
শেষ আপডেট: 10 September 2019 08:05
https://twitter.com/chintskap/status/1171202001989963776
অগস্ট মাসের শুরুতেই ম্যানহাটন থেকে টুইট করেছিলেন ঋষি কাপুর। লিখেছিলেন, “কংক্রিটের জঙ্গলে বাস করছি দীর্ঘদিন। এখানে এক টুকরো আকাশ দেখতে পাওয়াও মুশকিল। গতকাল একটা নদীর পাশে গিয়েছিলাম। আকাশে প্লেন উড়ে যাওয়ার শব্দ শুনলাম। বাড়ির কথা মনে পড়ে গেল। এই বিকট আওয়াজও বড় ভালো লাগলো। মনে হচ্ছিল আমি স্বাধীন, এ বার বাড়ি ফিরব।” গত ৩০ জুলাইও টুইট করেও ঋষি জানিয়েছিলেন যে, ১০ মাস হলো ম্যানহাটনে রয়েছেন তিনি। বারবারই অভিনেতার কথায় বোঝা যাচ্ছিল দেশের মাটিকে খুব মিস করছেন ঋষি। অবশেষে এ বার ফেরা হলো চেনা শহরে।
গত সেপ্টেম্বরে দেশ ছেড়েছিলেন ঋষি কাপুর। আচমকাই পাড়ি দিয়েছিলেন নিউ ইয়র্কে। জানা গিয়েছিল, সেখানে চিকিৎসা করাতে যাচ্ছেন তিনি। তার কদিন আগেই ক্যানসারের চিকিৎসা করাতে নিউ ইয়র্কেই গিয়েছিলেন সোনালি বেন্দ্রে। দুইয়ে দুইয়ে চার করে নিতে অসুবিধে হয়নি চিন্টু-র ফ্যানদের। হু হু করে ছড়িয়ে পড়েছিল গুজব। ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছে ঋষি কাপুর। জল্পনা বাড়িয়েছিল গত বছর দিওয়ালির আগে ঋষির স্ত্রী নীতু সিংয়ের ইনস্টাগ্রামের একটি মেসেজ। যেখানে নীতু লিখেছিলেন, “ক্যানসার যেন কেবল একটা রাশিই হয়।” ঋষির চুলের রঙ নিয়েও শুরু হয়েছিল বিস্তর জল্পনা। অনেকেই বলেছিলেন, চিকিৎসার কারণে ওষুধের প্রভাবেই এমনটা হয়েছে। তবে অভিনেতা নিজেই জানিয়েছিলেন, সিনেমার জন্যই চুলের রঙ বদলেছেন।
ঋষির কী অসুখ হয়েছিল তখন অবশ্য তা জানা যায়নি। এমনকী মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন গোটা কাপুর খানদান। পরে অবশ্য ঋষি নিজেই জানান আপাতত সুস্থ রয়েছেন তিনি। চিকিৎসার কিছু ধাপ এখনও বাকি রয়েছে। সব সেরে জলদিই দেশে ফিরবেন তিনি। পাশাপাশি অভিনেতা এ-ও জানান যে তাঁর লড়াইটা মোটেও সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ক্যানসারের বিরুদ্ধে এই কঠিন লড়াইয়ের তাঁকে পাহাড়ের মতো ঢাল হয়ে সবসময় সবকিছু থেকে রক্ষা করেছেন স্ত্রী নীতু। আর রণবীর এবং ঋদ্ধিমা ছিলেন সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য তাঁর ইন্সপিরেশন। শুধু পরিবার নয়, নিজের ফ্যানদের কথাও বারবার বলেছেন ঋষি। ধন্যবাদও জানিয়েছেন সকলকেই।