
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 25 November 2024 18:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিন কলেজের ছাত্রদের মধ্যে দু'দিন ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চললেও তা বন্ধ করতে পারেনি পুলিশ ও সেনার যৌথ বাহিনী। সংঘর্ষের জেরে আহত বহু ছাত্র।
ঢাকার যাত্রাবাড়ি এলাকায় ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের ওই তিন ছাত্রকে ক্যাম্পাসে পিটিয়ে মারে শহিদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ এবং ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা। আহত ছাত্রদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাধা দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় রক্তাক্ত অবস্থায় তারা রাস্তায় পড়ে ছিল।
সেই সঙ্গে ওই কলেজে ব্যাপক লুঠপাট চালায় দুই কলেজের ছাত্ররা। তারা ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের কম্পিউটার, ফ্যান, বাতি, এমনকী টয়লেটের সামগ্রীও লুট করে নিয়ে যায়। একদল ছাত্র যখন ভাঙচুর, মারধরে ব্যস্ত তখন আর এক দল নাচ গান করে। যে ঘটনা ৫ অগাস্ট গণভবনে হামলা, লুঠপাটের দৃশ্য মনে করিয়ে দিয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত রবিবার ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের এক ছাত্রের ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে। অভিযোগ, বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের ছাত্ররা।
গোটা ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দু'দিন ধরে চলা গোলমাল কেন নিরাপত্তা বাহিনী থামাতে পারল না সেই প্রশ্ন উঠেছে। সোমবার বিকালে প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের প্রেস সচিব শফিকুল ইসলাম সাংবাদিক বৈঠক করে ছাত্রদের সংযত হওয়ার আহ্বান জানান।
শুধু ছাত্র সংঘর্ষ নয়, গত কয়েকদিনে একাধিক ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা এবং সরকারের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। শুক্রবার দুপুর থেকে রবিবার রাত পর্যন্ত ঢাকা থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশের দুটি বহুল প্রচারিত সংবাদপত্র প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারের দফতর ঘিরে নমাজ পাঠ, গো হত্যার ঘটনা ঘটে। ভারতের দালাল তকমা দিয়ে হামলার হুমকি দেওয়া হয়।