
শেষ আপডেট: 22 September 2023 10:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাত্র ৩ দিন আগে চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারই গণেশ চতুর্থীতে মেতে উঠেছিল সারা দেশ। অন্যান্য শহরের মতো কলকাতাতেও এবছর দেখা গেল পাড়ায় পাড়ায় প্যান্ডেলে বিশ্বকর্মার পাশেই বসে রয়েছেন গণপতি। কলকাতায় যেমন দুর্গাপুজো ঠিক তেমন ভাবেই মহারাষ্ট্র তথা মুম্বইতে (Lalbaugcha raja) যে গণেশ চতুর্থী উৎসবের আকার নেয় এ-কথা অনেকেরই জানা। অন্যান্য শহরে মাত্র একদিন বা দু'দিন গণেশ পুজোর (Ganapati idol) রেশ থাকলেও মুম্বইতে এখনও শেষ হয়নি গণপতি উৎসব।
মুম্বইয়ের বহু বিখ্যাত গণেশ পুজোয় প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে দর্শনার্থীদের ঢল নামে। তবে তার মধ্যে অন্যতম পুরনো এবং বিখ্যাত সর্বজনীন পুজো হয় লালবাগ এলাকায় যা লালবাগচা রাজার গণেশ পুজো হিসেবে বিখ্যাত। প্রতি বছরই এই পুজো দেখতে যে ভীড় জমান শুধু সাধারণ মানুষ তা নয়, ঢল নামে সেলিব্রিটিদেরও। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলে উৎসবের রেশ। চলতি বছরেও সেই নিয়ম মেনেই মুম্বইতে এখনও পুরোদমে চলছে গণেশ পুজো।
শুক্রবার লালবাগচা রাজার গণেশ ঠাকুর দেখতে সপরিবারে উপস্থিত সানি লিয়ন (Sunny Leone)। স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবার এবং ৩ ছেলেমেয়েকে নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন অভিনেত্রী। মেরুন সালোয়ারে দেখা গেল সানিকে। মাথায় ওড়না দিয়ে ভক্তিভরে প্রণামও করলেন সানি। তবে সানিই নয়, বৃহস্পতিবার লালবাগচা রাজার গণেশ প্রতিমা দেখতে মণ্ডপে উপস্থিত হয়েছিলেন শাহরুখ খানও (Sharukh khan)। ছেলে আব্রাম এবং ম্যানেজার পুজা দাদলানির সঙ্গে মণ্ডপে উপস্থিত হয়েছিলেন কিং খান। গণপতি বাপ্পার আশীর্বাদ নিতে মঙ্গলবার গণেশ চতুর্থীর দিনই উপস্থিত হয়েছিলেন বরুণ ধাওয়ান, এষা দেওল সহ আরও অনেকে।
আসলে মুম্বইতে যত গণেশ পুজো হয় তার মধ্যে এই পুজো অন্যতম পুরনো। শতবর্ষের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে লালবাগচা রাজার গণপতি বাপ্পা। ২০২৩-এ ৯০ বছরে পা দিল মুম্বইয়ের এই পুজো। স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়, লালবাগচা রাজার গণপতি বাপ্পার কাছে যদি ভক্তিভরে কিছু চাওয়া যায় তবে নাকি অবশ্যই সেই সিদ্ধিলাভ হয় ভক্তের। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, লালবাগচা রাজার গণেশ জাগ্রত। এখানকার গণেশ প্রতিমা প্রায় ১৪ ফুট উঁচু হয়। বিশাল দর্শন এই সিদ্ধিদাতার দর্শন পেতে প্রায় ৮ ঘণ্টারও বেশি লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন দর্শনার্থীরা।
ইতিহাস বলছে ১৯৩৪ সালে প্রথমবার লালবাগচা রাজার গণেশ পুজো শুরু হয়। ১৯৩২ সালে লালবাগ অঞ্চলের একটি বিশাল তুলোর বাজার সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। একপ্রকার পথে বসেন ব্যবসায়ীরা। কোনও ভাবেই সেই ক্ষতি সামলে উঠতে পারছিলেন না তাঁরা। এরপরই ১৯৩৪ সালে চাঁদা তুলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা পুজো শুরু করেন। বিঘ্ননাশকের পুজোর পরই নাকি সত্যিই বিঘ্ন নাশ হয় ব্যবসায়ীদের। দোকান করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নতুন জায়গা দেওয়া হয় তাঁদের।
রাঘব-পরিণীতির পরিণয়ে ১২ লাখি রুম, ৫০টি গাড়ি! উদয়পুরে পাত্র-পাত্রী, উৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে