
প্রতীকী চিত্র
শেষ আপডেট: 20 November 2024 09:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আগামী মাসে বিদেশ সচিব পর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ঢাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রকে বুধবার এই ব্যাপারে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডেকেছেন সে দেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। অন্যদিকে, নয়াদিল্লিও বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তুতি শুরু করেছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এই প্রথম দুই দেশের বৈঠক হতে যাচ্ছে। তবে বৈঠকের স্থান এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
বৈঠকে বাংলাদেশ শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে সরব হতে পারে ধরে নিয়ে নিজেদের অবস্থান চূড়ান্ত করছে ভারত। তিনদিন আগে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, আগামী মাসের আলোচনায় হাসিনার প্রত্যপর্ণ নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনার দাবি জানাবে বাংলাদেশ। ভারত ও বাংলাদেশের বিদেশ সচিব যথাক্রমে বিক্রম মিশ্রি ও জসিম উদ্দীন বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন।
বৈঠকে দু-দেশের অমীমাংসিত ইস্যুগুলি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি উঠতে পারে ভিসা প্রসঙ্গ। ৫ অগাস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত সরকার বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়াতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। জরুরি মেডিক্যাল ভিসাই শুধু ইস্যু করা হচ্ছে। বাংলাদেশ চাইছে নয়াদিল্লি দ্রুত ভিসা ব্যবস্থা স্বাভাবিক করুক।
অন্যদিকে, হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলদেশে ভারতের প্রকল্পগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত ভারত। প্রকল্পগুলি পুনরায় চালু করার আগে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে ভারতীয়দের নিরাপত্তার গ্যারান্টি চায় নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়েও সরব হবে ভারত।
হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের মতে, দু-দেশের সম্পর্ক এখন তলানিতে ঠেকেছে। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের কথায় বাংলাদেশের এই মুহূর্তে কোনও বন্ধু প্রতিবেশী নেই। বলাইবাহুল তিনি ভারতকে বন্ধু দেশ বলে মানতে চাননি। এমন প্রেক্ষাপটে দু’দিন আগে ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা এক আন্তর্জাতিক আলোচনাচক্রে বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক কোনও ঘটনাকে ঘিরে ওঠানামা করে না।