
শেষ আপডেট: 11 August 2023 11:11
আপামর বাঙালির কাছে ২২ শ্রাবণ আজও দুঃখের দিন। কিন্তু যাঁর প্রয়াণ ঘিরে এই শোক তিনি নিজে বিশ্বাস করতেন বিদায়ের উদযাপনে, সমাপ্তির সমাবর্তনে। তাই এই বছর এই বিশেষ দিনটি একটু অন্যভাবে পালিত হল (Different baishe srabon celebration at Kolkata)। কবির নানা গান, কবিতা, নাটক, ভাবনার মধ্যে দিয়ে এই বিশেষ দিনটি উদযাপিত হল। গানে ছিলেন ইমন চক্রবর্তী, শোভন গঙ্গোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানের নেপথ্যে মূল কারিগর ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত।

যীশু সেনগুপ্তকে পাওয়া গেল ভিন্ন ভূমিকায়। তাঁর এই ভাবনায় সঙ্গ দিয়েছেন কবি শ্রীজাত, ইমন চক্রবর্তী, শোভন গঙ্গোপাধ্যায়। এছাড়াও বিভিন্ন অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোহিনী সরকার, সৌরভ দাস, ইন্দ্রাশীষ রায়, অঙ্কিতা চক্রবর্তী।
শেষের কবিতার অংশ বিশেষ নাট্যরূপ পরিবেশন করেন সৌরভ দাস, অঙ্কিতা চক্রবর্তী। অন্যদিকে 'রক্তকরবী'র নির্বাচিত অংশের নাট্যরূপ পরিবেশন করেন সোহিনী সরকার, ইন্দ্রাশীষ রায়। সমগ্র অনুষ্ঠানের ভাবনা, আবহ, পরিচালনায় যীশু এন্ড দ্যা রেট্রোডিকশনস্।


রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির পাশাপাশি নিজের লেখা দিয়ে অনুষ্ঠানের চিত্রনাট্য নির্মাণ করেছিলেন কবি শ্রীজাত। ইমনের গাওয়া গানের মধ্যে 'একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ', 'আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ', 'তোমায় গান শোনাবো', শোভনের কন্ঠে 'মাঝে মাঝে তব দেখা পাই', সমবেত কণ্ঠে 'আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে' উল্লেখযোগ্য যা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। যার রেশ অনুষ্ঠান শেষেও থেকে যায়।


যাঁরা এই উদ্যোগের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তাঁদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন যীশু সেনগুপ্ত। আনন্দঘন সান্ধ্য এই অনুষ্ঠানে তিনি বললেন, 'সর্বশেষে সবাই উঠে দাঁড়িয়ে আমাদের কাজকে যেভাবে সমাদর করেছেন সত্যিই আমার চোখে জল এনে দিয়েছে। ভবিষ্যতে সময়, সুযোগ হলে বাইশে শ্রাবণ আবার হবে।'
আরও পড়ুন: মেনল্যান্ড চায়না নিয়ে এল কিডস মেনু, কী কী থাকছে জেনে নিন