ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর শোক কাটতে না কাটতেই আবার প্রিয় বন্ধুকে হারালেন অমিতাভ বচ্চন।

অমিতাভ বচ্চন
শেষ আপডেট: 13 March 2026 10:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রিয়জন হারানোর যন্ত্রণা যেন আরও তীব্র হয়ে ওঠে। একের পর এক কাছের মানুষের মৃত্যু অনেক সময় জীবনের প্রতি অনীহাও বাড়িয়ে দেয়। সম্প্রতি ঠিক এমনই এক আবেগঘন মুহূর্তের মুখোমুখি হলেন অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchanঅমিতাভ বচ্চন)। কিছুদিন আগেই প্রিয় বন্ধু ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। এবার আবার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে হারিয়ে গভীর শোক প্রকাশ করলেন বলিউডের এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
বৃহস্পতিবার নিজের ব্লগে প্রয়াত বন্ধুর উদ্দেশ্যে আবেগঘন বার্তা লিখেছেন অমিতাভ। তিনি লেখেন, “সব সময় কঠিন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে আমাকে সাহায্য করত ও। অপার স্নেহ আর হাস্যরসে ভরপুর ছিল আমার বন্ধু। আরও একজন প্রিয় বন্ধুকে হারালাম।”
বন্ধুর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অমিতাভ আরও লিখেছেন, “যে কোনও পরিস্থিতিতে ঠান্ডা মাথায় ভাবার মতো শক্তি ছিল ওর। বিশ্বাসই করতে পারছি না ও আর নেই। একে একে সবাই চলে যাচ্ছে।” এই কথার শেষে তিনি কান্নাভরা মুখের ইমোজিও ব্যবহার করেন, যা তাঁর শোকের গভীরতাই স্পষ্ট করে দেয়।
অমিতাভের এই পোস্টে অসংখ্য ভক্ত সমবেদনা জানিয়েছেন। একজন ভক্ত মন্তব্য করে লেখেন, “ঈশ্বর আপনাকে এই ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দিন।” অন্য একজন লেখেন, “আপনার বন্ধুর মৃত্যুতে দুঃখিত, দয়া করে আমার আন্তরিক সমবেদনা এবং প্রার্থনা গ্রহণ করুন।” আবার কেউ লিখেছেন, “আপনার বন্ধুর আত্মার শান্তি কামনা করি।”
আরও একজন মন্তব্য করে জানান, “আপনার বন্ধুর কথা শুনে ভীষণ খারাপ লাগল।” অন্য এক ভক্ত লিখেছেন, “আপনার এই ক্ষতির জন্য গভীর সমবেদনা। এমন খবর শোনা সত্যিই খুব কঠিন। হঠাৎ করে কেউ চলে গেলে জীবনে একটা শূন্যতা তৈরি হয়। আশা করি আপনি এই পরিস্থিতিতে নিজেকে সামলে নেওয়ার শক্তি পাবেন।”
উল্লেখ্য, গত বছরও প্রিয় বন্ধু ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর একইভাবে ভেঙে পড়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন। সে সময় নিজের ব্লগে বন্ধুর স্মৃতিতে তিনি লিখেছিলেন, “ধরমজি শুধু অভিনয়ের জন্যই নয়, তাঁর সরলতা এবং বিশাল হৃদয়ের জন্যও সারাজীবন জনপ্রিয় হয়ে থাকবেন।”
সেই লেখায় অমিতাভ আরও উল্লেখ করেছিলেন, “পাঞ্জাবের যে গ্রামে তিনি বড় হয়েছিলেন, সারাজীবন সেই গ্রামের মানুষের মতোই সহজ-সরল থেকেছেন। নিজের স্বভাবের দিক থেকেও তিনি ছিলেন অবিচল। তাঁর হাসি চারপাশের মানুষকে ছুঁয়ে যেত। এই পেশায় এমন মানুষ সত্যিই বিরল।”