
জয়েন্ট-এন্ট্রান্স টপার নীলকৃষ্ণ গাজারে।
শেষ আপডেট: 25 April 2024 14:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তাঁর লক্ষ্য এখন জয়েন্ট অ্যাডভান্স। জয়েন্ট-এন্ট্রেন্সে প্রথম স্থান দখল করে ফেলেছেন আগেই। বম্বে আইআইটিতে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে ভর্তি হতে চান নীলকৃষ্ণ গাজারে। তার জন্য আরও কঠিন পরিশ্রম ও প্রস্তুতি দরকার। জয়েন্টের কৃতী ছাত্র বলছেন, কীভাবে জয়েন্ট অ্যাডভান্সে দুর্দান্ত ব়্যাঙ্ক করে আইআইটিতে চান্স পেতে পারেন ছাত্রছাত্রীরা।
এ বছর জয়েন্ট মেইন পরীক্ষার রেজাল্ট বেরিয়ে গেছে। তাতে প্রথম হয়েছেন নাগপুরের নীলকৃষ্ণ গাজারে। কৃষক পরিবারের ছেলে নীলকৃষ্ণ। বাবা চাষবাস করে সংসার চালান। পরিবারে অভাব আছে, তবে তা পড়াশোনায় বাধা হয়নি কখনও। বোর্ড পরীক্ষায় বরাবরই স্কুলে প্রথম স্থানে থেকেছেন। দশমের পরীক্ষায় ৯৭ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন নীলকৃষ্ণ। মেধাবী ছাত্রটির প্রশংসা সবসময়েই করেন শিক্ষকরা।
নীলকৃষ্ণ বলছেন, তাঁর লক্ষ্যই ছিল ইঞ্জিনিয়ারিং। দ্বাদশের পরীক্ষার প্রস্তুতির সময়েই জয়েন্টের প্রস্তুতি শুরু করে দেন তিনি। সবসময়ে টেস্ট পেপার সলভ করার চেষ্টা করতেন। যে বিষয়গুলোতে দুর্বলতা রয়েছে সেগুলো বেশি করে নজর দিয়েছেন সব সময়। গত ১০ বছরের প্রশ্নপত্র সলভ করেছেন। রিভিশন কেরছেন বারবার। ঘড়ি ধরে পরীক্ষা দিয়েছেন। নিজের মূল্যায়ণ করেছেন নিজেই।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়া মুখস্থ করলেই হবে না, তার অভ্যাসও দরকার, বলছেন নীলকৃষ্ণ। আইআইটিতে সুযোগ পেতে ইচ্ছুক যাঁরা তাঁদের জন্য নীলকৃষ্ণের টিপস, “পড়া ফেলে রাখলে হবে না। রোজকার পড়া রোজ করতে হবে। যেটা আজকের পড়া, সেটা আজই করেছি। কাল করব বলে ফেলে রাখিনি। একই প্রশ্নপত্র ঘড়ি ধরে বার বার অভ্যাস করেছি। দুর্বল বিষয়গুলোতে বেশি ফোকাস দিয়েছি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ে যাওয়ার থেকে পরীক্ষা দেওয়ার অভ্যাস করা বেশি জরুরি। তাতে ভুলগুলো সহজেই ধরা পড়ে। কোথায় খামতি সেটা বোঝা যায়। পড়ার পাশাপাশি রিভিশনও জরুরি।”
আইআইটি বম্বেতে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়তে চান নীলকৃষ্ণ। জয়েন্ট অ্যাডভান্সের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। এই কঠিন পরীক্ষাও উতরে যাবেন বলেই আত্মবিশ্বাসী তিনি।