সলমন খান বা অনিল কাপুরদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে।
তাঁদের সুখী দাম্পত্য জীবনের চাবিকাঠিটা কী? ‘আমরা কোনওদিনও একে অপরকে বদলানোর চেষ্টা করিনি। যেটা বিয়ের পর অনেকেই একে অপরকে করে থাকে। ভাল-মন্দ সবটা মিলিয়েই আমি ওকে ভালবাসি। আমারও দোষ-গুণ সবকিছুই ও মেনে নিয়েছে’-- বলছিলেন মাধুরী।
প্রেমের কোনও বয়স নেই, পুজোয় অন্তরঙ্গ লাঞ্চ-ডেটে দোলন-দীপঙ্কর