
শেষ আপডেট: 27 April 2022 10:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুরুটা রাজামৌলিই করেছিলেন। তাঁর ‘বাহুবলী’র হাত ধরে বিপ্লব ঘটে গিয়েছিল বক্স অফিসে। দক্ষিণী ছবির হিন্দি রিমেক নতুন নয়। শুধু বলিউড নয়, বাংলাতেও স্বচ্ছন্দে টোকা হয় সাউথ ইন্ডিয়ান ফিল্ম। সে ছবি সুপারহিটের তকমাও পায় অনায়াসেই। তবে একটা আদ্যোপান্ত দক্ষিণী ছবি একার দমে সারা দেশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, এই ছবি প্রথম দেখিয়েছিল বাহুবলী, আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে ‘বাহুবলী ২’।
দুরন্ত অ্যাকশন, কমেডি আর রোম্যান্সের মিশেলে তারপর থেকে ভারতীয় সিনেমায় জয়যাত্রা শুরু করেছে দক্ষিণ। ‘পুষ্পা, দ্য রাইজ’, ‘আরআরআর’ থেকে শুরু করে হালের ‘কেজিএফ ২’, রমরমিয়ে ব্যবসা করছে দেশজুড়ে। জোরদার টক্কর দিচ্ছে বলিউডকে। অনিবার্য প্রশ্নটা মাথা চারা দিয়ে উঠেছে ইদানীং, বিনোদনের জগতে বলিউডের একচ্ছত্র সাম্রাজ্য কি তবে টলে গেল?
এমন প্রশ্নে মোটেই খুশি নন অভিষেক বচ্চন (Abhishek Bacchan)। তাঁর সাফ জবাব, কোথাও কোনও রেষারেষি নেই। আসলে জিতছে সিনেমা। বলি হোক বা টলি, মন ভরে বিনোদনকে আপন করে নিচ্ছেন মানুষ। আখেরে লক্ষ্মীলাভ হচ্ছে সিনেমা জগতের।
আঞ্চলিক ভাষার ছবি দিন দিন যেভাবে বক্স অফিসে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে তা থেকে উঠে এসেছে প্যান ইন্ডিয়া ফিল্ম নামের শব্দটি। একটি সাক্ষাৎকারে অভিষেক বলেছেন, আমি এই ধরনের শব্দবন্ধে বিশ্বাসই করি না। আমরা সিনেমা ভালবাসি, সেটা কোন ভাষায় তৈরি করা হচ্ছে তা দেখার তো দরকার নেই।
অভিষেককে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল বলিউডের এই মুখ থুবড়ে পড়ার কারণ কী? হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কি কেউ ভাল প্লট পাচ্ছে না? অভিষেক উত্তরে জানান, এমন প্রচুর হিন্দি ছবি রয়েছে যেগুলি সাউথেও রিমেক করা হয়। আমরা সকলেই আসলে ভারতীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একটা অংশ। একটাই ইন্ডাস্ট্রিতে আমরা সকলে রয়েছি, ভাষাটাই কেবল আলাদা আলাদা। এখানে যে কোনও ভাষায় তৈরি ছবি অন্য ভাষায় রিমেক করা যেতে পারে, তা করা হয়েও থাকে। এখানে কোনও ভাগাভাগি করা ঠিক নয়।
বলিউডের সঙ্গে সাউথের সংঘর্ষের প্রসঙ্গ এড়িয়ে না গিয়ে সোজা হাতেই ব্যাট চালালেন অভিষেক। ভেদাভেদ ভুলে আপন করে নিলেন বিনোদনকে।
দু’দশক পরে বড়পর্দায় ফিরছেন টুইঙ্কল খান্না! নিজের লেখা গল্পে নিজেই করবেন অভিনয়