পোশাকের নিয়ম, রান্নাঘরের অভিজ্ঞতা আর সংসারের চাপ… ডিভোর্সের আসল কারণ জানালেন এষা দেওল।

এষা দেওল
শেষ আপডেট: 3 September 2025 18:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধর্মেন্দ্র–হেমা মালিনীর বড় মেয়ে এবং বলিউড অভিনেত্রী এষা দেওল বহুদিন ধরেই ব্যক্তিগত জীবনের কারণে শিরোনামে রয়েছেন। ২০১১ সালে ব্যবসায়ী ভরত তখতানির সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। দীর্ঘ ১২ বছরের সংসার জীবনের পর ২০২৪ সালে আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন দু’জনে।
কিন্তু বিচ্ছেদের বছর ঘুরতেই আলোচনায় চলে আসেন ভরত। উদ্যোক্তা মেঘনা লাখানির সঙ্গে নতুন প্রেমে সিলমোহর দেন তিনি। এষা হেমা মালিনীর কন্যা, ফলে চাকচিক্যে বেড়ে ওঠা। তাই স্বাভাবিকভাবেই বিয়ের পর নতুন সংসারের পরিবেশ তাঁর কাছে একেবারে আলাদা ছিল।
নিজের বই ‘আম্মা মিয়া’ (প্রকাশকাল ২০২০)–তে এষা লিখেছেন, শ্বশুরবাড়িতে ঢুকে প্রথম ধাক্কা এসেছিল পোশাকের স্বাধীনতায়। তিনি লেখেন, “বিয়ের আগে আমি বাড়িতে ছোট পোশাকেই স্বচ্ছন্দ ছিলাম। কিন্তু ২০১২ সালে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে দেখলাম, হাফপ্যান্ট বা গেঞ্জি পরে ঘোরা সম্ভব নয়। সবকিছুই বদলে গেল।”
তবে পোশাকের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এষা মানেন, তখতানি পরিবারের স্নেহের অভাব ছিল না। শাশুড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ির অন্য মহিলারা—সবার কাছেই তিনি পেয়েছিলেন ভালবাসা। তিনি মজা করে লিখেছেন, “তখতানি পরিবারের মহিলারা ছিলেন রান্নাঘরের রানি। অথচ আমি বিয়ের আগে রান্নার ধারেকাছেও যেতাম না।”
শাশুড়ির কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করে এষা বলেন, “আমাকে কখনও জোর করে রান্নাঘরে পাঠানো হয়নি। বরং আমাকে পরিবারের তৃতীয় ছেলের মতোই আদরে রেখেছেন তিনি। চকোলেট ব্রাউনি বা ফল, সবসময়ই আমার জন্য পাঠানো হতো। প্রথম বৌমা হওয়ায় অনেক আদর পেয়েছিলাম।”
২০১২ সালের ২৯ জুন মুম্বইয়ের ইসকন মন্দিরে সাদামাটা আয়োজনে এষা–ভরতের বিয়ে হয়েছিল। ২০১৭ সালে তাঁদের প্রথম কন্যা রাধ্যার জন্ম হয়, ২০১৯ সালে আসে দ্বিতীয় কন্যা মিরায়া। বিচ্ছেদের পর দুই মেয়েই এখন এষার সঙ্গেই থাকে।