
শেষ আপডেট: 5 December 2023 20:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রজেক্টের নামটি ভারী সুন্দর, ড্রিম গুরুকূল। কেন এই নামকরণ? জৈন গ্রুপের কর্ণধাররা অনুষ্ঠানে জানালেন, এই আবাসনের বাসিন্দারা থাকবেন গুরুর ছত্রছায়ায়। নৃত্যকলায় পরামর্শদাতার কাজ করবেন মমতা শঙ্কর, গানের তালিম চলবে পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর তত্ত্বাবধানে। চারুকলার কাজটি করবেন নামী শিল্পী শুভাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য।
জৈন গ্রুপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর পদ্মশ্রী বাইচুং ভুটিয়া। তিনি মঙ্গলবার দুপুরে মধ্য কলকাতার নামী হোটেলের অনুষ্ঠানে ছিলেন না। কিন্তু আয়োজকদের পক্ষ থেকে জৈন গ্রুপের শীর্ষ আধিকারিক শ্রেয়স জৈন বলেছেন, বাইচুং আসতে পারেননি আজকে। কিন্তু কিংবদন্তি ফুটবলারের পরামর্শ মেনেই আমাদের আবাসনে ফুটবলারদের ট্রেনিংও দেওয়া হবে।
মধ্যমগ্রামেই হবে এই শান্তির নীড়। যে আবাসনে বাচ্চাদের শৈশবকে বাঁচিয়ে রাখার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে সঙ্গীত বিশারদ অজয় চক্রবর্তী জানালেন, মোবাইলের কুপ্রভাবে শৈশব বেশি পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কেউ কারও সঙ্গে কথা বলে না। খেলার জায়গা নেই, বন্ধুর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। সারাক্ষণ বসে রয়েছে মোবাইলে বুঁদ হয়ে। জৈন গ্রুপের প্রয়াস এখানেই মহৎ, কারণ এখানে গুরুর ছায়ায় বেড়ে উঠবে সবাই। প্রাণ ভরে শ্বাস নিতে পারবে।
বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী মমতা শঙ্করের মুক্তধারা অ্যাকাডেমি যুক্ত থাকবে এই গ্রুপের সঙ্গে। পাশাপাশি অজয় চক্রবর্তীর শ্রুতিনন্দনের ছাত্রছাত্রীদেরও কাজে লাগানো হবে এখানে গান শেখানোর কাজে। একইভাবে শুভাপ্রসন্নর চিত্রকলার আঁচও থাকবে এই স্বপ্নের প্রজেক্টে।
প্রসঙ্গত, জৈন গ্রুপের সারা দেশে মোট হোটেল রয়েছে ৬০০টির মতো। তাদের আবাসন প্রজেক্ট বিস্তার করেছে শিলিগুড়ি, দুর্গাপুরেও।