দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আর এক বলিউড অভিনেতা। ওয়েব সিরিজ থেকে শুরু করে বড়পর্দা, অভিনেতা পূরব কোহলি দর্শকমহলে পরিচিত নাম। পূরব নিজেই জানিয়েছেন যে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে কোভিড ১৯ সংক্রমণের শিকার হয়েছেন। চিকিৎসা চলছে তাঁদের।
ইনস্টাগ্রামে আজ একটি দীর্ঘ পোস্ট করেছেন পূরব। তিনি লিখেছেন, সাধারণ ফ্লু-এর মতোই জ্বর হয়েছিল তাঁর। কিন্তু আস্তে আস্তে দেখা দিচ্ছিল অন্যান্য উপসর্গ। বেশ ভাল রকমের কাশি এবং শ্বাসকষ্টও শুরু হয় তাঁর। এরপরেই পারিবারিক চিকিৎসকের কাছে পরামর্শ নিতে গেলে ডাক্তারবাবু সাফ জানান যে পূরব করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
অভিনেতা বলেছেন, সর্বপ্রথম সমস্যা শুরু হয় তাঁর মেয়ে ইনায়ার। তারপর পূরবের স্ত্রীও বুকে একটা কষ্ট অনুভব করছিলেন। এবং কাশিও হয়েছিল তাঁর। বিভিন্ন উপসর্গে দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন পূরব নিজেও। এরপরেই ডাক্তারের কাছে গেলে তিনি জানতে পারেন সপরিবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। পূরব জানিয়েছেন, বাড়িতে তিনজনেরই সর্দি-কাশি-জ্বর হয়েছিল দিন চারেক ধরে। টেম্পারেচার ছিল ১০০-র উপরেই। চারপাশের অবস্থা দেখে মনে মনে আশঙ্কা করেইছিলেন। একটু সুস্থ বোধ করতেই তাই স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে পৌঁছে যান পারিবারিক ডাক্তারের কাছে।
https://www.instagram.com/p/B-rQrT4jCUW/
ডাক্তারের পরামর্শে বাড়িতেই সেলফ কোয়ায়রেন্টাইনে ছিলেন পূরব এবং তাঁর পরিবার। নিয়মিত চলছিল চেকআপ এবং ওষুধপত্র। গত সপ্তাহের বুধবার তাঁদের কোয়ারেন্টাইন পর্ব শেষ হয়েছে। এখন স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে লন্ডনে রয়েছেন পূরব। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। নিজের ইনস্টা পোস্টে অভিনেতা লিখেছেন, “আশা করব এই রোগ কারও হবে না। যদি হয় তাহলেও বিশ্বাস রাখুন যে আপনার শরীর ঠিক এই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে জিতে যাবে। খালি কিছু নিয়ম মেনে চলুন। তাহলে নিরাপদে থাকবেন। তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবেন।“
সুস্থ হয়ে ওঠার বেশ কিছু টিপসও দিয়েছেন পূরব। অভিনেতা জানিয়েছেন, তিনি এবং তাঁর স্ত্রী-মেয়ে দিনে চার থেকে পাঁচবার হাল্কা গরম জলে নুন দিয়ে গার্গল করতেন। স্নান করতেন গরম জলে। বুকে কষ্ট হলে জলের বোতলে গরম জল ভরে খানিক্ষণ চেপে রাখতেন, এতে আরাম হয় খুবই। তবে ওষুধপত্রের পাশাপাশি সবচেয়ে প্রয়োজন হল বিশ্রাম। পূরবের ডাক্তারও এই পরামর্শই দিয়েছিলেন তাঁকে। আর বাকিদের জন্য সেই সমাধানই দিয়েছেন অভিনেতা। তাঁর কথায়, "দু'সপ্তাহ টানা বিশ্রামের পর মনে হচ্ছে এবার ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছি।" তাই বাড়িতে থেকে বিশ্রাম নেওয়া খুবই প্রয়োজন।