
গ্রাফিক্স। শুভ্র শর্ভিন।
শেষ আপডেট: 14 December 2024 14:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নতুন আলু কেজি প্রতি ৯০, পুরনো আলু ১১০ থেকে ১২০! পিঁয়াজ-১২৫, ক্যাপসিকাম ৩০০! টমেটো ১৩০! দু'জোড়া ডিমের দাম ৫০ টাকা! কেজি প্রতি বিট ২২০ টাকা! এমনকী বরবটিও সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে।
বাংলাদেশের বাজারগুলিতে সবজির দাম শুনলে আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হওয়ার জোগাড়! দামের দাপটে বাজার করতে গিয়ে কার্যত খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে আমজনতাকে। অথচ মাস খানেক আগেও বাংলাদেশের বাজারে কেজি প্রতি আলুর দাম ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা।
অভিযোগ, দিকে দিকে হিংসার পরিবেশের জেরে জনজীবন ব্যাহত হচ্ছেই। তার ওপর দাম নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের কোনও পদক্ষেপ নেই। পরিবর্তে বাজারের আগুন পরিস্থিতির দিক থেকে নজর ঘোরাতে পরিকল্পিতভাবেই হিংসার পরিবেশ জিইয়ে রাখা হচ্ছে।
কোটা বিরোধী আন্দোলনের জেরে গত অগস্টে বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। তবে শান্তি ফেরেনি। বরং সেদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর ধারাহিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
এমনকী সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওয় বাংলাদেশে ভারতের জাতীয় পতাকা অবমাননার ছবিও সামনে এসেছে। তার প্রভাব পড়েছে দু'দেশের সম্পর্কে। রফতানি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়াও দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে নাস্তানাবুদ হাল সাধারণ আমজনতার। তাঁদের কথায়, যেভাবে হু হু করে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে তাতে সরকার এখনই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে মানুষকে না খেতে পেয়ে মরতে হবে। কারণ, ৯০ টাকা কেজি আলু কেনার ক্ষমতা নেই অধিকাংশ মানুষেরই।
পরিস্থিতির জন্য অবশ্য ইউনুসের সরকারকেই দায়ী করছে ওয়াকিবহাল মহল। তাঁদের মতে, অকারণে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করেছে বাংলাদেশ। এমনকী এখনও সম্পর্ক উন্নতির বিষয়ে সেদেশের সরকারের বিশেষ কোনও হেলদোল দেখা যাচ্ছে না। ফলে পাকিস্তানে যেমন আটার জন্য মানুষকে এখন হাহাকার করতে দেখা যাচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বাংলাদেশেও।