Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

‘তুঝে দেখা তো’ কি সত্যি ৩০ মিনিটে রেকর্ড করেছিলেন কুমার শানু, সুরকার ললিত বললেন ডাহা মিথ্যে কথা

ডিডিএলজে-র জনপ্রিয় গান ‘তুঝে দেখা তো’ নিয়ে বিতর্ক। কুমার শানু দাবি করেছিলেন মাত্র আধ ঘণ্টায় গানটি রেকর্ড করেন, কিন্তু সুরকার ললিত বললেন এটি সম্পূর্ণ মিথ্যে এবং অপেশাদার মন্তব্য।

 

‘তুঝে দেখা তো’ কি সত্যি ৩০ মিনিটে রেকর্ড করেছিলেন কুমার শানু, সুরকার ললিত বললেন ডাহা মিথ্যে কথা

'তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সনম'

অরণ্যা দত্ত

শেষ আপডেট: 13 September 2025 17:21

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউডের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ছবির নাম দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে (ডিডিএলজে)। শাহরুখ খান ও কাজলের রোমান্সে মোড়া এই ছবি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯৫ সালের ২০ অক্টোবর। অর্থাৎ আগামী মাসেই তিন দশক পূর্ণ হবে ডিডিএলজে-র। তার আগে ফিরে দেখা যাক, এই ছবি তথা নব্বইয়ের দশকে বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় গানটির দিকে—তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সনম...।

কিছুদিন আগে বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কুমার শানু দাবি করেছিলেন, তিনি মাত্র আধ ঘণ্টায় লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে এই গানটি রেকর্ড করেছিলেন। সেই দাবি প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। আরও বড় বিতর্ক বাঁধে যখন বিবিসির এশিয়ান নেটওয়ার্ক গানটিকে নব্বইয়ের দশকের শ্রেষ্ঠ গান ঘোষণা করে এবং কুমার শানুর সাক্ষাৎকার নেয়। সেখানে শানু একাধিকবার বলেন, “আমার গান, আমার গান”— অথচ সুরকার জুটি যতীন-ললিত, গীতিকার আনন্দ বক্সি কিংবা কিংবদন্তি গায়িকা লতা মঙ্গেশকর-এর নাম একবারও উল্লেখ করেননি।

এই প্রসঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে ললিত পণ্ডিত টাইমস নাওকে জানান, শানুর এই বক্তব্য একেবারেই ‘অপেশাদার ও অনৈতিক’। তাঁর মতে, কোনও গানকে নিজের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব দেওয়া মানে হল সুরকার, গীতিকার ও অন্য গায়কের অবদান অস্বীকার করা। ললিতের কথায়, “এটা যেন তাজমহল বানানো একজন রাজমিস্ত্রি হঠাৎ দাবি করছে যে তাজমহল তার নিজের সৃষ্টি।”

ললিত আরও বলেছেন, গানটি কখনওই শানুর একার ছিল না। এটি মূলত আনন্দ বক্সির লেখা, যতীন-ললিতের সুরারোপে তৈরি এবং লতা মঙ্গেশকরের অমূল্য কণ্ঠে সমৃদ্ধ।

সবচেয়ে বড় চাঞ্চল্য তৈরি করেছে শানুর ওই দাবি যে তিনি মাত্র ৩০ মিনিটে গানটি শেষ করেছিলেন। ললিতের ভাষায়, “এটা সম্পূর্ণ মিথ্যে। আমাদের কোনও গানই এত দ্রুত রেকর্ড হয়নি। শানুকেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে গান রেকর্ড করতে হয়েছে। তিনি কখনওই লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে একই দিনে এই গান গাইতে বসেননি।”

ললিত জানিয়েছেন, লতা মঙ্গেশকর সবসময় আলাদা দিনে রেকর্ডিং করতে চাইতেন এবং সেটি তাঁদের টিম মেনে চলত। তাই এই গানটিও লতা মঙ্গেশকর আলাদা দিনে রেকর্ড করেন।

ললিতের মতে, ডিডিএলজি-র সব গানেই লতা মঙ্গেশকরের কণ্ঠ-জাদু ছড়িয়ে রয়েছে। পরিচালক আদিত্য চোপড়া নিজেও স্বীকার করেছেন, ছবির গানে লতাজির অবদান অপরিসীম। নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে লতাজি সর্বাধিক গান গেয়েছিলেন যতীন-ললিতের জন্য, যার মধ্যে ডিডিএলজি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংকলন।

ললিত আরও ইঙ্গিত দেন যে, ডিডিএলজে-র পর আর কোনও ছবিতে যশরাজ ফিল্মস কুমার শানুকে গান গাওয়ার সুযোগ দেয়নি। তবে কেন এমন হয়েছিল সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু না জানালেও তিনি বলেন, সেই সময় যতীন-ললিতই শানুর কণ্ঠ ধরে রাখার জন্য লড়েছিলেন। তাঁর কথায়, “আমরা চাই না গায়কের অবদান খাটো হোক, কিন্তু তার মানে এই নয় যে গায়কই সবকিছু। গান তৈরির সঙ্গে যারা যুক্ত থাকেন, তাঁদের সকলকেই কৃতিত্ব দিতে হয়।”


```