
কানপুরের হোটেলে করা হয়েছে খাবারের এলাহি আয়োজন
শেষ আপডেট: 24 September 2024 15:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে কানপুরের গ্রিন পার্কে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচের আয়োজন করা হচ্ছে। এই টেস্ট সিরিজ জিততে হলে টিম ইন্ডিয়াকে এই ম্যাচটা জিততেই হবে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ এই ম্যাচটা জিতে সিরিজ ড্র করতে চাইবে।
শোনা যাচ্ছে, মঙ্গলবার রাতেই দুই দল কানপুরে চলে আসবে। ইতিমধ্যে ভারত এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে যে হোটেলে রাখা হবে সেখানে অতিথি সৎকারের সেরা বন্দোবস্ত করা হয়েছে। আয়োজন করা হয়েছে এলাহি ভূরিভোজের। কী কী খাবার থাকবে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের প্লেটে? সেই তালিকাও ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে।
প্রসঙ্গত, কানপুরের ল্যান্ডমার্ক হোটেলে ভারত এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই হোটেলে ক্রিকেটারদের বিভিন্ন রাজ্যের স্পেশাল পদ রান্না করে দেওয়া হবে। ম্যাচের প্রথম দিন পর্যন্ত ক্রিকেটারদের খাবার পরিবেশন করা হবে। সেখানে থাকবে মটন নিহারি এবং কুলচে। এছাড়া রাজস্থান, গুজরাট এবং উপকূল অঞ্চলের বিভিন্ন পদ ক্রিকেটারদের টেবিলে পরিবেশন করা হবে।
কোন ক্রিকেটার কী খেতে ভালোবাসেন, সেটা আগে থেকেই হোটেলের রাঁধুনিকে জানিয়ে দেওয়া হবে। ক্রিকেটারদের ডায়েটের কথা মাথায় রেখেই প্রত্যেকটা রান্না করা হবে। হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটাই প্রথমবার নয়। ইতিপূর্বে তারা ক্রিকেটারদের জন্য বিভিন্ন পদ রান্না করেছে। ফলে কোন ক্রিকেটার কী খেতে ভালবাসেন, সেটা তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন।
ল্যান্ডমার্ক হোটেলের শ্যেফ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শুধুমাত্র ক্রিকেটারই নয়, ধারাভাষ্যকারদের জন্যও মনপসন্দ খাবারের আয়োজন করা হচ্ছে। কানপুরের স্পেশাল বিরিয়ানির পাশাপাশি তাঁদের আরও বেশ কয়েকটি সুস্বাদু পদ পরিবেশন করা হবে। মুরলি কার্তিক এবং হর্ষ ভোগলের মেনু একেবারে নিরামিশ থাকবে। তাঁদের মকাইয়ের রুটি এবং সর্ষে শাক দেওয়া হবে। সঙ্গে থাকবে চকোলেট কেক। অন্যদিকে রবি শাস্ত্রীর জন্য থাকবে ভেজ নিহারি, রেশমি কাবাব এবং রায়তা। কমেন্টেটর দীপ দাশগুপ্তর জন্য থাকছে স্পেশাল আম কুলফি, চিকেন নুরজাহানি, কিমা ভেজা এবং স্টিউ। বাংলাদেশের কমেন্টেটর আতহার আলি এবং তামিম ইকবালের জন্য কানপুরিয়া বিরিয়ানির পাশাপাশি শাহি ফিরনি এবং নুরজাহানি কোফতা রাখা হয়েছে।
এই হোটেলে ক্রিকেটারদের ভিন্ন রাজ্যের স্পেশাল মেনুর পাশাপাশি কানপুরের মটন নিহারি, খামিরি রুটি, নিউজিল্যান্ডের ল্যাম্ব চাপ, নরওয়ের সলমন ফিশ পরিবেশন করা হবে। তবে দুই দলের ক্রিকেটারদের কাউকেই দুগ্ধজাত কোনও দ্রব্য কিংবা মিষ্টি দেওয়া হবে না। ময়দা, তেল এবং মশলাযুক্ত কোনও খাবারও ক্রিকেটারদের দেওয়া হবে না। মেনুতে প্রতিটা খাবারই হাই প্রোটিনযুক্ত হবে। প্রত্যেক ক্রিকেটারদের ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে।