
শেষ আপডেট: 28 May 2022 08:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাদক মামলায় শুক্রবার ক্লিনচিট পেয়েছেন শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান (Aryan Khan Drug Case) সহ মোট ছ'জন। কেন্দ্রীয় এজেন্সি গতকালকেই বলেছিল সেই অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হওয়ার কথা শোনা গিয়েছিল। তা যে হচ্ছেই শনিবার একপ্রকার নিশ্চিত করে দিলেন এনসিবির ডিজি এসএন প্রধান।
তিনি বলেছেন, আরিয়ানদের গ্রেফতার (Aryan Khan Drug Case) করার পর যে ভাবে তদন্ত হয়েছিল তা প্রক্রিয়া মেনে হয়নি। তাই এটা স্পষ্ট, আরিয়ানকে ফাঁসানোর চেষ্টা হয়েছিল।
কারণ হিসেবে এসএন প্রধান বলেছেন, গ্রেফতারের পর মেডিক্যাল টেস্ট করানো হয়নি আরিয়ানের (Aryan Khan)। জেরার সময়ে ভিডিওগ্রাফিও হয়নি। তা ছাড়া যে ভাবে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট দেখা হয়েছিল তা বৈধ নয়।
গত অক্টোবর মাসে মুম্বই থেকে গোয়াগামী প্রমোদতরী থেকে মাদক মামলায় গ্রেফতার হন আরিয়ান খান। আরিয়ান জেলে থাকার সময়েই এনসিবি-র একাধিক সূত্র দাবি করে, আরিয়ান জেরায় স্বীকার করেছেন, তিনি নিয়মিত মাদক নেন।
ব্যাপারটা যখন মুম্বইয়ের আন্ডারওয়ার্ল্ড, নিষিদ্ধ মাদক কারবার আর বলিউডের মধ্যে সম্পর্ক, যোগের বৃত্তে ঘুরছে তখন সেই কক্ষপথ বদলে দিয়েছিলেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী তথা প্রবীণ এনসিপি নেতা নবাব মালিক। সেদিন নবাব বলেছিলেন, আরিয়ানকে ফাঁসানো হয়েছে। শাহরুখের অনেক টাকা। এ হল পয়সাওয়ালা বাবার কাছ থেকে টাকা লুঠের ছক—ছেলেকে ফাঁসিয়ে দাও।
শুধু কি তাই?
দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ের সম্পর্কে সেদিন নবাব বলেছিলেন, ওই অফিসারের রেকর্ড আছে বড় লোকের ছেলেমেয়েকে ফাঁসিয়ে টাকা আদায় করা। নবাব সেদিন এও বলেছিলেন, কেন্দ্রীয় এজেন্সি এটাই করে। কখনও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, কখনও টাকা লুঠের উদ্দেশে সাজানো মামলা।
এরপর এনসিবি মুম্বই শাখাকে এই তদন্ত থেকে সরিয়ে দেয়। স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম গড়া হয় দিল্লির তরফে। তারাই শুরু করেন প্রমোদতরীর মাদক তদন্ত।
এখন দেখা গেল, সেদিন যা বলেছিলেন নবাব মালিক হুবহু সেটাই মিলে গেল।
অভিযোগ মিলল জেলবন্দি নবাবের, আরিয়ান ক্লিনচিট পেতেই তদন্তের মুখে সমীর