Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?

২০০৩ বিশ্বকাপে কীভাবে শোয়েবকে জব্দ করেছিলেন শচীন? পুরনো কাসুন্দি ঘাঁটলেন সেহওয়াগ

ভারতের ইনিংস শুরু হতে না হতেই শচীনের ব্যাট গর্জে উঠেছিল।

২০০৩ বিশ্বকাপে কীভাবে শোয়েবকে জব্দ করেছিলেন শচীন? পুরনো কাসুন্দি ঘাঁটলেন সেহওয়াগ

শচীন তেন্ডুলকর বনাম শোয়েব আখতার

শেষ আপডেট: 7 September 2024 17:58

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০০৩ সালে আয়োজিত একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচটি সেঞ্চুরিয়নে আয়োজন করা হয়েছিল। ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে এই ম্যাচের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। এই ম্যাচে মাস্টার-ব্লাস্টার ৯৮ রানের যে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছিলেন, তা আজও ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকদের হৃদয়ের মণিকোঠায় উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে। 

সম্প্রতি বীরেন্দ্র সেহওয়াগ এই ম্যাচটি নিয়ে স্মৃতিচারণা করছিলেন। সেখানে তিনি একটি মজাদার ঘটনা শেয়ার করেন। কী ভাবে বিধ্বংসী পেসার শোয়েব আখতারকে জব্দ করেছিলেন শচীন, সেই গল্পটাই বললেন বীরু।

সেইসময় পাকিস্তান ক্রিকেট দলে বাঘা বাঘা পেস বোলার ছিলেন। ওয়াসিম আক্রম, ওয়াকার ইউনিস এবং শোয়েব আখতার গোটা ক্রিকেট বিশ্বে কার্যত ত্রাস সৃষ্টি করে রেখেছিলেন। এই ম্যাচের আগে শোয়েব হুঙ্কার দেন যে ভারতীয় ব্যাটিং ব্রিগেডকে তিনি চুরমার করে দিতে চান। যাইহোক, ম্যাচে পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করতে নামে। সঈদ আনোয়ারের বিধ্বংসী ব্যাটিং দৌলতে পাকিস্তান ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭৩ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর খাড়া করে। তবে শচীনের প্ল্যান একেবারে আলাদা ছিল।

স্টার স্পোর্টসকে দেওয়া একটি ইন্টারভিউয়ে সেহওয়াগ বললেন, 'শোয়েব আখতার হুঙ্কার দিয়েছিল যে আমার টপ ব্যাটিং অর্ডারকে ও নাকি ছারখার করে দেবে। এই মন্তব্যের যোগ্য জবাব সচিন দিয়েছিলেন। আমরা আখতারকে বিশেষ পাত্তাই দিইনি। আর শচীনের ব্যাট গর্জে উঠেছিল।'

ভারতের ইনিংস শুরু হতে না হতেই শচীনের ব্যাট গর্জে উঠেছিল। প্রথম ওভারেই শোয়েব ১৮ রান দিয়েছিলেন। তিনটে বলে পরপর সচিন ৬, ৪, ৪ হাঁকান। তারপরই শোয়েবের যাবতীয় আত্মবিশ্বাস মাটিতে মিশে যায়। এই ম্যাচে সচিন ৭৫ বলে ৯৮ রান করেছিলেন। একদিনের ক্রিকেটে এটা অন্যতম সেরা ইনিংস হিসেবে বিবেচিত হয়।

সঙ্গে নজফগড়ের নবাব আরও যোগ করেন, সেঞ্চুরির মুখে দাঁড়িয়ে শচীনের পদস্খলন হয়েছিল। সেকারণে শচীনের ভাগের রানটা তাঁকেই করতে হয়। সেহওয়াগ বললেন, 'শাহিদ আফ্রিদি ক্রমাগত শচীনের মনোসংযোগ নষ্ঠ করার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু, সচিন শুধুমাত্র খেলার উপরেই মনোনিবেশ করেন। উনি খুব ভালো করেই জানতেন যে ক্রিজে যে কোনও মূল্যে টিকে থাকতে হবে।'

তবে এই ম্যাচের সবথেকে স্মরণীয় মূহূর্ত হল, শোয়েবের একটি ডেলিভারিতে যখন শচীন আপারকাট করে ছক্কা হাঁকান। যদিও পরবর্তীকালে সেই আখতারের বলেই তাঁকে ৯৮ রানে আউট হয়ে যান। তবে যুবরাজ সিং (৫০*) এবং রাহুল দ্রাবিড়ের (৪৪*) ব্যাটিং দৌলতে ভারত এই ম্যাচে ৬ উইকেটে জয়লাভ করে।


```