Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকের

'কাকু, কার্টুন নেটওয়ার্ক আছে তো?' ইঁদুর-বিড়ালের খুনসুটি, ছাগলের হাসি আর ‘হাবিজাবি'র তিন দশক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছোটবেলার কচিকাঁচাদের টিভি দেখা মানেই সবার আগে আসবে এই চ্যানেল (Entertainment Channel)। আসবেই। সে 'স্কুবি-ডু' হোক বা 'টম অ্যান্ড জেরি'। আজ, তিরিশ বছর পার করেও, তাতে একটুও ভাঁটা পড়েনি। 'কার্টুন নেটওয়ার্ক' (Cartoon Network

'কাকু, কার্টুন নেটওয়ার্ক আছে তো?' ইঁদুর-বিড়ালের খুনসুটি, ছাগলের হাসি আর ‘হাবিজাবি'র তিন দশক

শেষ আপডেট: 16 May 2023 03:26

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছোটবেলার কচিকাঁচাদের টিভি দেখা মানেই সবার আগে আসবে এই চ্যানেল (Entertainment Channel)। আসবেই। সে 'স্কুবি-ডু' হোক বা 'টম অ্যান্ড জেরি'। আজ, তিরিশ বছর পার করেও, তাতে একটুও ভাঁটা পড়েনি।

'কার্টুন নেটওয়ার্ক' (Cartoon Network)। দাবার ঘরের মত সাদা-কালো খোপে শব্দগুলো লেখা! বাড়িতে কেবল কানেকশন নেওয়া মানেই খুদে সদস্যদের প্রশ্নটা অবধারিত ধেয়ে যেত অপারেটারের কাছে, 'কাকু, কার্টুন নেটওয়ার্ক আসবে তো?' বড়রা নাক সিঁটকোতেন, 'ওই, আবার শুরু হল যত্তসব হাবিজাবি দেখা! কী যে দ্যাখে, গরু ছুটছে, ছাগল হাসছে, বিড়াল আর ইঁদুর মারপিট করছে…'।

কিন্তু তাতে থোড়াই কেয়ার ছোটদের! একবার 'টম অ্যান্ড জেরি' চালু হলে তখন চূড়ান্ত দস্যিপনা করা ছেলেও একেবারে মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে টিভিতে!

মার্কিন এই চ্যানেলের জন্ম নব্বইয়ের দশকে। তখন সদ্য ভারতে বিশ্বায়নের দরজা খুলেছে। আসতে শুরু করেছে বিভিন্ন বিদেশি বহুজাতিক। ওদিকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হয়েছে, মধ্য এশিয়ায় পারস্য উপসাগরের তীরে ইরাকি সেনার দিকে ধেয়ে যাচ্ছে আমেরিকার নেতৃত্বে সামরিক জোট। এইরকম পরিস্থিতিতে আমেরিকার ডিজিটাল বাজারে প্রায় নিঃশব্দ বিপ্লব এনেছে টেলিভিশন। কম্পিউটারের সেই আদিযুগে টেলিভিশনই ছিল দর্শকদের সবচেয়ে প্রিয় বিনোদনের মাধ্যম।

দর্শকদের পছন্দ-অপছন্দ বুঝে নানা 'কেবল' সার্ভিস শুরু হচ্ছে, তার জন্য নামী-অনামী স্টুডিওগুলো তৈরি করছে কন্টেন্ট।

স্টারবাকস বয়কটের হিড়িক! এমন কী বিজ্ঞাপন বানাল বিখ্যাত এই কফিহাউস ব্র্যান্ড?

এই উঠতি বাজারের চাহিদার মুখেই পর পর জন্ম নেয় একের পর এক নামী চ্যানেল—ডিসকভারি, অ্যানিম্যাল প্ল্যানেট, কমেডি সেন্ট্রাল বা কার্টুন নেটওয়ার্ক। ১৯৯২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিখ্যাত 'টার্নার ব্রডকাস্টিং' সংস্থা প্রথম কার্টুনের জন্য নির্দিষ্ট একটি চ্যানেল খোলার ভাবনা শুরু করে। ততদিনে টার্নার কিনে নিয়েছে 'মেট্রো গোল্ডউইন মেয়ার'-কে। সঙ্গে 'ওয়ার্নার ব্রাদার্স', 'হানা বারবারা' সহ বিভিন্ন স্টুডিওর সংগ্রহের নাগালও তারা আদায় করে নেয়।

সেই শুরু। আর পিছনে তাকাতে হয়নি তাদের। ১৯৯২ সালে, চ্যানেল শুরু করার সময়েই, তাদের বিখ্যাত লোগোটি বানিয়েছিল তৎকালীন বিখ্যাত ডিজাইন সংস্থা 'কোরি ম্যাকফারসন ন্যাশ'। দাবার ঘরের মত সেই লোগোই পরে চ্যানেলকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছিল। ২০০৪ সালের পর যদিও পুরনো লোগোকে নতুন করে বানায় তারা। প্রথম দুটো অক্ষর, 'সি' আর 'এন' দিয়েই নতুন লোগো আসে। কিন্তু আজও, আজকের বয়স্কদের স্মৃতিতে রয়েছে সেই সাদাকালো পুরো নামের লোগোই।

১৯৯৫ সালের মে মাসে কার্টুন নেটওয়ার্ক সরকারিভাবে চালু হয় ভারতে। টিভি দুনিয়ায় ভারতও তখন সদ্য পা রেখেছে। দুরদর্শনের একচেটিয়া বাজারে উদারীকরণের জেরে ভাগ বসাচ্ছে নানা বিদেশী চ্যানেল। কার্টুন নেটওয়ার্ক সেখানে নজিরবিহীন জনপ্রিয়তা তৈরি করে। 'কারেজ অফ দ্য কাওয়ার্ডলি ডগ', 'জনি ব্র্যাভো', 'স্কুবি ডু', 'ইড, এড অ্যান্ড এডি', 'কাউ অ্যান্ড চিকেন', 'উই বেয়ার বিয়ারস', 'ডেক্সটার ল্যাব' এবং অতি অবশ্যই, 'টম অ্যান্ড জেরি' কার্যত কার্টুন নেটওয়ার্ককে ঘরে ঘরে জনপ্রিয় করে তোলে।

বস্তুত, কার্টুন নেটওয়ার্কের আবেদনই ছিল তাদের আগড়ুম বাগড়ুম গল্পে। কখনও মুরগির বোন গরু, কখনও দুশ্চিন্তায় ভোগা কুকুর, কখনও বেড়াল-ইঁদুরের দোস্তি/দুশমনি, কখনও সান ফ্রান্সিসকোর রাস্তায় তিনটি ভালুক… যতটা পারা যায়, অবিশ্বাস্য, হাস্যরসের এক দুনিয়ায় তারা নিয়ে গিয়েছে দর্শকদের।

এই বছর তিন দশক পার করল তারা। মাঝে গুজব উঠেছিল, বন্ধ হয়ে যাবে সংস্থা। কিন্তু কার্টুন নেটওয়ার্ক আশ্বস্ত করেছে, তারা কোথাও যাচ্ছে না। ভক্তদের এক টুইটে কার্টুন নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, 'আমরা এখানেই থাকছি। আপনাদের বাড়িতে, আপনাদের ভালবাসায়। তাই থাকব, সবসময়।'

‘কোহিনূর মোটেও দিচ্ছি না!’ সটান জানাল ব্রিটিশ সরকার, খারিজ করল সে দেশের সংবাদমাধ্যমের দাবি


```