
কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জামাত ই-ইসলামি নেতারা
শেষ আপডেট: 6 August 2024 13:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাস দুয়েক আগে সরকারি শিক্ষা ও চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের কোটার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। সেই আন্দোলনের আঁচ রবিবার থেকে বাড়তে থাকে। যার পরিণতি চরম সীমায় পৌঁছয় সোমবার। অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি পড়শি দেশের। প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। সামরিক বাহিনীর মধ্যস্থতায় আপাতত অন্তর্বর্তী সরকার গড়ার পথে সে দেশ। গতকাল থেকেই বাংলাদেশে একের পর এক পট পরিবর্তন হয়ে চলেছে।
গণঅভ্যুত্থানে সরকারের পতনের পর এবার দলের কেন্দ্রীয় ও শহরের কার্যালয় খুলল বাংলাদেশ জামাত ই-ইসলামি। দীর্ঘ ১৪ বছর পর সোমবার রাতে দলের নেতা-কর্মীরা মগবাজারে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢোকেন। সেখানে ছিলেন দলের প্রধান ডা. শফিকুর রহমান সহ শীর্ষ নেতারা।
একইসঙ্গে এদিন ইসলামি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ও খোলা হয়েছে। নেতারা দীর্ঘদিন পর কার্যালয়ে গিয়ে আবেগে ভেসে যান। সেই খবরও বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ২০১১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর জামাত-ই-ইসলামি ও ইসলামি ছাত্রশিবিরের কার্যালয় বন্ধ হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রচার বিভাগের মুজিবুল আলম।
পাকিস্তানপন্থী মৌলবাদী সংগঠন হিসাবে পরিচিত জামাত-ই-ইসলামি। সম্প্রতি ছাত্র আন্দোলের মাঝে বাংলাদেশে জামাত-ই-ইসলামি সহ তার সহযোগী সংগঠনগুলিকে নিষিদ্ধ করেছিলেন শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে গোটা দেশে নিষিদ্ধ করা হল ইসলামি ছাত্র শিবিরকেও। কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং ছাত্র বিক্ষোভের আবহেই সর্বদলীয় বৈঠক ডেকে জামাতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেন হাসিনার সরকার।
নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার আগেই হারিয়েছিল, এরপর হাসিনার সিদ্ধান্তের পর রাজনৈতিক দলের পরিচিতিও হারায় জামাত-ই-ইসলামি। সরকারের এই সিদ্ধান্তের পর বিক্ষোভকারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এমনও অভিযোগ উঠেছে, জামাত-ই-ইসলামিকে নিষিদ্ধ করার পর তাদের সমর্থকরা সরকার বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়েছে।