
বাংলাদেশের শীর্ষ আদালত।
শেষ আপডেট: 6 August 2024 16:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অশান্ত বাংলাদেশ। তারই জেরে আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।
এর আগে সোমবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, নিম্ন আদালতে মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক নিয়মে কার্যক্রম চলবে। সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগও বুধবার থেকে শুরু হওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল। তবে মঙ্গলবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের নযা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মনে করা হচ্ছে, যেভাবে বাংলাদেশে ক্রমেই হিংসার পরিস্থিতি বাড়ছে তাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, কোটা বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত কয়েক মাস ধরেই উত্তপ্ত ছিল বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে কোটা বাতিলের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এরপরে আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হলেও প্রধানমন্ত্রী হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে ফের আন্দোলনে নামে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষনেতৃত্ব।
গত শনিবার থেকে নতুন করে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়। যার জেরে সোমবার দুপুরে রাষ্ট্রপতির কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিয়ে বিশেষ বিমানে দেশ ছেড়ে পালান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর বোন। মনে করা হয়েছিল, এরপর পরিস্থিতি হয়তো শান্ত হবে। যে কারণে, সোমবার রাতে শীর্ষ আদালতের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ফের আদালত চালু করার কথা জানানো হয়েছিল।
বস্তুত, অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির জেরে এর আগে গত রবিবার রাতে এক বিবৃতিতে রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমেদ জানিয়েছিলেন, সোমবার থেকে বাংলাদেশের সুপ্রিমকোর্ট ও হাইকোর্ট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে এও বলা হয়, দেশের বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ৫ অগস্ট (সোমবার) থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের নিম্ন আদালত এবং ট্রাইব্যুনালের সব বিচারিত কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে দেশের প্রধান বিচারপতি যেকোনও আদালত ও ট্রাইব্যুনালকে বিচারকার্য পরিচালনার আদেশ দেবেন। পরে সেই সিদ্ধান্ত বদলেও ফের আগামী ৪৮ ঘণ্টা আদালত বন্ধ রাখার কথা জানানো হল।