দ্য ওয়াল ব্যুরো: দ্বিতীয়বার মা হয়েছেন শিল্পা শেট্টি। সারোগেসির মাধ্যমে কন্যাসন্তান এসেছে অভিনেত্রীর পরিবারে। আদর করে একরত্তি মেয়ের নাম রেখেছেন সামিশা। মেয়ের ছবি আর নামের মানে স্পষ্ট করে বুঝিয়ে শিবরাত্রির দিন ইনস্টাগ্রামে পোস্টও করেছিলেন শিল্পা। বিটাউনের অনেকেই জানতেন শিল্পার দ্বিতীয়বার মা হওয়ার খবর। শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন অনেকেই।
https://www.instagram.com/p/B80Uq2RB3yj/
তবে শিল্পা সোশ্যাল মিডিয়ায় সুখবর দেওয়ার পরেই একটি টুইট করেছেন কঙ্গনা রানাওয়াতের বোন রঙ্গোলি চান্দেল। রঙ্গোলি লিখেছেন, "আমার একটি সন্তান আছে। আমি এবং আমার স্বামী আর একটা বাচ্চা নেওয়ার কথা ভাবছি। সন্তান দত্তক নেওয়ার ব্যবস্থাও করে ফেলেছি আমরা। সকলকেই বলব সারোগেসির মাধ্যমে মা না হয়ে বরং সন্তান দত্তক নিন। এই পৃথিবীতে এমন অনেক বাচ্চা রয়েছে যারা মা-বাবার ভালবাসা থেকে বঞ্চিত। তাদের ভালবাসা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তাই তাদের ভালবাসা দিন।" রঙ্গোলি আরও জানিয়েছেন, কঙ্গনা নাকি দত্তক সন্তানের নামও ঠিক করে ফেলেছেন। বাচ্চাটির নাম রাখা হবে 'গঙ্গা'।
https://twitter.com/Rangoli_A/status/1230809731242983425
নিজের টুইটে রঙ্গোলি অবশ্য কারও নাম নেননি। তবে নেটিজেনদের অনেকেরই ধারণা নাম না করে শিল্পা শেট্টিকেই ঠুঁকেছেন রঙ্গোলি। রঙ্গোলি চান্দেলের টুইট নিয়ে দু'ভাগ হয়ে গিয়েছেন নেটিজেনরা। একপক্ষের মতে ঠিকই বলেছেন রঙ্গোলি। সত্যিই তো কত অনাথ বাচ্চা রয়েছে যারা মা-বাবার ভালবাসা পেতে চায়, একটা পরিবার চায়। তাই দত্তক নেওয়া অত্যন্ত ভাল কাজ। আর একদম নেটিজেনের মতে সারোগেসির মাধ্যমে হবেন নাকি সন্তান দত্তক নেবেন সেটা একান্তই ওই দম্পতির ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এ ব্যাপারে অন্য কারও মন্তব্য করা সাজে না। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের তর্ক-বিতর্ক জারি থাকলেও এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করেননি শিল্পা শেট্টি।
https://twitter.com/Rangoli_A/status/1230810157518479361
২০০৯ সালে শিল্পপতি রাজ কুন্দ্রার সঙ্গে বিয়ে হয় বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টির। এরপর ২০১২ সালে প্রথম সন্তানের জন্ম দেন শিল্পা। ছেলের নাম রাখেন ভিয়ান। আট বছর পর ফের মা হয়েছেন শিল্পা। সারোগেসির মাধ্যমে একরত্তি সামিশা এসেছে তাঁর কোলে। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তাঁর যখন ২১ বছর বয়স ছিল তখনই মেয়ে হলে কী নাম রাখবেন ঠিক করে ফেলেছিলেন। শিল্পা জানিয়েছেন, সামিশা নামের অর্থ ‘ঈশ্বর-সম কাউকে পাওয়া’। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে শিল্পা লিখেছিলেন, "সংস্কৃতে ‘সা’ কথার অর্থ কিছু পাওয়া। আর ‘মিশা’ শব্দের অর্থ ‘ঈশ্বর-সম কেউ’। এটি একটি রুশ শব্দ।"