বাংলাদেশের হাইকমিশনারের ভারতের এক নামজাদা হিন্দু আধ্যাত্মিক গুরুর সঙ্গে সাক্ষাৎকে কোনও কোনও মহল তাৎপর্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করছে।

শেষ আপডেট: 16 January 2026 00:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী শ্রী রবিশঙ্করের (Shree Shree Ravishankar) সঙ্গে দেখা করলেন ভারতে দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ (Riaz Hamidullah, High Commissioner of Bangladesh in India) । বেঙ্গালুরুতে আর্ট অফ লিভিংয়ের (Art of Living)- আশ্রমে গিয়ে শ্রী শ্রী'র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার। এই সাক্ষাৎ নিয়ে উচ্ছ্বসিত রিয়াজ হামিদুল্লাহ এক্স পোস্টে তাঁর অনুভূতি জানিয়েছেন।
বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর নিপীড়ন, নির্যাতনের ঘটনার অভিযোগ ঘিরে দু দেশের সম্পর্কের আচমকা অবনতি হয়েছে। দুই দেশই ভিসা দেওয়া সীমিত করেছে। খালেদা জিয়ার শেষ যাত্রায় অংশ নিতে ঢাকায় গেলেও বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের সঙ্গে দেখা করেননি ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jai Shankar, foreign minister of India)। এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের ভারতের এক নামজাদা হিন্দু আধ্যাত্মিক গুরুর (Hindu Spiritual Guru) সঙ্গে সাক্ষাৎতে কোনও কোনও মহল তাৎপর্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করছে।

রিয়াজ হামিদুল্লাহ অবশ্য দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশনারের দায়িত্ব ভার গ্রহণের পর থেকেই সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপনের চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে দু'দেশের মানুষকে সম্পৃক্ত করে এমন উৎসব অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে তিনি নাগরিকদের মধ্যে সেতুবন্ধনের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে নানা সময়ে মন্তব্য করেছেন।
A distinct privilege to have audience with @Gurudev Sri Sri Ravi Shankar ji at @ArtofLiving in Bangalore, learn of his four decades' work devoted to spirituality | human wellbeing in 180+ countries, including #India & #Bangladesh.
Also his impeccable commitment towards global… pic.twitter.com/9oeyS3lrkI— Riaz Hamidullah (@hamidullah_riaz) January 14, 2026
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আচমকা অবনতি সত্ত্বেও তাঁর চেষ্টায় গত পুজোয় বাংলাদেশ সরকার ভারতে ইলিশ মাছ রপ্তানি করেছিল। ভারতের তরফেয় নির্ধারিত পণ্য রপ্তানি অব্যাহত আছে। যদিও কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে দুই দেশই বিধিনিষেধ আরোপ করেছে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের জন্য। এরই মধ্যে গত দীপাবলিতে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের অফিস প্রদীপের আলোয় সাজানো হয়েছিল। বুধবার মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা বার্তাতেও পিঠে পুলির উল্লেখ করে এই বিষয়ে ভারত-বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অভিন্নতার কথা উল্লেখ করেন বাংলাদেশের হাই কমিশনার।

বেঙ্গালুরুতে শ্রী শ্রী রবি শঙ্করের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও তাঁর কথা শোনার অভিজ্ঞতাকে অনন্য সৌভাগ্য বলে এক পোস্টে উল্লেখ করেছেন তিনি। বলেছেন এখানে এলে রবি শঙ্করজি আধ্যাত্মিকতার জন্য নিবেদিত চার দশকের কাজ সম্পর্কে জানতে পারবেন ভারত ও বাংলাদেশ সহ ১৮০টির বেশি দেশে মানব কল্যাণে তিনি নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন। এছাড়াও বিশ্বব্যাপী শান্তি, সম্প্রদায় গত উন্নয়ন ও সামাজিক সম্প্রীতির প্রতি তাঁর অনবদ্য অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেছেন। বলেছেন, দীর্ঘস্থায়ী বন্ধন, মানুষের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে গুরুদেবের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানতে পেরে অভিভূত।