
মসজিদে ধুন্ধুমার
শেষ আপডেট: 20 September 2024 18:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঢাকায় বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে শুক্রবার জুম্মার নমাজ পড়াকে কেন্দ্র করে মুসলিমদের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। দু-পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। পুলিশ আগে থেকে থাকলেও তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি। সেনা বাহিনী এসে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনে। মসজিদ সেনা বাহিনী ঘিরে রেখেছে। সংঘর্ষের কারণে জুম্মার নমাজ পাঠ বিঘ্নিত হয়। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ফের নমাজ পাঠ করা হয়।
ঘটনার সুত্রপাত শুক্রবার দুপুরে জুম্মার নমাজ পাঠের শুরুতে আগের ও বর্তমান খতিব অর্থাৎ জুম্মার নমাজ পড়ানোর দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমামদের মধ্যে বিবাদের কারণে। শুক্রবার নমাজ পাঠ করাচ্ছিলেন বর্তমান খতিব মুফতি ওয়ালিয়ুর রহমান খান। এই সময় আগের খতিব রুহুল আমিন প্রায় শ-চারেক অনুগামী নিয়ে হাজির হয়ে মাইক্রোফোনের দখল নেন। এরপরই দু-পক্ষের মধ্যে তুমুল মারামারি শুরু হয়।
ঢাকার এই মসজিদটি জাতীয় মসজিদ হিসাবে স্বীকৃত। সেটি ধর্ম মন্ত্রনালয়ের হয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেখভাল করে। ৫ অগাস্ট গণ অভ্যুত্থানের পর পর তৎকালীন খতিব রুহুল আমিন আসা বন্ধ করে দেন। তিনি আগের সরকারের নিয়োজিত ইমাম হওয়ায় চাপ ও ভয়ে মসজিদ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। ইসলামিক ফাউন্সেশন নতুন খতিব নিযুক্ত করে।
আগের খতিব আওয়ামী লিগ পন্থী বলে অভিযোগ করেন বর্তমান খতিবের অনুগামীরা। সংঘষ থামার পর নমাজ শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বহু প্রার্থনাকারী মাইকে স্লোগান দেয়, ‘একটা একটা লিগ (আওয়ামী লিগ) ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর।’
দুপুরে হওয়া সংঘর্ষের মোকাবিলা পুলিশ সেনা বাহিনী তলব করে। সেনা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পর মসজিদ ঘিরে রেখেছে।