বলিপাড়ার ড্রিমগার্ল জানান, ধর্মেন্দ্রের জীবন দর্শনের কেন্দ্রে ছিল মানুষের প্রতি সহানুভূতি, ভালবাসা। সাহায্যের জন্য কেউ তাঁর কাছে এলে কখনও নিরাশ হয়ে ফিরতে হয়নি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সব সময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

শেষ আপডেট: 26 January 2026 14:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day) ঠিক আগে প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা ও প্রাক্তন রাজনীতিবিদ ধর্মেন্দ্র দেওলের (Dharmendra) নাম উঠে এল দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মানের তালিকায়। মরণোত্তর ‘পদ্ম’ সম্মানে ভূষিত করা হল তাঁকে। আবেগে ভাসেছে গোটা দেওল পরিবার। এই স্বীকৃতিতে গর্বিত হলেও, অভিনেতার স্ত্রী হেমা মালিনীর (Hema Malini) কথায় ধরা পড়েছে একরাশ আক্ষেপ। তাঁর মতে, এই সম্মান বহু আগেই ধর্মেন্দ্রের প্রাপ্য ছিল।
বলিপাড়ার ড্রিমগার্ল জানান, ধর্মেন্দ্রের জীবন দর্শনের কেন্দ্রে ছিল মানুষের প্রতি সহানুভূতি, ভালবাসা। সাহায্যের জন্য কেউ তাঁর কাছে এলে কখনও নিরাশ হয়ে ফিরতে হয়নি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সব সময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। হেমার কথায়, বিনোদন দুনিয়ায় ধর্মেন্দ্র যে ছাপ রেখে গিয়েছেন, তা কালজয়ী। আবার রাজনীতির ময়দানে থেকেও মানুষের প্রতি তাঁর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি কখনও বদলায়নি।
এ সকল দিক থেকে বিচার করেই হেমা মালিনীর স্পষ্ট মত, ‘পদ্মবিভূষণ’-এর মতো সম্মান পাওয়ার যোগ্য ছিলেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর আক্ষেপ, জীবিত অবস্থায় সেই স্বীকৃতি তিনি পাননি। তবে একই সঙ্গে তিনি জানান, দেরিতে হলেও দেশের তরফে এই সম্মান দেওয়ায় তিনি খুশি এবং প্রয়াত স্বামী, কিংবদন্তি অভিনেতাকে নিয়ে গর্বিত।
প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের দিন পদ্মসম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হয় দেওল পরিবার। ধর্মেন্দ্রের নাম দেখে পরিবার-পরিজনের পাশাপাশি অনুরাগীরাও একরাশ স্মৃতিতে ফিরে যান। অনেকেরই মত, জীবদ্দশায় এই সম্মান এলে অভিনেতার আনন্দ সত্যি চিরস্মরণীয় হতো।
২৬ জানুয়ারির সকালেও সেই আবেগের রেশ ছড়িয়ে পড়ে পরিবারের নানান সদস্যদের পোস্টে। ঈশা দেওল এক পোস্টে প্রয়াত বাবার মরণোত্তর সম্মানের কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি দাদা সানি দেওলের ছবি ‘বর্ডার ২’-এর সাফল্যের প্রশংসা করেন। সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি জানান, এ বছরের সাধারণতন্ত্র দিবস দেওল পরিবারের কাছে আলাদা গুরুত্ব বহন করছে।