এখানেই থামেননি গাভাসকর। মনে করিয়ে দেন, লর্ডস টেস্টের পরে স্টোকসের বক্তব্য। যিনি বলেছিলেন, ‘আমরা ৬০০ রান পেলেও তাড়া করতাম!’

সুনীল গাভাসকর
শেষ আপডেট: 28 July 2025 19:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চতুর্থ টেস্ট ড্র করার পর ম্যাচের ফলাফলের চাইতেও চর্চায় ইংরেজ শিবিরের আচরণ। বিশেষ করে অধিনায়ক বেন স্টোকসের বেশ কিছু সিদ্ধান্ত ও বক্তব্য। প্রথমত, ড্রয়ের প্রস্তাব হাতে নিজেই এগিয়ে গিয়েছেন। তারপর রবীন্দ্র জাদেজা তা নাকচ করামাত্র বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন ইংরেজ দলনেতা।
স্টোকসের এহেন আচরণের আড়ালে কি নেহাতই হতাশা? নাকি দুই লোয়ার মিডল অর্ডারের ব্যাটারকে সেঞ্চুরি হাঁকাতে দেখার ক্ষুদ্র ঈর্ষা? প্রশ্ন উঠেছে।
যদিও তাতে কান না দিয়ে ইংল্যান্ড শিবিরকে চাঁচাছোলা আক্রমণ হেনেছেন সুনীল গাভাসকর। তাঁর সওয়াল, ‘তোমরা তো বলেছিলে, ভারত ভয় পেয়ে ৬০০ তুলেছিল। এবার কেন ৩১১ রানের লিড নিলে? কেন ২৪০ কি ২৫০ রানে থামলে না?’ স্পষ্টত প্রশ্নের কেন্দ্রে অধিনায়ক বেন স্টোকস।
এরপর জবাবের অপেক্ষা না করেই গাভাসকরের ব্যাখ্যা, ‘স্টোকসের সেঞ্চুরির পরই ইনিংস ডিক্লেয়ার করলে ওদের পেসাররা এক ঘণ্টা বেশি সময় পেত ভারতকে আক্রমণ করার। তাহলে করলে না কেন? যদি সত্যিই হিম্মৎ থাকে, তবে সেই সময়েই কেন থামলে না?’
এখানেই থামেননি গাভাসকর। মনে করিয়ে দেন, লর্ডস টেস্টের পরে স্টোকসের বক্তব্য। যিনি বলেছিলেন, ‘আমরা ৬০০ রান পেলেও তাড়া করতাম!’ সেই স্মৃতি উস্কে সুনীলের কটাক্ষ, ‘তাহলে এবার ২৬৪ রানেই কেন আটকে গেলে? এটাই সাহসিকতার বুলি?’
তারপর শুভমানকে টেনে তিনি বলেন, ‘আমি চাই গিল ওকে (স্টোকসকে) গিয়ে জিজ্ঞেস করুক—তুমি কেন সেই সময়ই ইনিংস ঘোষণা করোনি? তুমি তো বলেছিলে, কোনও লক্ষ্যই বড় নয়!’ পরে জুড়ে দেন, ‘গিল এটা বলবে না। কিন্তু আমি সুনীল গাভাসকর। আমি বলবই!’
তাঁর মতে, এই ড্র ভারতের জন্য নিছকই হার বাঁচানো নয়, একরকম জয়। বলেন, ‘পাঁচ সেশন ব্যাট করে মাত্র চার উইকেট খোয়ানো মুখের কথা নয়। এখানেই বোঝা যায়, দলের ভিত কতটা শক্ত। চাপের মুখে যেভাবে সবাই দাঁড়িয়ে গেল, সেটা বড় দলের লক্ষণ!’