যৌন হেনস্থার শিকার হন আমির খানের মেয়ে ইরা! নিজেই বললেন ১৪ বছর বয়সের সেই ঘটনা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমির খানের মেয়ে ইরা খান নিজে মুখেই জানালেন তিনি মাত্র ১৪ বছর বয়সে যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন। একদিন আগে ইনস্টাগ্রামে নিজে একটি দশ মিনিটের ভিডিও পোস্ট করে ঘটনাটি ব্যাখ্যা করেন তিনি। ইরা নিজে মুখেই বলেন এই ঘটনাটা ঘটার পর
শেষ আপডেট: 3 November 2020 08:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমির খানের মেয়ে ইরা খান নিজে মুখেই জানালেন তিনি মাত্র ১৪ বছর বয়সে যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন। একদিন আগে ইনস্টাগ্রামে নিজে একটি দশ মিনিটের ভিডিও পোস্ট করে ঘটনাটি ব্যাখ্যা করেন তিনি। ইরা নিজে মুখেই বলেন এই ঘটনাটা ঘটার পর সেই কথা তিনি নিজের মুখে তাঁর বাবা আমির খান ও মা রিনা দত্ত কাউকেই বর্ণনা করতে পারেন নি। বহুদিন পর নিজে ইমেল মারফত সে কথা পরিবারকে জানান।
এতটাই ছোট ছিলেন যে ঘটনাটা বুঝতেই একবছর সময় লাগে ইরার। সে বুঝতে পারেনি কেন তারা এমনটা করছিল। এক বছর পর বুঝতে পেরেছিলেন, তারা ইচ্ছাকৃত ভাবে করেছিল, এমনকি জেনে বুঝেই করেছিল। অপারগ ছিলেন বলেই আটকাতেও পারেননি সেই সময়। এমনটাই জানান ইরা।
"না। আমি ভয় পাইনি। আমি খুব ছোট ছিলাম বলেই বুঝতে পারিনি। আমি ভুলে যেতে চেয়েছি জীবনের সেই সময়টার কথা। আমি সরে গেছি। ভয় পাই না এখন আর। তবে খারাপ লাগা আছে। যখন ১৮, ১৯ বছরের ছিলাম, সেই সময়ের মতো আজও খারাপ লাগে।"-- ইরা বলছেন ভিডিওতে। গত কয়েক সপ্তাহ আগেই ওয়ার্ল্ড মেন্টাল হেলথ ডে'তে ইরা নিজে জানিয়েছিলেন তিনি ডিপ্রেশনের রোগী। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি লড়াই করছেন।

তবে এই বিষয়টি নিয়েও অন্যরকম মন্তব্য করতে ছাড়েননি অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। স্বভাবসুলভ ভাবে সঙ্গে সঙ্গেই সেই পোস্টটি রিপোস্ট করে লিখেছিলেন, "আমার যখন ১৬ বছর বয়স, তখন আমি যৌন হেনস্থার শিকার হই। আমার বোন অ্যাসিড আক্রমণের শিকার হন। দু'জনেই সেসময় একসঙ্গে লড়েছি। পাশে কাউকে পাইনি। তবে ইরার প্রতি সহানুভূতি রেখেই জানাচ্ছি ভাঙা পরিবারের সন্তান হলে এমনটাই হবে। এটা খুব স্বাভাবিক।"
সঙ্গে সঙ্গে ইরা যদিও উত্তর দেন। লেখেন, "আমি ভাঙা পরিবারের সন্তান নই।"
ভারতে প্রতিদিনই বহু মেয়ে যৌন হেনস্থার শিকার হন। কেউ মুখ খোলেন, কেউ সারাজীবন সেইসব ঘটনা নিজের মধ্যেই চেপে রাখেন। #মিটু আন্দোলন শুরু হবার পরেই বহু অভিনেত্রী এই নিয়ে সর্বসমক্ষে মুখ খুলেছেন। অনেক সময় তাঁদের একঘরে করে দেওয়ার চেষ্টাও করেছেন অনেকে। তবে আমির খানের মেয়েকে ইনস্টাগ্রামে এই কথা জানাতে দেখে অনেকেই চমকে গেছেন। "পাশে আছেন" এমন বার্তা যেমন ইরা পেয়েছেন, তেমনই তাঁর পোস্টের পর পরিবারকেও দোষারোপ করছেন অনেকে।