দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার থেকেই নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) হেফাজতে দিন কাটছে মুম্বইয়ের ‘মন্নত’ অট্টালিকার বাসিন্দা আরিয়ান খানের (aryan khan)। ৭ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁকে মাদক মামলায় জেরা করার জন্য হেফাজতে রাখার অনুমতি পেয়েছে তারা। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সহযোগিতা করছেন বলে সূত্রের খবর। সুপারস্টারের ছেলে বলে কোনও খাতির পাচ্ছেন না। খেতে হচ্ছে এনসিবির মেসের খাবার। জেরার সময়টুকু বাদে দিনের বাকিটা কীভাবে কাটছে কিং খানের ছেলের? শোনা যাচ্ছে, ২৩ বছরের আরিয়ান নাকি এনসিবি কর্তাদের বিজ্ঞানের বইপত্র (science books) এনে দেওয়ার আবেদন করেছেন। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। হয়তো অবসর সময়টা সেই বইপত্র পড়ছেন তিনি। আরেকটি সূত্রের খবর, আরিয়ান ও মুম্বই-গোয়া প্রমোদতরীতে তাঁর সঙ্গে আটক, গ্রেফতার হওয়া বাকিদের ফোনগুলি (phones) ফরেনসিক পরীক্ষার(forensic test) জন্য পাঠানো হয়েছে। এনসিবি আদালতে দাবি করেছে, অভিযুক্তদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে মাদককাণ্ডে আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের যোগসাজশের স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। সম্প্রতি আরও জানা যায়, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে মাদক সরবরাহের পেমেন্টের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করতেন আরিয়ান। এই মামলায় গতকাল আরও চারজনকে গ্রেফতার করে এনসিবি। এরা দিল্লির একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের কর্মী। ১১ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের এনসিবি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে এসপ্ল্য়ানেডের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট।
এদিকে ছেলেকে ঘিরে আচমকা এত কিছু ঘটে যাওয়ায় খান-দম্পতির পাশে বলিউড তারকাদের একাংশের পাশাপাশি শাহরুখের (shahrukh khan) ভক্তকূল (shahrukh fans)। সলমন খান সহ বেশ কয়েকজন শাহরুখের বাসভবনে গিয়ে সমবেদনা জানিয়েছেন। সোস্যাল মিডিয়ায় সমর্থনের বার্তা দিয়েছেন একাধিক তারকা। সুপারস্টার ফ্যান ক্লাবের লোকজনও সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচারের ঝড় তুলেছেন, মন্নতের বাইরে পোস্টার, ব্যানার লাগিয়েও বার্তা দিয়েছেন, আমরা পাশে আছি! এসআরকে ফ্যানরা ট্যুইটারে উই স্ট্যান্ড উইথ আরিয়ান খান হ্যাশট্যাগ দিয়ে ট্যুইট করা শুরু করেন। তা ক্রমশঃ ট্রেন্ডিং হয় গতকাল। মন্নতের মূল গেটের বাইরে শাহরুখের ছবির কোলাজে সাজানো ছাপানো পোস্টারে লেখা, আমরা বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের ফ্যান। তোমায় শর্তহীন ভাবে গভীর ভাবে ভালবাসি। এই কঠিন সময়ে তোমার পাশে আছি। টেক কেয়ার কিং! ছবিটি শেয়ার করে শাহরুখ খান ইউনিভার্স ফ্যান ক্লাব।
আরিয়ানের সমর্থনে একজন ট্যুইট করেছে, আমাদের ছেলে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে বেরিয়ে আসবে। আমরা সেটা জানি। আরেকজন এনসিবির ভ্যানের ভিতরে বসে থাকা আরিয়ানের হাসি মুখের ছবি শেয়ার করে ট্যুইট করেছে, ওর হাসির মধ্যে আত্মবিশ্বাসের ছাপ থেকেই স্পষ্ট, কোনও অন্যায় করেনি ও।