
সাহানা গোস্বামী
শেষ আপডেট: 15 January 2025 18:47
অস্কারে সেরা বিদেশি ছবির বিভাগে রয়েছে ‘সন্তোষ’। আর কয়েকদিন বাদে, ফলাফল। কিন্তু ‘অসন্তোষ’-এর কারণও রয়েছে। এখনও দেশেই মুক্তি পায়নি ‘সন্তোষ’। আর সে নিয়ে একটা ভাবনা তো রয়েইছে অভিনেত্রীর। আর এদিকে ‘দ্য ওয়াল’ এবং অভিনেত্রীর কোনওভাবেই, সময়ে মিল হচ্ছিল না। কখনও একেবারে ভুলেই গিয়েছিলেন সাক্ষাৎকারের সময়, আবার কখনও অন্য প্ল্যান জায়গা করে নিচ্ছিল। ‘ক্রিকেটীয়’ ভাষায় ব্যাটেবলে হচ্ছিল না। শেষমেশ বার কয়েক সময়ের সংঘাত পেরিয়ে সাক্ষাৎকারে এগনো গেল। প্রথমেই এক গাল হেসে ক্ষমা চেয়ে নিলেন অভিনেত্রী সাহানা গোস্বামী। (Shahana Goswami)
‘সন্তোষ’ এখনও রিলিজ হল না! মনখারাপ হচ্ছে?
খারাপ লাগছে না, এটা বলব না। লাগছে। তবে, কিছু সমস্যা হচ্ছে রিলিজ নিয়ে, মিটে যাবে। এই ছবিটা দেশের ছবি। দেশের গল্প। তাই দেশের মানুষের কাছে ‘সন্তোষ’ ভীষণই গুরুত্বপূর্ণ ছবি
বুক ধুকপুক করছে না? উনিশ তারিখ তো অস্কারের রেজাল্ট আউট!
একটা কথা বলি, আমরা পরিশ্রম করেছি। আমি, সুনিতা রাজওয়ার (সহ অভিনেতা) কিংবা সন্ধ্যা সুরি(পরিচালক) আমাদের সেরাটা দিয়ে কাজ শেষ করেছি। তবে ছবির স্বীকৃতি আমাদের হাতে নেই। তাই ওটা নিয়ে আমি অন্তত খুব একটা ভাবিত নই।
আরেকটি বিষয়, এই যাঁরা অস্কারের ছবিগুলো বাছাই প্রক্রিয়ায় রয়েছেন, তারা কি আদৌ সব কটি ছবি দেখে তা বিচার করেন, সে সুযোগ বা অবকাশ কি তাঁরা পান? আমার তা মনে হয় না। কিছু চর্চিত ছবি, লোকমুখে শোনা বা শুধুমাত্র ‘জনপ্রিয়’ তকমা সাঁটানো ছবি অস্কারে পৌঁছোয়, তা আমরা আগেও দেখেছি। তবে, এর ব্যতিক্রমও হয়েছে, তা অস্বীকার করছি না। আপনাকে বুঝতে হবে, ছবির যোগ্যতা, শুধু অস্কার কিংবা কানস কিংবা গোল্ডেন গ্লোবে সীমিত নয়।
বাংলা ছবি ‘পুতুল’ রয়েছে অস্কার দৌড়ে, জানেন তো?
হ্যাঁ, জানি, খুব ভাল লেগেছে, শুনে।
কানস বললেন বলে, একটা কম্পলিমেন্ট দিই, রেড কার্পেটে কী দারুণ লাগছিল আপনাদের প্রত্যেককে, মানে আপনি, সন্ধ্যা এবং সুনিতা, তিনজনকেই!
(হাসি)থ্যাঙ্ক ইউ, থ্যাঙ্ক ইউ। আর কী বলি, (লজ্জিতভাবে)
আপনাদের তিনজনের যে একটা নিঁখুত বন্ডিং গড়ে উঠেছে, তা কানসের রেড কার্পেটে ছবি কিংবা ভিডিওতে ভীষণ স্পষ্ট!
(আবার হাসি) এটা ঠিক। আমরা ‘সন্তোষ’ করতে গিয়ে কাছাকাছি এসেছি। শুটিংয়ের বাইরেও একটা সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এমনও হয়েছে শুটিংয়ের মাঝে, খানিক সময় পেতেই শপিং করেছি। আড্ডা দিয়েছি। সুনিতাজি এমন একজন নির্ভেজাল মানুষ, যাঁর সঙ্গে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দেওয়া যায়। সন্ধ্যাও তাই। আমরা একটা ট্রায়ো অফ ফ্রেন্ডশিপ হয়ে গিয়েছি।
View this post on Instagram
ছবির অভিনীত চরিত্র, একজন অভিনেতাকে কিছু শিখিয়ে যায়। চরিত্রের কোনও বৈশিষ্ঠ নিজের করে নেয় অভিনেতারা। ‘সন্তোষ’ কিছু কি শেখালো আপনাকে?
প্রত্যেক ছবি কিছু না কিছু শেখায়, ঠিক। কিন্তু সন্তোষের ক্ষেত্রে বিপরীত হয়েছে। আমার অনেকটা আমি ‘সন্তোষ’কে দিয়েছি। চরিত্রর অনেকখানি জুড়ে আমি নিজেকে রেখেছি। আমি দেখেছি, চরিত্রটি কোথাও গিয়ে আমাকে ডিমান্ড করে। আমি অর্থাৎ সাহানাকে। আমি সন্তোষকে আমার অনেকটা দিয়ে গড়ে তুলেছি। এই ছবি করতে গিয়ে মহিলা পুলিশকর্মীদের জীবন খুব কাছ থেকে দেখেছি। দেখেছি তাঁদের জীবনযাপন। একাধিক থানা ঘুরেছি। কীভাবে তাঁরা কাজ করেন, পরিস্থিতি কেমন, চাক্ষুষ করেছি। আমি এটা বুঝেছি, নারীদের জীবনযুদ্ধগুলো মোটামুটি একই ধরণের। আমার যুদ্ধগুলোর মতোই।
দেশে বিভিন্ন থানার যে ছবি সংবাদমাধ্যমে আমরা দেখতে পাই, তা সত্যিই ভীষণ করুণ। থানার শৌচাগারগুলোর অবস্থা অবস্থা তথৈবচ! আপনার দেখা থানাগুলোর ছবিটাও কি একই রকম?
শুধু থানা কেন বলছেন? যে কোনও কর্মক্ষেত্রে যেখানে নারীদের অংশীদারিত্ব কম, সেখানে একই অবস্থা! একটা ঠিকঠাক শৌচাগার নেই! জানেন! পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ভাবনা চিন্তা হয় না কোত্থাও। ‘সন্তোষ’-এ একটা দৃশ্যে আমার অভিনীত চরিত্রটিকে একটা খোলা জায়গায় মূত্রত্যাগ করতে হয়। আমাদের দেশের কত মহিলাকে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি রোজ হতে হচ্ছে! এটা ছাড়াও ভাবুন, প্রতিমাসে ঋতুস্রাবের মতো কঠিন সময়গুলোয় বিষয়টা কতটা ভয়াবহ হয়ে দাঁড়ায়। ইউটিআইয়ের মতো রোগের সংক্রামণ ও বেড়ে যায়, এই কারমে। মহিলাদের স্বাস্থ্য এবং পরিচ্ছন্নতার দিকে আরও নজর দেওয়া উচিত স্বাস্থ্য দফতরের।
অস্কার থেকে ‘লাপাতা লেডিজ’ বাদ পড়ে গেল, খারাপ লাগছে নিশ্চয়ই?
এই ‘বাদ’ পড়া শব্দটি আমার ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ নয়। ছবির নিজের একটা মেরিট আছে। তা নিয়েই ছবি এত মানুষের কাছে পৌঁছেছে। আমি ছবিটি এখনও দেখার সুযোগ পাইনি। কিন্তু ‘লাপাতা লেডিজ’-এর ভূয়সী প্রশংসা আমি শুনেছি। কত মানুষের পছন্দ হয়েছে ছবিটা। কাছের হয়ে উঠেছে। আমার বেশ কিছু পরিচিত মানুষ ছবিটার সঙ্গে জুড়েও রয়েছে। কিরণ রাও (পরিচালক) আমার খুবই ঘনিষ্ট। ওঁর সঙ্গে কথাবার্তাও হয়েছে। তাও আমি বলব, ֥‘অস্কার’ কোনও ছবির একমাত্র স্বীকৃতি হতে পারে না।
ভাবছি, এবার ইকোনমিক্স নিয়ে কিছু প্রশ্ন করব। (ওমকার গোস্বামী, ভারতীয় অর্থনীতিবিদ এবং লেখক)
(প্রবল হাসি) না না, ওটা বাবাকে করতে পারেন। আমার একদম ভাল লাগে না। বাবা ইকোনমিক্স বোঝে ভাল। আমি দাদা একেবারে ওই পথে পা বাড়াইনি।
View this post on Instagram
তাহলে, একটু অন্য প্রসঙ্গে আসি, জানলাম আপনি বৈবাহিক সম্পর্কে খুব একটা বিশ্বাসী নন। সাক্ষাৎকারে বলেছেন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একটা মেয়াদী চুক্তি থাকুক!
একটা গোটা সাক্ষাৎকারের একটা অংশ নিয়ে খবর বেরলে, তার মানে বদলে যায়। প্রেম মানেই বিয়ে, আমার কাছে তা নয়। প্রেমের বিভিন্ন ডাইমেনশন আছে। সেই প্রেমে আমি একলাও থাকতে পারি, কিংবা পোষ্যকে নিয়ে আবার শুধুমাত্র প্লেটনিক লাভও হতে পারে। এখন বিয়ের সম্পর্কগুলো ওয়ার্ক করছে না, কারণ সেটা ওয়ান ডাইমেনশনাল হয়ে গিয়েছে। একে অপরের জন্য শুধু ভালবাসা। তা কি সম্ভব?
একজনের একাধিক মানুষকে ভাল লাগতে পারে, ভালবাসতেও পারে। কিংবা কোনও নির্দিষ্ট মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হতে পারে বা একাধিক মানুষের সঙ্গে। মাল্টিডাইমেনশনাল। কিন্তু যেই বিয়ে হয়, মাল্টিডাইমেনশনাল সম্পর্কগুলো বন্ধ হয়। তখন বিভিন্ন প্রশ্ন এবং কুকথা বলতে শুরু করে একে অপরকে। পজেসিভনেস বাড়ে। প্রেম কমে যায়। একে অপরকে নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে। আর তারপর বিয়েটা ভেঙে যায়।
দক্ষিণ ইউরোপে বিয়ের একটি মেয়াদী চুক্তি হয়। দু’বছর। দু বছর পর আপনি ঠিক করবেন, আপনি, আপনার পার্টনারের সঙ্গে পরবর্তী সময় কাটাবেন কি না? একসঙ্গে থাকবেন কি না! পরিবর্তন তো অবশ্যম্ভাবী। দুটো মানুষের মনের মিল নাও হতে পারে তা, মনে পরিবর্তন হতে পারে না? সাক্ষাৎকারে আমি এটাই বলেছিলাম।
আচ্ছা, একটা সময়ের পর তো বাবা-মা বলেন, এবার একটা বিয়ে করো, সেটল হও। আপনার ক্ষেত্রে হয়নি?
না, না। হয়নি। এর কারণ বাবার আমার প্রতি আস্থা আছে। বাবা-মা দু’জনই আমার ভাল থাকাটাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। শুধু আমার নয়, আমার দাদার ক্ষেত্রেও বিষয়টি এক। তাঁরা দু’জনেই জানেন, আমি আমার জগতটাকে কীভাবে সাজাতে পছন্দ করি, কীভাবে আমার ভাললাগা বা ভালবাসা প্রাধান্য পায়।
আচ্ছা, মুম্বইতে ‘পাপারাৎজি কালচার’ নিয়ে এত কথা হয়। কোনও কোনও সময়ে স্টারদের ব্যক্তিগত চৌহদ্দিতে ঢুকে পড়েন তাঁরা। জাস্ট এ ক্লিক দ্যাট অনলি ম্যাটার্স টু দেম...
(প্রশ্ন থামিয়ে) দাঁড়ান, দাঁড়ান! সেলেব্রিটিরা এসব নিজেরা চান। তাঁরা চান, তাঁদের ছবি সব জায়গায় থাকুক। আলাদাভাবে পিআর এজেন্সিদের রাখা আছে, তাঁরা এসব দেখেটেখে। কে কোথায় যাচ্ছে, কী প্ল্যান দিনের, কোথায় জিম করে, সবটা জানিয়ে দেওয়া হয় পাপারাৎজিদের, তাঁরা ঠিক সময়ে চলে আসে।
আপনি নেই এসবে?
না। আমার পিআর এজেন্সিদের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। এবং মনে হয় না আমাকে দেখার জন্য মানুষের এত ইচ্ছে আছে।
আপনার কাজের প্রতি আছে নিশ্চয়ই।
(হাসি) তা হয় তো আছে।
View this post on Instagram
বাংলার সঙ্গে যোগাযোগ আছে? মা অথবা বাবার তরফ থেকে কেউ থাকেন কলকাতায়?
মায়ের তরফের লোকজনই বেশি। তবে কলকাতায় খুব একটা যাওয়া হয়ে ওঠে না। আমার দিল্লিতে জন্ম। বাবা-মা ওখানেই থাকেন। কাজসূত্রে আমি মুম্বইয়ের বাসিন্দা। আমায় দিল্লি-মুম্বই করতে হয়। তার উপর আবার শুটিং। এসবের মাঝে কলকাতায় যাওয়ার জন্য সময় বের করা চাপের। মিথ্যে বলব না, খুব ইচ্ছে রয়েছে। শেষবার, ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের জুরি হিসেবে গিয়েছিলাম।
বাংলার ছবির অফার ছিল তো, ‘হ্যাঁ’ বললেই, কলকাতায় আসা হয়ে যেত...
ডেটসেই তো সমস্যা ছিল!(আক্ষেপের সুর) টোনিদা (অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরি)একটা ছবি করল, ঋতুপর্ণা-রাহুল বোস (অনুরণন) করল, ওটার অফার পেয়েছিলাম। অন্য ছবির শুটিং ছিল। তারপর বিরষাও (দাসগুপ্ত) বলেছিল একটা ছবি করার জন্য, সে সময়েও একই কারণে করা হয়নি।
পুজোর সময় কলকাতা কিন্তু একেবারে অন্যরকম!
তাই না? খুব ইচ্ছে আছে, দেখি এই বছর, যদি সম্ভব হয়। আসলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে একের পর এক শুটিং থাকে, তাও চেষ্টা করব।
আপনার দিল্লিতে জন্ম, বেড়ে উঠলেন, তবে আপনার মুখে বাংলা ভাষা শুনলে কিস্যু বোঝা যায় না
বাংলা, ঠিকঠাক বলতে পারি। কিন্তু পড়তে সময় লাগে। একটু সময় নিয়ে পড়তে হয়।
কয়েকটা নাম মনে পড়ছে, তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে আপনি স্ক্রিন শেয়ার করেছেন, নাম শুনে, প্রথমেই যা মাথায় আসে, বলতে হবে
গ্রেট। বলুন।
মনোজ বাজপেয়ী
দারুণ। দারুণ। (Manoj Bajpayee)এত সমৃদ্ধ একটি মানুষ। মজাদার। মনোজ সঙ্গে থাকলে আপনার এতটুকুও বোরিং লাগবে না।
কপিল শর্মা
আমি জানতাম না, যে ও এতদিন ধরে অভিনয় করে। ‘জ্যুইগ্যাটো’ করার সময় জানতে পারলাম। কী ভাল করেছে, ছবিটা...দেখেছেন?
View this post on Instagram
হ্যাঁ, আর কপিল শর্মার গলায় গান শোনেননি?
শুনব না? গান করার সময় ওঁর মধ্যে কিছু একটা ভর করে, জানি না কী! কিন্তু করে, একেবারে অন্যরকম মানুষ হয়ে যায়।
ফারহান আখতার
(লজ্জা লজ্জা হাসি) ফারহান...ফারহান...ফারহান! ভীষণ ভাল বন্ধু। ফিল্ম, অভিনেতা, গায়ক একদিকে আর আমার কাছে ফারহান একেবারে অন্য। আমাদের বন্ধুত্বের বহু বছর পেরিয়ে গেল। আজও একে অপরের প্রতি একটা টান রয়েছে, যা থেকে যাবে আজীবন।
নাসিরজি
একটু থামলেন। আমার শুরুটাই ওঁর হাত ধরে। আমি সবসময় কিছু মানুষের সান্নিধ্যে থাকতে চেয়েছি, যেমন, শাবানজি, রেখাজি, নাসিরজি... নাসিরজি আমার গুরু, আমার মেন্টর।
শাহরুখ খান
ইমোশন। (Shah rukh khan) ওঁর সম্বন্ধে বলা শুরু করলেও, শেষ হবে না। শাহরুখ খান, একটা অনুভূতি। ওঁর গোটা জীবন প্রত্যেক মানুষের কাছে একটা পাঠ। ওঁর কথা বলা, ব্যবহার, বিনম্র স্বভাব, গ্রাউন্ডেড নেচার, আগলানো, একজন ভদ্রলোক বলতে আমরা যা বুঝি, শাহরুখ তাই। শাহরুখ ইজ ওয়ান অফ এ কাইন্ড!
শেষমেশ, অল পুরুষের লিস্টে একজন মহিলা আছেন...
কে?
তাব্বু
ক্লাসি, এলিগ্যান্ট, ভাইব্রেন্ট, সুন্দরী। কমিক টাইমিং বলুন বা এক্সপ্রেশন, যা উনি করেন, তার আলাদা মাত্রা আছে। অদ্ভুতভাবে আমি ওঁকে দেখলে, আকর্ষিত হই!
তাব্বুকে যেভাবে বর্ণণা করলেন, পুরুষরাও হয়তো পারবেন না!
মহিলারাই কিন্তু মহিলাদের বেশি ভাল বুঝতে পারেন, কদর করতে পারেন। কোনও মহিলা সুন্দরভাবে সাজলে, আমি কিন্তু কমপ্লিমেন্ট দিই, উল্টোটাও হয় (হাসি)। আমার মহিলাফ্যানদের সংখ্যা কম নয়। (হাসি)
শেষ প্রশ্ন, প্রেমটেম করছেন?
একাধিক প্রেমে আছি। বিভিন্ন ধরণের। বিভিন্ন ফর্মে। বিভিন্ন ভঙ্গিতে। কারওর সঙ্গে সিনেমা দেখতে যাই, কারওর সঙ্গে কফি ডেটে আবার কারওর সঙ্গে আড্ডা মারি। আবার সবাইকে জড়ো করে বাড়িতে পার্টি করি। (হাসি)