
শেষ আপডেট: 13 January 2025 18:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তাঁর নামই আসল সমস্যা। যে কারণে সচিন তেন্ডুলকরের ছেলে অর্জুন তেন্ডুলকরকে ট্রেনিংয়ের জন্য এসেও ফিরে যেতে হয়। ইউটিউবে অতিসম্প্রতি সম্প্রচারিত হয়েছে একটি পডকাস্ট। যেখানে নিজের অ্যাকাডেমি এবং আগামি দিনের ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বলতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন যুবরাজ সিংয়ের বাবা যোগরাজ সিং।
উল্লেখ্য, এই ইন্টারভিউতেই একাধিক বিতর্কিত বিষয়ে ঠোঁটকাটা মতামত রেখেছেন যোগরাজ। হরিয়ানার রঞ্জি দল থেকে তাঁকে অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়ার প্রতিশোধ নিতে তিনি নাকি একবার পিস্তল হাতে অধিনায়ক কপিল দেবের বাড়িতে চড়াও হয়েছিলেন। কিংবা তাঁর ক্যানসারজয়ী পুত্র যুবরাজ যদি খেলতে খেলতে মারা যাওয়ার আগে দেশকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে যেতেন, তাহলেও একজন ‘গর্বিত পিতা’ হিসেবে তিনি আত্মশ্লাঘা অনুভব করতেন! এমনই বিতর্কিত মন্তব্যের ভিড়ে নয়া সংযোজন সচিন-পুত্রকে নিয়ে করা এই বক্তব্য।
যোগরাজ কথাপ্রসঙ্গে বলেন, অর্জুন তেন্ডুলকর ২০২২ সালে মোটে ১২ দিনের জন্য তাঁর অ্যাকাডেমিতে এসেছিলেন। এই অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি রঞ্জিতে একটি শতরান হাঁকান, মুম্বইয়ের আইপিএল দলে জায়গা করে নেন। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে ঠিক তারপরেই আসা বন্ধ করে দেন তরুণ অলরাউন্ডার।
এই নিয়ে যোগরাজের ব্যাখ্যা, ‘যখন ও অভিষেকেই শতরান করল এবং আইপিএলে ডাক পেল, তখন সবাই ভয় পেল, অর্জুনের নাম বুঝি আমার নামের সঙ্গে জুড়ে যায়। আমি তারপর যুবরাজকে বলি, ও যেন সচিনকে ফোন করে এবং অন্তত এক বছরের জন্য ওর ছেলেকে আমার কাছে পাঠায়। দেখা যাক তারপর কী হয়।‘ অর্থাৎ, যুবরাজ-পিতা তাঁকে একঘরে করে রাখার পেছনে সরাসরি ষড়যন্ত্রের তত্ত্বকে এখানে খাঁড়া করেছেন।
উল্লেখ্য, এই অভিযোগ নতুন নয়। দেশের হয়ে একটি টেস্ট এবং খান ছয়েক একদিনের ক্রিকেট খেলা যোগরাজ বহুবার বলে এসেছেন, তাঁকে অন্যায়ভাবে চক্রান্ত করে দলের বাইরে রাখা হয়েছিল। খেলোয়াড় জীবন শেষ হওয়ার পর তিনি চণ্ডীগড়ে একটি অ্যাকাডেমি চালু করেন। এখনও সেখানেই ট্রেনার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন যোগরাজ।