দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'সংসার সুখী হয় রমণীর গুণে', এটা শুনে শুনেই অর্ধেকের বেশি মেয়ে বড় হয় ছোটবেলা থেকে। মেয়ে মানেই গৃহকন্যা করবে, গান শিখবে, সেলাই করবে। একুশ শতকেও এসে এই ধারণা মোটেও বদলায়নি।
এবার সেই ধারণায় বদল আনতে অভিনব প্রয়াস দেখা গেল স্টার জলসায়। শুক্লা পঞ্চমীর দিন বাগদেবীর আরাধনাকে সার্থক করে তুলতেন চ্যানেলের এই নতুন আহ্বান। 'দিন বদলের হাতেখড়ি' শুরু হয় সরস্বতী পুজোর দিনে। চ্যানেলের পোস্ট করা দুটো ভিডিও এই যুগ যুগ ধরে চলা নিয়মের বেড়াজালকে ভেঙেছে।
কী আছে সেই ভিডিওতে যা নাড়িয়ে দিচ্ছে সমাজের গোঁড়ামিকে? প্রথম ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি খেলোয়াড় মেয়েকে। পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে সমান উৎসাহে ফুটবল খেলতে আগ্রহী পাড়ার সেই মেয়েটিও। কিন্তু সমাজের নিয়ম দেখিয়ে তার খেলাতে বাদ সেধেছেন তার নিজের বাবা। নিজে সেতার হাতে নিয়ে মেয়েকে জোর করে বসিয়ে দিয়েছেন হারমোনিয়ামের সামনে। এ দিকে, কিশোরীর মন পড়ে আছে মাঠে, ফুটবলের কাছে। যদিও শেষমেশ রক্ষা করলেন মা, মেয়ের ইচ্ছেকে দিলেন দাম। মেয়েকে ঠেলে নামালেন খেলার মাঠে। বাবা অবাক হয়ে দেখলেন, হারমোনিয়ামে গলাসাধা মেয়ের সেই দারুণ ড্রিবলিং।
দ্বিতীয় ভিডিওতে আবার দেখা যাবে, শাশুড়ির মা হয়ে ওঠার গল্প। ভিডিও দু’টিতে দর্শকদের মুখোমুখি হচ্ছেন ‘মোহর’ ওরফে সোনামণি সাহা এবং ‘ভাগ্যশ্রী’ ওরফে শার্লি মোদক। তাঁরাই বসন্ত পঞ্চমীতে এগিয়ে এসেছেন দিন বদলের ডাক দিয়ে। সেই ভিডিয়োরই স্লোগান এ বার, ''ছেলে হলে ফুটবল, মেয়ে হলে গান? মেয়ে আর বৌমা হোক সমান সমান...!''