শার্লি ও মৃত্যুঞ্জয়ের সম্পর্ক একসময় টেলিপাড়ার চর্চিত প্রেমকাহিনি ছিল। প্রায় পাঁচ বছরের সম্পর্ক। ভালবাসার গভীরতায় একে অপরের নাম হাতে খোদাই পর্যন্ত করেছিলেন দু’জন।

শেষ আপডেট: 17 December 2025 17:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সময়ের সঙ্গে সব সম্পর্কই বদলায়। অতীতের প্রেম, প্রতিশ্রুতি, হাতে খোদাই করা নাম—সবই একদিন স্মৃতির পাতায় ঠাঁই নেয়। শার্লি মোদকের জীবনে সেই অধ্যায় আগেই বন্ধ হয়েছে। অভিষেক বসুর সঙ্গে বিয়ের পর নতুন জীবনে পা রেখেছেন তিনি। আর এবার জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করলেন শার্লির প্রাক্তন প্রেমিক মৃত্যুঞ্জয় ভট্টাচার্য। ছাদনা তলায়, অগ্নিদেবতাকে সাক্ষী রেখে সাত পাক ঘুরে আজীবনের বন্ধনে বাঁধা পড়লেন মৃত্যুঞ্জয় ও চৈতালি।
শার্লি ও মৃত্যুঞ্জয়ের সম্পর্ক একসময় টেলিপাড়ার চর্চিত প্রেমকাহিনি ছিল। প্রায় পাঁচ বছরের সম্পর্ক। ভালবাসার গভীরতায় একে অপরের নাম হাতে খোদাই পর্যন্ত করেছিলেন দু’জন। আজীবন একসঙ্গে থাকার শপথও নিয়েছিলেন। কিন্তু সময় সব সমীকরণ বদলে দেয়। সেই সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর নিজেদের মতো করে এগিয়ে গিয়েছেন দু’জনেই।

অক্টোবর মাসেই আইনি বিয়ে সেরেছিলেন মৃত্যুঞ্জয় ও চৈতালি। এবার ঘটা করে সামাজিক বিয়ে। চৈতালি পেশায় সমাজমাধ্যম প্রভাবী। অন্যদিকে জলপাইগুড়ির ছেলে মৃত্যুঞ্জয় কাজ করেন একটি নামী সংস্থায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। তবে অভিনয়ই তাঁর আসল নেশা। ছোট পর্দায় ধীরে ধীরে নিজের জায়গা পাকা করছেন তিনি।
সম্প্রতি ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকে আর্য-অপর্ণার মাঝখানে তৃতীয় ব্যক্তি হিন্দোলের চরিত্রে দর্শকের নজর কেড়েছিলেন মৃত্যুঞ্জয়। চরিত্রটি নিয়ে প্রশংসাও কম হয়নি। পর্দায় অপর্ণা-হিন্দোলের বিয়ে ডিসেম্বরেই হওয়ার কথা ছিল। যদিও গল্পের মোড় ঘুরে সেই বিয়ে ভেস্তে যায়। বাস্তবে কিন্তু ডিসেম্বরেই কথা রাখলেন অভিনেতা।

সাবেকি বাঙালি সাজেই ধরা দিলেন নবদম্পতি। কনে চৈতালি পরেছিলেন লাল বেনারসি, গলায় সোনার গয়না, মাথায় মুকুট, কপালে চন্দনের ছোঁয়া। বর মৃত্যুঞ্জয়ও রঙ মিলিয়ে পরেছিলেন জারদৌসী পাঞ্জাবি, সঙ্গে তসরের ধুতি।
মৃত্যুঞ্জয় আগেই জানিয়েছিলেন, চৈতালির দিদিমা অসুস্থ। তাই দেরি না করেই বিয়ের সিদ্ধান্ত। ঘরোয়া পরিবেশেই সম্পন্ন হয় অনুষ্ঠান। বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী অস্মিতা চক্রবর্তী। ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’ ধারাবাহিকের এই সদস্যা নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান। বর্তমানে ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ থেকে সরে গিয়ে আকাশ আটের ‘খনার কাহিনি’ ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে মৃত্যুঞ্জয়কে। নতুন জীবনের পাশাপাশি কর্মজীবনেও যে তাঁর পথচলা অব্যাহত, সেটাই যেন বলছে এই বিয়ে।