অনুষ্ঠান সেরে হোটেলে ফিরে যাওয়ার বদলে তাঁরা ঠিক করলেন, শৈলশহরের রাতটাকে কাছ থেকে ছুঁয়ে দেখবেন। তাই দল বেঁধে বেরিয়ে পড়লেন দার্জিলিংয়ের ম্যালে। চারপাশে পর্যটকের আনাগোনা কম, দোকানপাট প্রায় বন্ধ, শুধু রাস্তার আলো আর পাহাড়ি বাতাস। তাপমাত্রা তখন ছয়ের নিচে।
.jpg.webp)
শেষ আপডেট: 6 January 2026 13:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শৈলশহরের রাত মানেই নিস্তব্ধতা আর কনকনে ঠান্ডার দাপট। ঘড়ির কাঁটা যখন ধীরে ধীরে বারোটার দিকে এগোচ্ছে, তখন দার্জিলিংয়ের বাতাস যেন আরও ধারালো হয়ে উঠেছে। মাফলার গলায়, টুপি কানে, হাত পকেটে—তবু শরীরের ভিতর দিয়ে শিরশিরে শীত বয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ মানুষই ঘরের উষ্ণতায় আশ্রয় নেন। কিন্তু অঙ্কুশ হাজরা, ঐন্দ্রিলা সেন, শিলাজিৎ মজুমদারদের পরিকল্পনা ছিল একেবারেই অন্যরকম।
অনুষ্ঠান সেরে হোটেলে ফিরে যাওয়ার বদলে তাঁরা ঠিক করলেন, শৈলশহরের রাতটাকে কাছ থেকে ছুঁয়ে দেখবেন। তাই দল বেঁধে বেরিয়ে পড়লেন দার্জিলিংয়ের ম্যালে। চারপাশে পর্যটকের আনাগোনা কম, দোকানপাট প্রায় বন্ধ, শুধু রাস্তার আলো আর পাহাড়ি বাতাস। তাপমাত্রা তখন ছয়ের নিচে। তবু ক্লান্তি বা ঠান্ডার অভিযোগ নেই কারও মুখে। বরং যেন শীতের সঙ্গেই মজা করে লড়াই চালাচ্ছিলেন তাঁরা।
প্রসঙ্গত, আগামী ৯ জানুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে ছবি ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’। মুক্তির আগে চলছে জোরদার প্রচার। দিন কয়েক ধরে ডুয়ার্স ও উত্তরবঙ্গ সফরে রয়েছে ছবির টিম। শিলিগুড়িতে ভরপুর সাড়া পাওয়ার পর দার্জিলিংয়েও অনুষ্ঠান ঘিরে ছিল দর্শকদের উত্তেজনার পারদ ছিল তুঙ্গে। অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার প্রাণবন্ত উপস্থিতি আর শিলাজিৎ ও দুর্নিবার সাহার গানে জমে উঠেছিল গোটা পরিবেশ। ঠান্ডাকে তোয়াক্কা না করেই ভিড় করেছিলেন স্থানীয় মানুষ থেকে শুরু করে পর্যটকরাও।
অনুষ্ঠান শেষ হলেও যেন দিনের উত্তেজনা কাটছিল না। তাই রাতের ম্যালে হাঁটার সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেন শিলাজিৎ। কখনও নিজেকে মাফলারে মুড়ে ক্যামেরার সামনে হাসি, কখনও আবার সঙ্গীদের দিকে ঘুরিয়ে ঠান্ডা নিয়ে খুনসুটি। ঐন্দ্রিলা কখনও সুরে সুর মিলিয়ে কথা বলছেন, কখনও হাসিতে ফেটে পড়ছেন। অঙ্কুশের শরীর কাঁপছে ঠিকই, কিন্তু চোখেমুখে বিরক্তির ছিটেফোঁটাও নেই।
হিমশীতল দার্জিলিংয়ের মাঝরাতে সেই স্বতঃস্ফূর্ত হাঁটাচলাই যেন আলাদা করে নজর কেড়েছে অনুরাগীদের। ঝকঝকে আলো, পাহাড়ি নীরবতা আর বন্ধুত্বের সেই মিষ্টি মুহূর্তই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে সকলের হাতে হাতে। ঠান্ডার দাপটে দাঁতকপাটি লাগলেও, হাসি যেন থামে না। আর টিমের এই বন্ডিং-ই আরও একবার নজর কাড়ল সকলের।