
নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল তাঁকে।
শেষ আপডেট: 20 December 2024 08:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলতি বছরের গোড়ায় নিউটাউনে মিলেছিল এক বাংলাদেশি নাগরিকের দেহ (Kolkata Death)। নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল তাঁকে। তখনই জানা গিয়েছিল নিহত ব্যক্তি আওয়ামী লিগের সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনার। বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রমাণের উদ্দেশে তাঁর মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিনের ডিএনএ-র সঙ্গে নিহতের রক্ত মিলিয়ে দেখেছেন তদন্তকারীরা। ডিএনএ রিপোর্ট মিলে গিয়েছে বলে তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে। গতমাসের শেষে ডরিন কলকাতায় এসেছিলেন।
ওই খুনের ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। মে মাসের মাঝামাঝি নাগাদ আনারুলকে নিউ টাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনের একটি ফ্ল্যাটে খুন করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তেই জানতে পারে সিআইডি। খুনের ঘটনা এবং খুনিদের কয়েকজনকে গ্রেফতারের কথা অবশ্য প্রথম জানিয়েছিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। ঢাকার পুলিশ তিনজনকে সে দেশে গ্রেফতার করে। তারা খুন করে দেশে ফিরে গিয়েছিল। এপারে সিআইডি গ্রেফতার করেছে সাতজনতে। যদিও মূল অভিযুক্ত আখতারুজ্জামান শাহিন এখনও উধাও।
ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট মিলে গেলেও আওয়ালী লিগের সাবেক সাংসদ আনারুলের দেহাংশ মেলেনি। আবাসনের সিসি ক্যামেরায় আনারুলকে কয়েকজনের সঙ্গে সেখানকার একটি ফ্ল্যাটে প্রবেশ করতে দেখা গিয়েছিল। পরে ফ্ল্যাট থেকে কয়েকজনকে ট্যুরিস্ট ব্যাগ হাতে বের হতে দেখা যায়। দেওয়ালে ও মেঝেতে মেলে রক্তের দাগ। তদন্তকারীদের ধারণা আনারুলকে হত্যার পর দেহ টুকরো টুকরো করে ব্যাগে ভরে সংলগ্ন খালে ফেলা হয়।
সংলগ্ন খালে খোঁজাখুঁজি করেও দেহাংশ না মেলায় ধৃতদের দোষী প্রমাণ করা কঠিন বলে মনে করছেন আইনজ্ঞরা। কারণ, রক্তের নমুনা মিললেও নিখোঁজ আনারুলকে যে খুন করা হয়েছে তা নিশ্চিত করতে হবে সিআইডি-কে। আনারুল ছিলেন বাংলাদেশের ঝিনাইদহ চার আসনের সংসদ সদস্য। তাঁর বিরুদ্ধে সীমান্ত চোরাকারবারে যুক্ত থাকার অভিযোগ ছিল। সেই কারবারের গোলমালের জেরেই তাঁকে খুন করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছে।