দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছেলে (son) যে বড় বিপদ থেকে আপাততঃ মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছে, তারপর আর কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ শাহরুখ-গৌরী (sharukh-gouri)। ২৪ বছরের আরিয়ানকে একা কোথাও যেতে দিচ্ছেন না তারকা দম্পতি (star couple)। ক্রুজ মাদক কাণ্ডে (cruise drug case) জামিনে রেহাই পাওয়া আরিয়ানের (aryan) আপাততঃ পার্টিতে যাওয়া, বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ। কিন্তু এভাবে কতদিন চলবে? চিরকাল তো ছেলেকে গৃহবন্দি করে রাখা যাবে না! জামিনের শর্ত মেনে সে বাড়ির বাইরে বেরবেই।
কিং খান, তাঁর স্ত্রী চাইছেন ছেলেকে সারাক্ষণ ঘিরে রাখবে, এমন একজন যোগ্য দেহরক্ষী (bodyguard)। শাহরুখের অতি বিশ্বস্ত বডিগার্ড রবি সিং আরিয়ান কোথাও গেলে তাঁর সঙ্গে সঙ্গে থাকবেন। কিন্তু এটা তো সাময়িক ব্যবস্থা। আরিয়ানের জন্য আলাদা দেহরক্ষী নিয়োগ করতে হবে, যিনি সাতদিন ২৪ ঘন্টা ছায়ার মতো আরিয়ানের পাশে পাশে থাকবেন। আর কীভাবে যেন খবরটা ছড়িয়ে পড়েছে যে, খান দম্পতি ছেলের জন্য নির্ভরযোগ্য একজন বডিগার্ড খুঁজছে। খবরটা ভাইরাল হতেই গাদা গাদা আবেদনপত্র আসছে সুপারস্টারের রেড চিলিজ সংস্থার অফিসে। যত রাজ্যের সিকিউরিটি এজেন্সি তদ্বির করা শুরু করেছে, তারা আরিয়ানের নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করতে প্রস্তুত। মুম্বইয়ের কোনও সিকিউরিটি এজেন্সি বোধহয় বাকি নেই যারা শাহরুখকে আবেদনপত্র পাঠায়নি। প্রাইভেট বডিগার্ডরাও আবেদন করছেন। সেলেব্রিটিদের সুরক্ষা দেওয়া, নাইটক্লাব সামলানো বাউন্সাররাও পিছিয়ে নেই। একটা সুযোগ চাইছেন সকলেই। যদিও শাহরুখ কোনও সংস্থাকেই চূড়ান্ত করেননি এখনও। ফলে ডাঁই করে রাখা আবেদনপত্রের পাহাড় জমছে রেড চিলিজ দপ্তরে।
অক্টোবরে মুম্বই থেকে গোয়াগামী প্রমোদতরীতে মাদক পার্টি থেকে কয়েকজন সঙ্গীসাথী সহ নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) অভিযানে গ্রেফতারির পর আরিয়ানের ঠাঁই হয় মুম্বইয়ের আর্থার রোড সেন্ট্রাল জেলে। বেশ কয়েকবার খারিজ হওয়ার পর বম্বে হাইকোর্টে ১ লাখ টাকা বন্ডের বিনিময়ে আরিয়ানের জামিনের আর্জি মঞ্জুর হয়। জামিনদার হন জুহি চাওলা।
তবে জামিনে থাকাকালে ১৪টি শর্ত মানতে হবে আরিয়ানকে। যেমন, প্রতি শুক্রবার এনসিবি অফিসে হাজিরা দেওয়া, পাসপোর্ট জমা রাখা, পুলিশ বা এনডিপিএস কোর্টের অনুমতি ছাড়া কোথাও না যাওয়া।