দ্য ওয়াল ব্যুরো: অভিনয় দক্ষতার পাশাপাশি যে অন্যান্য অনেক ব্যাপারেই সুশান্ত সিং রাজপুতের অসামান্য দক্ষতা ছিল সে কথা জানেন অনেকেই। পড়াশোনায় তুখোড় ছিলেন সুশান্ত। পদার্থবিদ্যা আর মহাকাশ বিজ্ঞানের প্রতি অমোঘ টান ছিল সুশান্তের। ভাল ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি গাড়ি আর বাইকের ব্যাপারেও শৌখিন ছিলেন অভিনেতা। স্টেজে ড্যান্স পারফরম্যান্সের সময়ে প্রতি মুহূর্তে বুঝিয়ে দিতেন নাচের প্রতি তাঁর প্যাশন ঠিক কতটা। রান্নাঘরের কাজেও সুশান্ত ছিলেন পারদর্শী। নিখুঁত গোল রুটি বানিয়ে ফেলতেন নিমেষেই। আর এই সবকিছুই সুশান্ত শিখেছিলেন তাঁর চার দিদির থেকে। অনেক অল্প বয়সেই মাকে হারিয়েছিলেন অভিনেতা। তাই দিদিরাই ছিলেন সুশান্তের কাছে সব।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে পুরোনো একটি ভিডিও। জানা গিয়েছে, এই ভিডিও বছর তিনেক আগের অর্থাৎ ২০১৭ সালের। সেই সময় মণিপুরে সেনাবাহিনীর ছাউনিতে গিয়েছিলেন সুশান্ত। জওয়ানদের জন্য নিজে হাতে রুটি বানিয়ে তাঁদের খাবার পরিবেশনও করেছিলেন। এক টেবিলে বসে গল্প-আড্ডায় মাতিয়েছিলেন ভোজের আসর। সম্প্রতি এই ভিডিও শেয়ার করেছেন সুশান্তের দিদি শ্বেতা সিং কীর্তি।
https://twitter.com/i/status/1293338722256134144
এই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে সুশান্ত বলছেন, "আজ আমি যা কিছু শিখেছি সবই আমার দিদিদের থেকে। যে ভাইয়ের চারজন দিদি থাকে সেই এমন গোল রুটি বানাতে পারে।" খাবার টেবিলে বসে এক জওয়ান সুশান্তকে তাঁর পরিবারের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেন। জবাবে সুশান্ত বলেন, "চার দিদি রয়েছে আমার। গাড়ি চালানো, বাইক চালানো, ক্রিকেট খেলা, পদার্থবিদ্যায় আকর্ষণ সবই শিখেছি দিদিদের থেকে। আমার বড় দিদি নীতু। ও একজন ডাক্তার। যদিও প্র্যাকটিস করে না। ওর থেকেই পদার্থবিদ্যার প্রতি আমার আকর্ষণ জন্মেছিল। আমার মেজো দিদি মিতু প্রফেশনাল লেভেলে ক্রিকেট খেলতে। ওই আমায় গাড়ি আর বাইক চালানো শিখিয়েছে। ক্রিকেট খেলার হাতেখড়িও মিতুদির কাছেই। আমার বাকি দুই বোন প্রিয়াঙ্কা (আইনজীবী), শ্বেতা (ফ্যাশন ডিজাইনার)। এই দু'জনের সঙ্গে তো আমি জমিয়ে গসিপ করি।"
এই ভিডিওই শেয়ার করেছেন সুশান্তের সিসি শ্বেতা সিং কীর্তি। তিনি লিখেছেন, "ভাই তোমায় খুব ভালবাসি। আজীবন তুমি আমাদের হৃদয়ে থাকবে।"