
গোদরেজ কোম্পানির বর্তমান মালিকরা। ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 1 May 2024 12:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১২৭ বছরের প্রাচীন গোদরেজ কোম্পানি ভেঙে যাচ্ছে। সাবান থেকে গার্হস্থ্য সামগ্রী, রিয়েল এস্টেট থেকে প্রসাধনী, প্রক্রিয়াকরণ খাদ্য সব ক্ষেত্রেই একটি বিশ্বস্ত নাম ছিল গোদরেজ। সেই কোম্পানির ৫৯ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি বাঁটোয়ারা হওয়ার পথে। এ নিয়ে একটি চুক্তিও সম্পাদিত হয়ে গিয়েছে।
আদি গোদরেজ এবং তাঁর ভাই নাদিরের হাতে থাকছে গোদরেজ ইন্ডাস্ট্রি। যার হাতে রয়েছে পাঁচটি তালিকাভুক্ত কোম্পানি। সম্পর্কিত ভাইবোন জামশেদ এবং স্মিতার হাতে থাকছে তালিকা বহির্ভূত গোদরেজ অ্যান্ড বয়েস এবং তার অধীনস্থ ল্যান্ড ব্যাঙ্ক অর্থাৎ মুম্বইয়ের অভিজাত এলাকার জমি ও সম্পত্তি।
প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের মোট সম্পত্তি দুই ভাগে বাঁটোয়ারা হয়েছে। ৮২ বছরের আদি গোদরেজ এবং তাঁর ভাই ৭৩ বছরের নাদির একদিকে রয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁদের তুতো ভাই-বোন ৭৫ বছরের জামশেদ গোদরেজ এবং ৭৪ বছরের স্মিতা গোদরেজ কৃষ্ণা রয়েছেন। গোদরেজ গোষ্ঠীর তরফে এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
গোদরেজ এন্টারপ্রাইজেস গ্রুপের চেয়ারপার্সন এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর হচ্ছেন জামশেদ গোদরেজ। যে কোম্পানির হাতে রয়েছে গোদরেজ অ্যান্ড বয়েস এবং তার স্বীকৃত অসংখ্য শিল্প। প্রতিরক্ষা বিমান পরিবহণ থেকে আসবাবপত্র, ইন্টেরিয়ার ডেকোরেশন এবং আইটি সফটওয়্যার। স্মিতার কন্যা ৪২ বছরের নাইরিকা হোলকর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হচ্ছেন।
এই পরিবারের হাতে মুম্বইয়ের অভিজাত এলাকায় ৩৪০০ একর ল্যান্ড ব্যাঙ্ক রয়েছে। গোদরেজ ইন্ডাস্ট্রিজ গ্রুপের হাতে থাকছে গোদরেজ ইন্ডাস্ট্রিজ, গোদরেজ কনজিউমার প্রোডাক্ট, গোদরেজ প্রপার্টিজ, গোদরেজ অ্যাগ্রোভেট এবং অ্যাসটেক লাইফসায়েন্সেস। এগুলির চেয়ারপার্সন হচ্ছে নাদির গোদরেজ। নিয়ন্ত্রক কর্তা হিসেবে থাকবেন আদি গোদরেজ।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আদি-পুত্র ৪২ বছরের পিরোজশা গোদরেজ জিআইজির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান হচ্ছেন। ২০২৬ সালে তিনি চেয়ারপার্সন হিসেবে যোগ দেবেন। সম্পত্তির বিভাজনকে সর্বসম্মতিক্রমে বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে হয়েছে বলে জানিয়েছে গোদরেজ কোম্পানি। দুটি গোষ্ঠী গোদরেজ ব্র্যান্ড নেম ব্যবহার করতে পারবে বলে আপসে ঠিক হয়েছে। ভাগবাঁটোয়ারার পর দুই পক্ষই অন্য কোম্পানি থেকে ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন।