দ্য ওয়াল ব্যুরো: মনীষা কৈরালা, ইরফান খান, সোনালি বেন্দ্রের পর ক্যানসারে আক্রান্ত বলিউডের আরও এক তারকা। থ্রোট ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন পরিচালক রাকেশ রোশন। এ খবর জানা ছিল না কারও। তবে অস্ত্রোপচারের দিন সকালেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বাবার অসুস্থতার কথা শেয়ার করলেন হৃতিক রোশন।
ডুগ্গুর (হৃতিক রোশনের ডাকনাম) সঙ্গে তাঁর বাবার বন্ডিংটা একদম অন্যরকমের। সাধারণত সবাই বলেন, ছেলেরাই মায়ের নয়নের মণি হয়। আর মেয়েরা হয় 'ড্যাডিজ গার্ল'। তবে রোশন পরিবারে ব্যাপারটা খানিক উল্টো। বাবা-ছেলের জুটি এখন দারুণ জমাটি। কেরিয়ারের শুরুটাও বাবার ছবি দিয়েই করেছিলেন হৃতিক। আর বাবাই যে তাঁর আদর্শ এ কথা বহুবার বলেছেন অভিনেতা। বিভিন্ন শো এবং সাক্ষাৎকারে, কথায় কথায় বারবার হৃতিকের মুখে ঘুরে ফিরে এসেছে বাবার প্রসঙ্গ।
তবে এ বার হৃতিক জানালেন, রাকেশ কতটা সাহসী। মঙ্গলবার সকালে ইনস্টাগ্রামে ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, অপারেশনের দিনও জিম যেতে ভোলেননি তাঁর বাবা। হৃতিক লেখেন, "জানতাম আজও বাবা জিমে যাবেনই। তাই সকালেই বলেছিলাম ছবি তোলার কথা।" এর পাশাপাশি হৃতিক জানিয়েছেন, তাঁর চোখে দেখা সবচেয়ে স্ট্রং মানুষ রাকেশ রোশন। তিনি বলেন, "পরিবারে এমন এক জন লিডারকে পেয়ে আমরা ভাগ্যবান।"
https://www.instagram.com/p/BsW-YxsnUtI/
হৃতিক জানিয়েছেন, "কয়েক সপ্তাহ আগেই বাবার গলায় স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা (ফার্স্ট স্টেজ) ধরা পড়েছে। কিন্তু এই খবর শোনার পরেও একটুও ভেঙে পরেননি বাবা। স্পিরিট হারাননি। বরং ওঁর কনফিডেন্স দেখে বোঝাই যাচ্ছে, যুদ্ধের জন্য উনি প্রস্তুত।"
১৯৭০ সালে 'ঘর ঘর কি কাহানি' দিয়েই বলিউডি কেরিয়ার শুরু হয় রাকেশ রোশনের। অসংখ্য হিট ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য 'খুবসুরত', 'বুনিয়াদ', 'ভগবান দাদা' ও আরও অনেক ছবি। ১৯৮৭ সালে 'খুদগর্জ' ছবি দিয়েই পরিচালক হিসেবে বি-টাউনে ডেবিউ হয় তাঁর। 'খুন ভরি মাঙ্গ', 'কিং আঙ্কল', 'কোয়েলা', 'করণ অর্জুন'-এর মতো সিনেমা পরিচালনা করেছেন তিনি। ২০০১ সালে 'কহো না প্যায়র হ্যায়' ছবিতে হৃতিককে লঞ্চ করেন রাকেশ রোশন। ব্লকবাস্টার হিট এই ছবির পর 'কোই মিল গয়া' এবং 'কৃষ' সিরিজও বানিয়েছেন তিনি।