এই বক্তব্য থেকেই বোঝা যাচ্ছে, চাহিদা এতটাই বেড়েছে যে ওপেনএআই-এর ইঞ্জিনিয়াররা বিশ্রাম নিতেও পারছেন না।
হায়াও মিয়াজাকি ও ইসাও তাকাহাতার প্রতিষ্ঠিত স্টুডিও ঘিবলি তাদের হ্যান্ড-ড্রন অ্যানিমেশন ও দৃষ্টিনন্দন চিত্রকল্পের জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। Spirited Away, My Neighbor Totoro, Howl’s Moving Castle-এর মতো কালজয়ী সিনেমাগুলো ঘিবলির অনন্য শৈলীর নিদর্শন। প্রতিটি সিনেমার এক একটি দৃশ্য আঁকতে পর্যন্ত অনেকটা করে সময় লাগে! উদাহরণস্বরূপ, The Wind Rises-এর এক ব্যস্ত বাজারের দৃশ্য হ্যান্ড-পেইন্টেড ওয়াটার কালারে তৈরি হতে এক বছরেরও বেশি সময় লেগেছিল।
২০২৪ সালে, হায়াও মিয়াজাকি রামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারে সম্মানিত হন, যা তাঁর অবিস্মরণীয় কাজের স্বীকৃতি। তবে তাঁর স্টুডিও ঘিবলির মায়াবী শৈলী এখন শুধু অ্যানিমেশনে সীমাবদ্ধ নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় এটি একটি নস্টালজিক ট্রেন্ড হয়ে উঠেছে, যেখানে ব্যবহারকারীরা এআই ব্যবহার করে নিজেদের ছবি ও দৃশ্যগুলোকে ঘিবলি স্টাইলে রূপান্তর করছেন।
কিন্তু এই প্রবণতা এতটাই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে যে ওপেনএআই-এর সার্ভারগুলো প্রায় ধসে পড়ার উপক্রম। অল্টম্যানের বার্তা থেকে স্পষ্ট, প্রযুক্তিগত সক্ষমতার বাইরে গিয়ে মানুষের সৃজনশীলতার নতুন তরঙ্গ এআই জগতে কেমন প্রভাব ফেলছে!


