
মনোজের শেষ বিদায়ে অমিতাভ
শেষ আপডেট: 5 April 2025 18:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কিংবদন্তি অভিনেতা মনোজকুমার গতকাল ৪ঠা এপ্রিল প্রয়াত হলেন। বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।
আজ শনিবার ৫ই এপ্রিল শেষকৃত্য হল অভিনেতার। মনোজ কুমারের পরিবারবর্গ ও ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুরা হাজির হয়েছিলেন এই অনুষ্ঠানে। যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন অমিতাভ বচ্চন ও তাঁর পুত্র অভিষেক বচ্চন। দু’জনে একই সঙ্গে উপস্থিত হয়েছিলেন মনোজ কুমারের শেষকৃত্যে।
গতকাল ৪ এপ্রিল, বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র হাজির ছিলেন বন্ধু সহকর্মী মনোজ কুমারকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে একটি ভিডিও উঠে এসেছে, যা দেখে অনেকেই চোখের জল ধরে রাখতে পারবেন না। এই ভিডিওতে শায়িত মনোজ কুমারকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁর স্ত্রী শশী। অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। শশীকে এভাবে কাঁদতে দেখে উপস্থিত অনেকের চোখেই জল আসে। মনোজের ছেলে কুণাল গোস্বামীকেও হাত জোড় করে প্রার্থনা করতে দেখা যায়। শনিবার রাষ্ট্রীয় সম্মানে মনোজ কুমারের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। তাঁকে তিরঙ্গা পতাকা মোড়ানো অবস্থায় শেষকৃত্যের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। অভিনেতার মৃতদেহ ফুল ও মালায় সজ্জিত করে অ্যাম্বুলেন্সে করে জুহুর শ্মশানঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়।
অমিতাভ বচ্চন ও মনোজ কুমার, এক সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছিলেন 'রোটি কপড়া অউর মকান' কাল্ট ছবিতে। পাওয়ার হাউস প্রোজেক্ট এই ছবির চিত্রনাট্য,পরিচালনা, প্রযোজনা করেছিলেন মনোজ কুমার নিজেই। ছবিটি আজও বারবার আলোচনায় উঠে আসে। বিজয় চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অমিতাভ। এই ছবির থেকে সেরা পরিচালকের ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছিলেন মনোজ কুমার।
View this post on Instagram
দেখা যায়, অমিতাভ বচ্চন ও চিত্রনাট্যকার সেলিম খান সৌজন্য বিনিময় করছেন। 'জঞ্জির', 'শোলে','সীতা অউর গীতা', 'দিওয়ার' একাধিক ছবির চিত্রনাট্যকার ছিলেন সেলিম খান। অমিতাভের কালজয়ী সংলাপ গুলি তাঁরই কলমে লেখা।
মনোজ কুমারের ছেলে কুণাল গোস্বামী জানান যে আগামী বছর তাঁর বাবা ৮৮ বছরে পা রাখতেন। অশীতিপর অভিনেতা এই বয়সে নাতিনাতনিদের সঙ্গেই সময় কাটাতে ভালবাসতেন। খুবই খুশি ছিলেন শেষ জীবনে। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন অভিনেতা।
১৯৫৭ সালের 'ফ্যাশন' ছবির মাধ্যেমে মনোজকুমার প্রথম জনপ্রিয়তা পান। ‘কাচ কী গুড়িয়া’ ছবি ছিল তাঁর বিগ ব্রেক। ‘পূরব পশ্চিম’, ‘ক্রান্তি’, ‘উপকার’ একাধিক হিট ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। নশ্বর দেহ ছাই হয়ে গেলেও মনোজ কুমারের অবদান ভারতীয় চলচ্চিত্রে অনস্বীকার্য।