
কুমার সানু ও শ্যানন
শেষ আপডেট: 12 April 2025 15:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনি বলিউডের প্রখ্যাত গায়ক কুমার শানুর (Kumar Sanu) কন্যা। গায়িকা-অভিনেত্রী শ্যানন কে (shannon k) এবার ইতিহাস গড়তে চলেছেন। ২০২৫ সালের কোচেল্লা ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করতে চলেছেন তিনি। সঙ্গে বলিউডের দুই জনপ্রিয় তারকা, দিলজিত দোসাঞ্জ ও এপি ঢিল্লন। শ্যানন (shannon k) হতে চলেছেন প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইন্ডি আর্টিস্ট, যিনি কোচেল্লার মঞ্চে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন! এই আন্তর্জাতিক মিউজিক ফেস্টিভ্যালটি অনুষ্ঠিত হবে ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্ডিও শহরের এম্পায়ার পোলো ক্লাবে—দুই সপ্তাহান্তে: এপ্রিল ১১-১৩ এবং এপ্রিল ১৮-২০, ২০২৫। প্রায় ১,২০,০০০ সঙ্গীতপ্রেমীর সমাগম ঘটবে আইকনিক উৎসবে।
শ্যাননের উচ্ছ্বাস—‘এটা শুধুমাত্র শুরু!’
কোচেল্লায় নিজের ডেবিউকে ঘিরে ভীষণ উত্তেজিত শ্যানন (shannon k)। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,‘প্রতিটি ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইন্ডি আর্টিস্টের স্বপ্ন থাকে এই মঞ্চে পারফর্ম করার। ভারতীয়রা ভীষণ প্রতিভাবান। ভারতীয় সঙ্গীত হোক তা ক্লাসিক্যাল, আরএনবি বা পপ— যথেষ্ট সমৃদ্ধ, কিন্তু এখনও যথাযথভাবে মূল্যায়ন পায় না। এটা কেবল শুরু, এবং আমি দারুণ এক্সসাইটেড!’
নিজের হিট গানের সঙ্গে থাকছে বাবার বেশ কয়েকটি বিখ্যাত গান
কোচেল্লার মঞ্চে শ্যাননের (shannon k) পারফরম্যান্স হবে এক দুর্দান্ত ফিউশন— তাঁর নিজস্ব ইন্ডি-পপের পাশাপাশি থাকছে বাবার, অর্থাৎ কুমার শানুর (Kumar Sanu) আইকনিক গানগুলোর ছোঁয়াও! তালিকায় রয়েছে তাঁর জনপ্রিয় গানগুলো, গিভ মি ইওর হ্যান্ড, এ লংটাইম, অলওয়েজ, রান, রিট্রেস, ওএমটি— এই গানটির জন্য তিনি পেয়েছেন সেরা ইন্টারন্যাশনাল সিঙ্গার অ্যাওয়ার্ডও।
শ্যানন সফর— সংগীত থেকে সিনেমা
২০০১ সালের ১৬ জুন জন্ম। শ্যানন (shannon k) লন্ডনের রয়্যাল অ্যাকাডেমি অফ মিউজিক-এ সঙ্গীত শিক্ষা নেন। অভিনয়ের তালিম নিয়েছেন আমেরিকার লী স্ট্র্যাসবার্গ থিয়েটার অ্যান্ড ফিল্ম ইন্সটিটিউট-এ। তিনি সঙ্গীত প্রযোজক কাইলি টাউনসেন্ড-এর সঙ্গে বুলিংয়ের বিরুদ্ধে একটি প্রজেক্টেও কাজ করেন। ২০১৮ সালে সোনু নিগম-এর সঙ্গে গাওয়া রোমান্টিক গান ‘ওএমটি’ ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অভিনেত্রী হিসেবেও আমেরিকান সিনেমা ‘দ্য বিগ ফিড’, টিভি সিরিজ ‘মিস্টিকাল ইনহেরিটেন্স অফ আদিনা হাসান’, শর্ট ফিল্ম ‘রোলিং’ এবং বলিউড ছবি ‘চল জিন্দেগি’-তে কাজ করেছেন।
ছোটবেলার স্মৃতি
এক সাক্ষাৎকারে তাঁর বাবার সঙ্গে শৈশবের মধুর এক স্মৃতি শেয়ার করেন (Shannon K)। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলায় বাবা প্রতিদিন পাশে না থাকায় একটা খালি জায়গা অনুভব করতাম। যখন আমি ১২, তখন তিনি এলেন— আবার এলেন যখন আমি ১৪! উনি বলতেন, ‘তুই এতো তাড়াতাড়ি বড় হলি কীভাবে?’ তবে আমাদের সম্পর্কটা খুব মজার এবং গভীর। প্রতিদিন ফোনে কথা হয়, আর যখন তিনি আমাদের সঙ্গে থাকেন, তখন পুরো পরিবার মিলে আউটিংয়ে যাই। গভীর বোঝাপড়া আর ভালোবাসার এক সম্পর্ক।’ শ্যাননের এই আন্তর্জাতিক সফর শুধুই তাঁর কাছে নয়, বরং ভারতীয় সঙ্গীত জগতের জন্য এক গর্বের মুহূর্ত! কোচেল্লা ২০২৫ তাঁর কেরিয়ারের এক মাইলস্টোন! হয়ে থেকে যাবে।